নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পক্ষপাতমূলক রিপোর্ট দেওয়ার কারণেই ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না, ধর্ষকেরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছেন, চিকিৎসকদের উচিত ধর্ষণের ঘটনায় গুরুত্বসহকারে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা। যাতে ধর্ষকেরা কোনোভাবেই পার পেয়ে না যায়।
ধর্ষণ মামলার এক আসামির জামিন শুনানিতে রোববার বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের বেঞ্চ এসব কথা বলেন।
চলতি বছরের ৬ মার্চ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বান্ধবীর বিয়েতে যান এক নারী। সেখানে গিয়ে এক বখাটের প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ১২ মার্চ তিনি দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ১৯ মার্চ লাখাই থানায় মামলা করেন ওই নারী। মামলায় শিপন মিয়া (২২), পারভেজ (২০), হুমায়ুন মিয়া (২০), শাহজাহান (২২), আফিয়া আক্তার, দেলোয়ার হোসেন দিলু (৪৫) ও রাবিয়া খাতুনকে (৩৫) আসামি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চার জন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। বাকিরা সহযোগিতা করেন। আসামি রাবিয়া খাতুনের জামিন শুনানিকালে মেডিকেল রিপোর্টে চিকিৎসকদের দেওয়া মতামতের বিষয়টি নজরে আসে।
মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়, জোরপূর্বক ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘাড় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে কেবল জখমের চিহ্ন রয়েছে। ভুক্তভোগীর সতিচ্ছেদ অনেক পুরোনো।
এমন রিপোর্ট দেখে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোমিন চৌধুরী ও ডা. নাদিরা বেগমকে তলব করেন হাইকোর্ট। রোববার হাজির হয়ে ওই দুই চিকিৎসক রিপোর্টের পক্ষে মৌখিক ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু আদালত ওই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে আদেশ দিতে চাননি। এ সময় দুই চিকিৎসক আদালতে ক্ষমা চান। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, আমরা ক্ষমা করতে বসিনি, বিচার করতে বসেছি।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। তাঁকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শামীম খান। আসামি রাবিয়া খাতুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

পক্ষপাতমূলক রিপোর্ট দেওয়ার কারণেই ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না, ধর্ষকেরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছেন, চিকিৎসকদের উচিত ধর্ষণের ঘটনায় গুরুত্বসহকারে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা। যাতে ধর্ষকেরা কোনোভাবেই পার পেয়ে না যায়।
ধর্ষণ মামলার এক আসামির জামিন শুনানিতে রোববার বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের বেঞ্চ এসব কথা বলেন।
চলতি বছরের ৬ মার্চ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বান্ধবীর বিয়েতে যান এক নারী। সেখানে গিয়ে এক বখাটের প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ১২ মার্চ তিনি দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। ওই ঘটনায় ১৯ মার্চ লাখাই থানায় মামলা করেন ওই নারী। মামলায় শিপন মিয়া (২২), পারভেজ (২০), হুমায়ুন মিয়া (২০), শাহজাহান (২২), আফিয়া আক্তার, দেলোয়ার হোসেন দিলু (৪৫) ও রাবিয়া খাতুনকে (৩৫) আসামি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চার জন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। বাকিরা সহযোগিতা করেন। আসামি রাবিয়া খাতুনের জামিন শুনানিকালে মেডিকেল রিপোর্টে চিকিৎসকদের দেওয়া মতামতের বিষয়টি নজরে আসে।
মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়, জোরপূর্বক ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘাড় ও শরীরের কয়েকটি স্থানে কেবল জখমের চিহ্ন রয়েছে। ভুক্তভোগীর সতিচ্ছেদ অনেক পুরোনো।
এমন রিপোর্ট দেখে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোমিন চৌধুরী ও ডা. নাদিরা বেগমকে তলব করেন হাইকোর্ট। রোববার হাজির হয়ে ওই দুই চিকিৎসক রিপোর্টের পক্ষে মৌখিক ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু আদালত ওই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে আদেশ দিতে চাননি। এ সময় দুই চিকিৎসক আদালতে ক্ষমা চান। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, আমরা ক্ষমা করতে বসিনি, বিচার করতে বসেছি।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। তাঁকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শামীম খান। আসামি রাবিয়া খাতুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১১ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
১২ ঘণ্টা আগে