নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচার আইনের মামলায় বরখাস্ত হওয়া সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) পার্থ গোপাল বণিকের জামিনের বিষয়ে বিচারিক আদালতের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই ব্যাখ্যা চান।
পার্থের জামিন বাতিল চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আপিলের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে এই ব্যাখ্যা চান আদালত। আগামী সাত দিনের মধ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনকে এই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। গত রোববার দুদক জামিন বাতিল চেয়ে আপিল করে। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ঘুষ গ্রহণ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনের মামলায় পার্থ গোপাল বণিককে গত ১৭ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন জামিন দেন। ভার্চুয়াল আদালতে শুনানি শেষে জামিন দেওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। কারণ ইতিপূর্বে উচ্চ আদালত পার্থ গোপাল বণিককে জামিন দেননি। যেদিন পার্থ গোপাল বণিককে জামিন দেওয়া হয়, পরদিনই তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন। এরপর গত ২৩ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পার্থ গোপাল বণিকের বিদেশযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
গত বছর ২৪ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন পার্থর মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ পার্থ গোপাল বণিককে আসামি করে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
২০১৯ সালের ২৮ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির ভূতের গলিতে পার্থ গোপাল বণিকের নিজ ফ্ল্যাট থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। তার ঘোষিত আয়কর ফাইলে এ টাকার ঘোষণা নেই। এই টাকা অবৈধ আয় থেকে অর্জিত।
ডিআইজি পার্থ মামলার শুনানিতে দাবি করেছেন, ৮০ লাখ টাকা তার বৈধ আয় থেকে অর্জিত। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকা শাশুড়ি দিয়েছেন। বাকি ৫০ লাখ টাকা সারা জীবনের জমানো অর্থ।

ঢাকা: ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচার আইনের মামলায় বরখাস্ত হওয়া সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) পার্থ গোপাল বণিকের জামিনের বিষয়ে বিচারিক আদালতের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই ব্যাখ্যা চান।
পার্থের জামিন বাতিল চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আপিলের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে এই ব্যাখ্যা চান আদালত। আগামী সাত দিনের মধ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনকে এই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। গত রোববার দুদক জামিন বাতিল চেয়ে আপিল করে। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ঘুষ গ্রহণ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনের মামলায় পার্থ গোপাল বণিককে গত ১৭ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন জামিন দেন। ভার্চুয়াল আদালতে শুনানি শেষে জামিন দেওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। কারণ ইতিপূর্বে উচ্চ আদালত পার্থ গোপাল বণিককে জামিন দেননি। যেদিন পার্থ গোপাল বণিককে জামিন দেওয়া হয়, পরদিনই তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হন। এরপর গত ২৩ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পার্থ গোপাল বণিকের বিদেশযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
গত বছর ২৪ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন পার্থর মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ পার্থ গোপাল বণিককে আসামি করে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
২০১৯ সালের ২৮ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির ভূতের গলিতে পার্থ গোপাল বণিকের নিজ ফ্ল্যাট থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। তার ঘোষিত আয়কর ফাইলে এ টাকার ঘোষণা নেই। এই টাকা অবৈধ আয় থেকে অর্জিত।
ডিআইজি পার্থ মামলার শুনানিতে দাবি করেছেন, ৮০ লাখ টাকা তার বৈধ আয় থেকে অর্জিত। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকা শাশুড়ি দিয়েছেন। বাকি ৫০ লাখ টাকা সারা জীবনের জমানো অর্থ।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৫ ঘণ্টা আগে