
রেলে দুর্নীতি আছে বলে স্বীকার করেছেন নতুন সরকারের রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। তিনি বলেন, ‘রেলে কালো বিড়াল আছে কি না সেটা বলতে পারব না, তবে দুর্নীতি আছে।’
আজ বুধবার রাজধানীর রেলভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
এ ছাড়া তিনি রেলের জমি বেহাত হওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রেলমন্ত্রী বলেন, রেলের জমি বেহাত হচ্ছে। এই জমি উদ্ধার করা চ্যালেঞ্জ। সব জায়গায় এত সিন্ডিকেট যে এগুলো ওভারকাম করতে হবে।
জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘এটা (রেল) লুজিং কনসার্ন। সবাই চেষ্টা করে লস না দেওয়ার জন্য। আমরাও চেষ্টা করব এটাকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে। আমি দুই দিন হলো বসেছি, অনেক কিছু জানতে হবে তারপর বিস্তারিত বলতে পারব। রেলের প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী যদি চায় তাহলে রেলকে লাভজনক করা কোনো বিষয় না।’
প্রথম মন্ত্রিত্ব পাওয়া নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে রেলমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের উন্নতি একটা চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমি গ্রহণ করেছি।
রেলের নিরাপত্তা নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী সপ্তাহে সরকারি সব সংস্থার সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া টিকিট নিয়ে উন্নত কিছু করার থাকলে তাও করা হবে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে ট্রেন দেওয়া হবে।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে