নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অনুধাবনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে যে দেশের মানুষের ভাবনা ও প্রত্যাশা পাল্টে গেছে। যারা এ পরিবর্তন উপলব্ধি করতে পারবে না, তাদের ভবিষ্যৎ নেই।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে ওয়ার্ল্ড ভিশন আয়োজিত চতুর্থ জাতীয় শিশু ও যুব সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সবাইকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। এ জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা জরুরি।
তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না থেকে যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে সম্পদে রূপান্তর করার জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন।
আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের সবাইকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে—এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন দক্ষ প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ান অনেক সময় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের চেয়েও বেশি আয় করতে পারেন।’
প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, শিক্ষাকে শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গান, বাজনা, নাটক, ছবি আঁকার মতো কর্মকাণ্ড মনোজগৎকে সমৃদ্ধ করে এবং একজন মানুষকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে।
তরুণদের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির এ নেতা বলেন, দেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্বের অন্যতম মেধাবী। তাঁদের শুধু আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে হবে এবং সঠিক সুযোগ দিতে হবে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, তরুণ প্রজন্মই মেধা, দক্ষতা ও দেশপ্রেম দিয়ে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ আখ্যা দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। তরুণেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ—যদি আমরা তাদের প্রকৃত সম্পদে রূপান্তর করতে পারি।’

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন এসেছে, তা অনুধাবনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে যে দেশের মানুষের ভাবনা ও প্রত্যাশা পাল্টে গেছে। যারা এ পরিবর্তন উপলব্ধি করতে পারবে না, তাদের ভবিষ্যৎ নেই।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে ওয়ার্ল্ড ভিশন আয়োজিত চতুর্থ জাতীয় শিশু ও যুব সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সবাইকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। এ জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা জরুরি।
তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না থেকে যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে সম্পদে রূপান্তর করার জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন।
আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের সবাইকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে—এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন দক্ষ প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ান অনেক সময় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের চেয়েও বেশি আয় করতে পারেন।’
প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, শিক্ষাকে শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গান, বাজনা, নাটক, ছবি আঁকার মতো কর্মকাণ্ড মনোজগৎকে সমৃদ্ধ করে এবং একজন মানুষকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে।
তরুণদের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির এ নেতা বলেন, দেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্বের অন্যতম মেধাবী। তাঁদের শুধু আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে হবে এবং সঠিক সুযোগ দিতে হবে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, তরুণ প্রজন্মই মেধা, দক্ষতা ও দেশপ্রেম দিয়ে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ আখ্যা দিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। তরুণেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ—যদি আমরা তাদের প্রকৃত সম্পদে রূপান্তর করতে পারি।’

সংবাদ সম্মলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্বান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বন্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও তাঁর একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন।
২ ঘণ্টা আগে