নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতির ঘোষণার (প্রেসিডেন্সিয়াল প্রক্লেমেশন) মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।
বিকল্প হিসেবে গণভোটের মাধ্যমেও সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া যেতে পারে, এমনটা মনে করে দলটি।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে ঢাকায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটি তিন ঘন্টার জরুরি বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পাঠানো জুলাই সনদের খসড়া পর্যালোচনা করে। এরপর দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার উপায় নিয়ে দাবি জানানো হয়।
সেই সঙ্গে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণের লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকর করা এবং এর ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায় দলটি।
দলের একজন নেতা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠানে কিছু দল আপত্তি করতে পারে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির ঘোষণা সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া সহজতর হতে পারে, এমন বিবেচনা থেকে দাবিটি তোলা হয়েছে।
বৈঠকে সনদের কিছু বিষয় বিশদভাবে জানতে ঐকমত্য কমিশনের সাথে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত হয়।
দলের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অন্য দুই নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের ও আনম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, আবদুল হালিম, মোয়াযযম হোসাইন হেলাল ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন, মতিউর রহমান আকন্দ, শাহাবুদ্দিন, ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসাইন ও মোঃ সেলিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতির ঘোষণার (প্রেসিডেন্সিয়াল প্রক্লেমেশন) মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।
বিকল্প হিসেবে গণভোটের মাধ্যমেও সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া যেতে পারে, এমনটা মনে করে দলটি।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে ঢাকায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটি তিন ঘন্টার জরুরি বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পাঠানো জুলাই সনদের খসড়া পর্যালোচনা করে। এরপর দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার উপায় নিয়ে দাবি জানানো হয়।
সেই সঙ্গে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণের লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি কার্যকর করা এবং এর ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায় দলটি।
দলের একজন নেতা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠানে কিছু দল আপত্তি করতে পারে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির ঘোষণা সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়া সহজতর হতে পারে, এমন বিবেচনা থেকে দাবিটি তোলা হয়েছে।
বৈঠকে সনদের কিছু বিষয় বিশদভাবে জানতে ঐকমত্য কমিশনের সাথে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত হয়।
দলের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অন্য দুই নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের ও আনম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, আবদুল হালিম, মোয়াযযম হোসাইন হেলাল ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন, মতিউর রহমান আকন্দ, শাহাবুদ্দিন, ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসাইন ও মোঃ সেলিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে