আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। হাসিনার সরাসরি নির্দেশে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক কর্মী তার ওপর হামলার পরিকল্পনা নিয়ে তার বাসভবনে প্রবেশ করে। পরে তাকে গুলশান থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। গতকাল শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুলশানে হাজ্জাজের বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মোস্তফা আল নাফিসের নির্দেশে ছাত্রলীগকর্মী মো. নূর (২৫) ববি হাজ্জাজকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর বাসভবনে প্রবেশ করে। তবে সন্দেহজনক আচরণে দেহরক্ষীদের কাছে ধরা পড়ে নূর। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর স্বীকার করে, ‘শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশেই তাকে এ কাজে পাঠানো হয়েছে’। হাজ্জাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক সাক্ষাতের ছলে বাসায় প্রবেশ করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য।
‘দেহরক্ষীরা নূরের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এ দাবির আংশিক সত্যতা পায়’ দাবি করে মোমিনুল বলেন, গুলশান থানা তাকে আটক করেছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে এনডিএম জানতে পেরেছে, বনানীতে অবস্থিত এনডিএম কার্যালয়ে বোমা সদৃশ বস্তু রাখা হয়েছে।
হত্যাচেষ্টার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘তাঁরা যখন রেকি করছিল তখন আমার দেহরক্ষী বাহিনী তাদেরকে ধরতে সক্ষম হয়েছে। আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি, তাদের ফোনের মেসেজ দেখার মাধ্যমে, ফোনের মেসেজের স্ক্রিনশট আছে। তারা ডিবির হেফাজতে আছে। ডিবির কাছে এই জিনিসগুলো আছে। কিন্তু ফোনের মেসেজেসটায় পরিষ্কার ছিল— কোন সময় আমি বাসা থেকে বেরোতে পারি, আমার গাড়ির নম্বর কত, নাম্বার প্লেট কত, আমার দ্বিতীয় গাড়ির নম্বর প্লেট কত, কখন আমি বেরোতে পারি, কি করতে পারি? এবং আজকে কাজ শেষ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিস্ফোরক মেটেরিয়ালস মানে বিস্ফোরক তারা মারবেন, নিক্ষেপ করবেন— এগুলো মেসেজে ছিল। যাদেরকে আমার দেহরক্ষী বাহিনী ধরতে সক্ষম হয়েছে, তাদের কাছে আমরা কিছু পাইনি। কিন্তু ডিবি আমার অফিসের প্রেমিসেস চেক করেছে, তাদের কাছে রিপোর্ট আছে যে, আমার দপ্তরে— এটা তো আমার বাসায় আক্রমণ করতে চেষ্টা করেছে, আক্রমণের আগে আমরা ধরতে পেরেছি— ডিবির কাছে রিপোর্ট আছে যে আমার অফিসেও তারা এই ধরনের আক্রমণ চালাতে চেষ্টা করছে।’
হামলার পরিকল্পনা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আসতে পারে মন্তব্য করে ববি হাজ্জাজ বলেন, আটক ছাত্রলীগকর্মীর ফোনের মেসেজগুলো, দেহরক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে তা স্পষ্ট হয়েছে। ‘আমরা বিশ্বাস করি এই জিনিসটা খোদ শেখ হাসিনার কাছ থেকে এসেছে। কারণ শেখ হাসিনা এই দেশের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, আমরা বারবার ভিডিও মেসেজে দেখেছি, শেখ হাসিনা বার্তা দিচ্ছে, সেসব জায়গায় দেখেছি যে অস্থীতিশীলতা কীভাবে বাড়াতে বাড়ানো যায়, সেটা শেখ হাসিনা বারবার দিচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ববি হাজ্জাজ। তার প্রচেষ্টাতেই হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক দুর্নীতির অভিযোগে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিত্ব হারান।
