নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকার বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করতে এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারের বিরুদ্ধে কোনো আওয়াজ উঠলেই তারা বেসামাল হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দুঃশাসনের নিঃশব্দ পরিবেশ সৃষ্টি করতেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুকে গত রাতে তাঁর বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে গোয়েন্দা পুলিশ। উপযুক্ত আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ব্যতিরেকে মজনুকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতে নির্দেশনা সত্ত্বেও তুলে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণরূপে উচ্চ আদালতের প্রতি অসম্মান জানানো। ক্ষমতাসীনরা আইনকানুনের কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা রাষ্ট্রক্ষমতার জোরে একের পর এক বেআইনি কাজ করে সীমা লঙ্ঘন করে যাচ্ছে।’
ফখরুল বলেন, ‘একদলীয় দুঃশাসনের এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়। প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা শূন্যের কাছাকাছি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ভাড়াসহ জনজীবনে যে দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজমান, সেটি আড়াল করতেই সরকার আরও বেশি জুলুমের পথ বেছে নিয়েছে।’
বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘এই অগণতান্ত্রিক সরকার গণতন্ত্রের বিধিবিধান, নিয়মনীতি তোয়াক্কা করে না বলেই বিএনপিসহ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি, বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ এই সরকারের চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের প্রতি দমননীতি প্রয়োগ করে সরকারের ক্ষমতা আর নিরাপদ থাকবে না। রাষ্ট্রীয় অনাচার বৃদ্ধি করে আর সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো যাবে না। আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, গণবিরোধী জুলুমের পথ থেকে অবিলম্বে সরে আসুন, গায়েবি মামলা ও গণগ্রেপ্তার বন্ধ করুন, জনগণের ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দিন। পৃথিবীতে কখনোই স্বৈরাচার বেশি দিন টিকতে পারেনি, আটক নেতাদের মুক্তি দিন এবং এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।’
বিবৃতিতে অবিলম্বে দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকার বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করতে এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারের বিরুদ্ধে কোনো আওয়াজ উঠলেই তারা বেসামাল হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দুঃশাসনের নিঃশব্দ পরিবেশ সৃষ্টি করতেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুকে গত রাতে তাঁর বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে গোয়েন্দা পুলিশ। উপযুক্ত আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ব্যতিরেকে মজনুকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতে নির্দেশনা সত্ত্বেও তুলে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণরূপে উচ্চ আদালতের প্রতি অসম্মান জানানো। ক্ষমতাসীনরা আইনকানুনের কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা রাষ্ট্রক্ষমতার জোরে একের পর এক বেআইনি কাজ করে সীমা লঙ্ঘন করে যাচ্ছে।’
ফখরুল বলেন, ‘একদলীয় দুঃশাসনের এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়। প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা শূন্যের কাছাকাছি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ভাড়াসহ জনজীবনে যে দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজমান, সেটি আড়াল করতেই সরকার আরও বেশি জুলুমের পথ বেছে নিয়েছে।’
বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ‘এই অগণতান্ত্রিক সরকার গণতন্ত্রের বিধিবিধান, নিয়মনীতি তোয়াক্কা করে না বলেই বিএনপিসহ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি, বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ এই সরকারের চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের প্রতি দমননীতি প্রয়োগ করে সরকারের ক্ষমতা আর নিরাপদ থাকবে না। রাষ্ট্রীয় অনাচার বৃদ্ধি করে আর সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো যাবে না। আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, গণবিরোধী জুলুমের পথ থেকে অবিলম্বে সরে আসুন, গায়েবি মামলা ও গণগ্রেপ্তার বন্ধ করুন, জনগণের ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দিন। পৃথিবীতে কখনোই স্বৈরাচার বেশি দিন টিকতে পারেনি, আটক নেতাদের মুক্তি দিন এবং এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।’
বিবৃতিতে অবিলম্বে দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২৩ মিনিট আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
২৬ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
২ ঘণ্টা আগে