আজকের পত্রিকা ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ছয় মাসকে প্রথম পর্ব আখ্যায়িত করে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।’
আজ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রথম অধ্যায় আমরা যেভাবে কাটালাম, এটা একটা মস্তবড় শক্তি। প্রথম অধ্যায় শেষ করলাম। দ্বিতীয় অধ্যায় যদি ঠিক থাকতে পারি, তৃতীয় অধ্যায়ের জন্য আর আমার কোনো চিন্তা নেই। আমরা নিশ্চয়ই নতুন বাংলাদেশ বানাতে পারব। এ সময় যেসব শক্তি আমাদের ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে, আমাদের ভণ্ডুল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, সবাই মিলে সুন্দরভাবে তাদের মোকাবিলা করতে পেরেছি।’
দেশ, দেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দল ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে সরকারের সমর্থন গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সে কারণে অপর পক্ষ সুবিধা করতে পারছে না। পদে পদে তারা ব্যাহত হচ্ছে। বহুবার প্ররোচনা করেও গল্প টিকাতে পারছে না তারা। শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অপপ্রচার চালাতে গিয়েও পারেনি তারা। যত ছোট-বড়, মাঝারি ও ধনী রাষ্ট্র—সবাই আমাদের পক্ষে। কারও কোনো দ্বিধা নেই।’
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন সারা পৃথিবী বদলে দিয়েছে উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এখন কারও বয়ান কেউ শুনবে না। আর কত সমর্থন চাই আমাদের। অক্ষরে অক্ষরে বলে দিয়েছে, কখন কীভাবে মেরেছে (মানুষ)। এর থেকে তো তাদের বের হওয়ার উপায় নেই। বাংলাদেশকে ঘিরে যে অপপ্রচার চলছিল, একটি প্রতিবেদনে সবকিছু সমাপ্ত হয়েছে।’
বৈঠকের শুরুতে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন তাঁদের স্মরণ করা হয়। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বহু আগে থেকে আমাদের মনে নানা প্রশ্ন থাকলেও তা করার সুযাগ পাইনি। ছাত্রজনতার ত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই সুযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা যেন তাঁদের এই আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান না জানাই। পরবর্তী প্রজন্ম যেন তাঁদের মনে রাখে। তাঁদের আত্মত্যাগকে সার্থক করার জন্য আমরা সবাই দাঁড়িয়েছি। সবাইকে মিলে সব রকম চেষ্টা করব, যেন তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ছয় মাসকে প্রথম পর্ব আখ্যায়িত করে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।’
আজ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রথম অধ্যায় আমরা যেভাবে কাটালাম, এটা একটা মস্তবড় শক্তি। প্রথম অধ্যায় শেষ করলাম। দ্বিতীয় অধ্যায় যদি ঠিক থাকতে পারি, তৃতীয় অধ্যায়ের জন্য আর আমার কোনো চিন্তা নেই। আমরা নিশ্চয়ই নতুন বাংলাদেশ বানাতে পারব। এ সময় যেসব শক্তি আমাদের ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে, আমাদের ভণ্ডুল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, সবাই মিলে সুন্দরভাবে তাদের মোকাবিলা করতে পেরেছি।’
দেশ, দেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দল ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে সরকারের সমর্থন গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সে কারণে অপর পক্ষ সুবিধা করতে পারছে না। পদে পদে তারা ব্যাহত হচ্ছে। বহুবার প্ররোচনা করেও গল্প টিকাতে পারছে না তারা। শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অপপ্রচার চালাতে গিয়েও পারেনি তারা। যত ছোট-বড়, মাঝারি ও ধনী রাষ্ট্র—সবাই আমাদের পক্ষে। কারও কোনো দ্বিধা নেই।’
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন সারা পৃথিবী বদলে দিয়েছে উল্লেখ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এখন কারও বয়ান কেউ শুনবে না। আর কত সমর্থন চাই আমাদের। অক্ষরে অক্ষরে বলে দিয়েছে, কখন কীভাবে মেরেছে (মানুষ)। এর থেকে তো তাদের বের হওয়ার উপায় নেই। বাংলাদেশকে ঘিরে যে অপপ্রচার চলছিল, একটি প্রতিবেদনে সবকিছু সমাপ্ত হয়েছে।’
বৈঠকের শুরুতে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন তাঁদের স্মরণ করা হয়। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বহু আগে থেকে আমাদের মনে নানা প্রশ্ন থাকলেও তা করার সুযাগ পাইনি। ছাত্রজনতার ত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই সুযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা যেন তাঁদের এই আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান না জানাই। পরবর্তী প্রজন্ম যেন তাঁদের মনে রাখে। তাঁদের আত্মত্যাগকে সার্থক করার জন্য আমরা সবাই দাঁড়িয়েছি। সবাইকে মিলে সব রকম চেষ্টা করব, যেন তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি।’

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ২০২৫ সালে দেশে ৭ হাজার ৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া একই বছর ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন নিহত, ১২৩ জন আহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়। রেলপথে ৫১৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪৭৮ জন এবং আহত হয় ১৫২ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যে আন্দোলন হয়, তার পেছনেও এই বাস্তবতা কাজ করেছে। বাজারে চাকরি নেই, সরকারি চাকরিই একমাত্র ভরসা, সেখানেও কোটা-সংকট।
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামপন্থী দলগুলোর জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। তবে শাহজাদপুরেই ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের ‘বড় সাফল্য’ অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি সফরে থাকা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
৮ ঘণ্টা আগে