এনডিএম মহাসচিব অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমানের ওপর হামলার মতো ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়। জাতীয় নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আওয়ামী দোসরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। হাসিনার সরাসরি নির্দেশে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক কর্মী তার ওপর হামলার পরিকল্পনা নিয়ে তার বাসভবনে প্রবেশ করে। পরে তাকে গুলশান থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। গতকাল শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুলশানে হাজ্জাজের বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মোস্তফা আল নাফিসের নির্দেশে ছাত্রলীগকর্মী মো. নূর (২৫) ববি হাজ্জাজকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর বাসভবনে প্রবেশ করে। তবে সন্দেহজনক আচরণে দেহরক্ষীদের কাছে ধরা পড়ে নূর। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর স্বীকার করে, ‘শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশেই তাকে এ কাজে পাঠানো হয়েছে’। হাজ্জাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক সাক্ষাতের ছলে বাসায় প্রবেশ করাই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য।
‘দেহরক্ষীরা নূরের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এ দাবির আংশিক সত্যতা পায়’ দাবি করে মোমিনুল বলেন, গুলশান থানা তাকে আটক করেছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে এনডিএম জানতে পেরেছে, বনানীতে অবস্থিত এনডিএম কার্যালয়ে বোমা সদৃশ বস্তু রাখা হয়েছে।
হত্যাচেষ্টার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘তাঁরা যখন রেকি করছিল তখন আমার দেহরক্ষী বাহিনী তাদেরকে ধরতে সক্ষম হয়েছে। আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি, তাদের ফোনের মেসেজ দেখার মাধ্যমে, ফোনের মেসেজের স্ক্রিনশট আছে। তারা ডিবির হেফাজতে আছে। ডিবির কাছে এই জিনিসগুলো আছে। কিন্তু ফোনের মেসেজেসটায় পরিষ্কার ছিল— কোন সময় আমি বাসা থেকে বেরোতে পারি, আমার গাড়ির নম্বর কত, নাম্বার প্লেট কত, আমার দ্বিতীয় গাড়ির নম্বর প্লেট কত, কখন আমি বেরোতে পারি, কি করতে পারি? এবং আজকে কাজ শেষ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিস্ফোরক মেটেরিয়ালস মানে বিস্ফোরক তারা মারবেন, নিক্ষেপ করবেন— এগুলো মেসেজে ছিল। যাদেরকে আমার দেহরক্ষী বাহিনী ধরতে সক্ষম হয়েছে, তাদের কাছে আমরা কিছু পাইনি। কিন্তু ডিবি আমার অফিসের প্রেমিসেস চেক করেছে, তাদের কাছে রিপোর্ট আছে যে, আমার দপ্তরে— এটা তো আমার বাসায় আক্রমণ করতে চেষ্টা করেছে, আক্রমণের আগে আমরা ধরতে পেরেছি— ডিবির কাছে রিপোর্ট আছে যে আমার অফিসেও তারা এই ধরনের আক্রমণ চালাতে চেষ্টা করছে।’
হামলার পরিকল্পনা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আসতে পারে মন্তব্য করে ববি হাজ্জাজ বলেন, আটক ছাত্রলীগকর্মীর ফোনের মেসেজগুলো, দেহরক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে তা স্পষ্ট হয়েছে। ‘আমরা বিশ্বাস করি এই জিনিসটা খোদ শেখ হাসিনার কাছ থেকে এসেছে। কারণ শেখ হাসিনা এই দেশের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, আমরা বারবার ভিডিও মেসেজে দেখেছি, শেখ হাসিনা বার্তা দিচ্ছে, সেসব জায়গায় দেখেছি যে অস্থীতিশীলতা কীভাবে বাড়াতে বাড়ানো যায়, সেটা শেখ হাসিনা বারবার দিচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ববি হাজ্জাজ। তার প্রচেষ্টাতেই হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক দুর্নীতির অভিযোগে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিত্ব হারান।
এনডিএম মহাসচিব অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমানের ওপর হামলার মতো ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়। জাতীয় নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আওয়ামী দোসরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১১ ঘণ্টা আগে