নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সনদের খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আগামী দুই-তিন দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এই সময়ের মধ্যেই ঐতিহাসিক একটি দলিল প্রণয়ন সম্ভব হবে।
আজ সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলমান সংলাপের দ্বিতীয় পর্যায়ের ২০তম দিনের সূচনালগ্নে তিনি এ কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘গত কিছুদিনের মধ্যে বিশেষ করে গতকাল আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছি। আজকেও জাতীয় সনদের প্রেক্ষাপট ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি ভাষা চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছি। যদিও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা এখনও শুরু হয়নি, তবে বাকি বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’
কমিশনের সহসভাপতি জানান, কমিশন ইতিমধ্যে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একমত হয়েছে। তবে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আছে যেগুলো নিয়ে এখনো মতানৈক্য রয়েছে। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
তিনি বলেন, ‘কমিশনের প্রস্তাবগুলো কোনোভাবে চূড়ান্ত নয়। আলোচনা ও সংশোধনের মধ্য দিয়ে এসব প্রস্তাব বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে সবাই একমত হতে পারেন। কমিশনের অবস্থান এককভাবে চাপিয়ে দেওয়ার নয়, বরং সমন্বিতভাবে একটি জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়ার।’
নারীর প্রতিনিধিত্ব, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচন ও জনপ্রশাসন সংস্কারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আরও আলোচনা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আলী রীয়াজ আরও জানান, এই আলোচনা শেষ করে জাতীয় সনদের খসড়া প্রস্তুত করে তা জনসমক্ষে উপস্থাপন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক দলিল রূপে পেশ করার লক্ষ্য নিয়েই কমিশনের কাজ চলছে।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা চাই, এই দলিলটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি দিকনির্দেশনা হোক। রাজনৈতিক দলগুলো যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতা দেখাচ্ছে, তাতে আমরা আশাবাদী আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ঐক্যমতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।’
সংলাপের শুরুতেই তিনি অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

জাতীয় সনদের খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আগামী দুই-তিন দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এই সময়ের মধ্যেই ঐতিহাসিক একটি দলিল প্রণয়ন সম্ভব হবে।
আজ সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলমান সংলাপের দ্বিতীয় পর্যায়ের ২০তম দিনের সূচনালগ্নে তিনি এ কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘গত কিছুদিনের মধ্যে বিশেষ করে গতকাল আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছি। আজকেও জাতীয় সনদের প্রেক্ষাপট ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি ভাষা চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছি। যদিও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা এখনও শুরু হয়নি, তবে বাকি বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’
কমিশনের সহসভাপতি জানান, কমিশন ইতিমধ্যে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একমত হয়েছে। তবে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আছে যেগুলো নিয়ে এখনো মতানৈক্য রয়েছে। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
তিনি বলেন, ‘কমিশনের প্রস্তাবগুলো কোনোভাবে চূড়ান্ত নয়। আলোচনা ও সংশোধনের মধ্য দিয়ে এসব প্রস্তাব বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে সবাই একমত হতে পারেন। কমিশনের অবস্থান এককভাবে চাপিয়ে দেওয়ার নয়, বরং সমন্বিতভাবে একটি জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়ার।’
নারীর প্রতিনিধিত্ব, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচন ও জনপ্রশাসন সংস্কারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আরও আলোচনা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আলী রীয়াজ আরও জানান, এই আলোচনা শেষ করে জাতীয় সনদের খসড়া প্রস্তুত করে তা জনসমক্ষে উপস্থাপন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক দলিল রূপে পেশ করার লক্ষ্য নিয়েই কমিশনের কাজ চলছে।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা চাই, এই দলিলটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি দিকনির্দেশনা হোক। রাজনৈতিক দলগুলো যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতা দেখাচ্ছে, তাতে আমরা আশাবাদী আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ঐক্যমতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।’
সংলাপের শুরুতেই তিনি অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৪ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে