বাসস, ঢাকা

‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) এক্সপো-২০২৪’ এবং বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারত্ব (বিসিডিপি) শীর্ষক চার দিনব্যাপী জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ন্যাপ ও বিসিডিপি উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী, ইউনাইটেড ন্যাশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) নির্বাহী সচিব সাইমন স্টিয়েল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস বক্তব্য দেন।
১০৪টি দেশের প্রায় ৩৮৩ প্রতিনিধি এক্সপো-২০২৪-এ অংশগ্রহণের জন্য ইউএনএফসিসিসিতে নিবন্ধন করেছেন। দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধি, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, এনজিও প্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ ৫৫০ জন অভিযোজন বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, এই সম্মেলনে মোট ২৩টি স্টল রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন দেশের অভিযোজন কার্যক্রম প্রদর্শিত হচ্ছে।
চার দিন ধরে ৩৪টি সেশনে, বিশেষজ্ঞরা রূপান্তরমূলক অভিযোজন, আর্থিক প্রক্রিয়া, অভিযোজন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন সরঞ্জাম এবং লিঙ্গ প্রতিক্রিয়াশীল অভিযোজন নিয়ে আলোচনা করবেন। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ১৩টি স্টলে জলবায়ু অভিযোজনসংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
বিদেশি স্টলে প্রদর্শিত ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রম থেকেও বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং দেশি-বিদেশি সংস্থা তাদের জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রম প্রদর্শনের জন্য এক্সপোতে অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে প্রত্যেকে বিভিন্ন দেশের অভিযোজন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে পারস্পরিকভাবে উপকৃত হবে।
ন্যাপ এক্সপো হলো একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম, যেখানে বিভিন্ন দেশ, সংস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক স্টেকহোল্ডাররা এনএপি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ন্যাপ প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত শূন্যতা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলো মোকাবিলায় এক্সপোতে প্রশিক্ষণ সেশনও থাকবে। বাংলাদেশ এক্সপো বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করবে।

‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) এক্সপো-২০২৪’ এবং বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারত্ব (বিসিডিপি) শীর্ষক চার দিনব্যাপী জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ন্যাপ ও বিসিডিপি উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী, ইউনাইটেড ন্যাশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসিসি) নির্বাহী সচিব সাইমন স্টিয়েল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস বক্তব্য দেন।
১০৪টি দেশের প্রায় ৩৮৩ প্রতিনিধি এক্সপো-২০২৪-এ অংশগ্রহণের জন্য ইউএনএফসিসিসিতে নিবন্ধন করেছেন। দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধি, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, এনজিও প্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ ৫৫০ জন অভিযোজন বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, এই সম্মেলনে মোট ২৩টি স্টল রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন দেশের অভিযোজন কার্যক্রম প্রদর্শিত হচ্ছে।
চার দিন ধরে ৩৪টি সেশনে, বিশেষজ্ঞরা রূপান্তরমূলক অভিযোজন, আর্থিক প্রক্রিয়া, অভিযোজন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন সরঞ্জাম এবং লিঙ্গ প্রতিক্রিয়াশীল অভিযোজন নিয়ে আলোচনা করবেন। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ১৩টি স্টলে জলবায়ু অভিযোজনসংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
বিদেশি স্টলে প্রদর্শিত ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রম থেকেও বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং দেশি-বিদেশি সংস্থা তাদের জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রম প্রদর্শনের জন্য এক্সপোতে অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে প্রত্যেকে বিভিন্ন দেশের অভিযোজন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে পারস্পরিকভাবে উপকৃত হবে।
ন্যাপ এক্সপো হলো একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম, যেখানে বিভিন্ন দেশ, সংস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক স্টেকহোল্ডাররা এনএপি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ন্যাপ প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত শূন্যতা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলো মোকাবিলায় এক্সপোতে প্রশিক্ষণ সেশনও থাকবে। বাংলাদেশ এক্সপো বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করবে।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে