নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ভার্চুয়ালি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
বৈঠকে বিএনপি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য আব্দুল মঈন খান। দলটির পক্ষ থেকে আরও অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।
ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের প্রতিনিধি ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল অ্যানালিস্ট) সুইবেস, শার্লট (ইলেকটোরাল অ্যানালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট) অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিএনপির পক্ষ থেকে ওই নির্বাচনের নানা অনিয়ম ও ত্রুটি তুলে ধরা হয় ইইউ বিশেষজ্ঞদের কাছে। একই সঙ্গে বিএনপিসহ বিরোধীদের চলমান আন্দোলনে সরকারের অব্যাহত দমন-পীড়নের বিষয়েও অভিযোগ করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ভার্চুয়ালি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
বৈঠকে বিএনপি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য আব্দুল মঈন খান। দলটির পক্ষ থেকে আরও অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।
ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের প্রতিনিধি ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল অ্যানালিস্ট) সুইবেস, শার্লট (ইলেকটোরাল অ্যানালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট) অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিএনপির পক্ষ থেকে ওই নির্বাচনের নানা অনিয়ম ও ত্রুটি তুলে ধরা হয় ইইউ বিশেষজ্ঞদের কাছে। একই সঙ্গে বিএনপিসহ বিরোধীদের চলমান আন্দোলনে সরকারের অব্যাহত দমন-পীড়নের বিষয়েও অভিযোগ করা হয়।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে