আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ বৃহস্পতিবার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর কোনো দাবি, আপত্তি ও সংশোধন থাকলে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সাংবাদিকদের সামনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম।
ইসি সূত্র জানায়, আজ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এ নিয়ে কোনো দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর প্রয়োজন হলে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। সংশোধনী কর্তৃপক্ষ ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তা নিষ্পত্তি করবে। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিল হওয়া আবেদনের ওপর গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত সন্নিবেশন করতে হবে। পরে ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ভোটার তালিকার প্রসঙ্গে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ১৭ লাখ তথ্য আমাদের হাতে আছে, তার মধ্যে ১৩ লাখ আমরা ২০২২ সালে সংগ্রহ করেছিলাম। আর বাকি ৪ লাখ আমাদের বিভিন্ন অফিসে এসে এই বছরে নিবন্ধন করেছে। অর্থাৎ আমাদের ধারণা খসড়ায় ২৭ থেকে ২৮ লাখ ভোটার হতে পারে, যেটা ১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আমরা সন্নিবেশ করব এবং তারা নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় যুক্ত হবেন। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে এই তথ্যটা পূর্ণাঙ্গ হয় না। কারণ অনেকেই অফিসে এসে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন না। এই সংখ্যাটা আনুমানিক ৪৫ লাখ হতে পারত।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, খসড়া প্রকাশের পর একদিকে ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কাজ চলবে। অপর দিকে ২০ জানুয়ারির দিক থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগামী বছরের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের চিন্তা চলছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
ইসির দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন ভোটার রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ বৃহস্পতিবার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর কোনো দাবি, আপত্তি ও সংশোধন থাকলে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ সকাল সাড়ে ১০টায় সাংবাদিকদের সামনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম।
ইসি সূত্র জানায়, আজ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এ নিয়ে কোনো দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর প্রয়োজন হলে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। সংশোধনী কর্তৃপক্ষ ৩০ জানুয়ারির মধ্যে তা নিষ্পত্তি করবে। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিল হওয়া আবেদনের ওপর গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত সন্নিবেশন করতে হবে। পরে ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ভোটার তালিকার প্রসঙ্গে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ১৭ লাখ তথ্য আমাদের হাতে আছে, তার মধ্যে ১৩ লাখ আমরা ২০২২ সালে সংগ্রহ করেছিলাম। আর বাকি ৪ লাখ আমাদের বিভিন্ন অফিসে এসে এই বছরে নিবন্ধন করেছে। অর্থাৎ আমাদের ধারণা খসড়ায় ২৭ থেকে ২৮ লাখ ভোটার হতে পারে, যেটা ১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আমরা সন্নিবেশ করব এবং তারা নতুন ভোটার হিসেবে তালিকায় যুক্ত হবেন। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে এই তথ্যটা পূর্ণাঙ্গ হয় না। কারণ অনেকেই অফিসে এসে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন না। এই সংখ্যাটা আনুমানিক ৪৫ লাখ হতে পারত।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, খসড়া প্রকাশের পর একদিকে ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কাজ চলবে। অপর দিকে ২০ জানুয়ারির দিক থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগামী বছরের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের চিন্তা চলছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
ইসির দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন ভোটার রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে