নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বড় আয়োজন করে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবে সরকার। এ অনুষ্ঠানে বিরোধী দলগুলোর নেতারাও দাওয়াত পাবেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও দাওয়াত পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার দুপুরে মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাকের উদ্যোগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চালকদের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কাউকে দাওয়াত দেব না এটা বলিনি। খালেদা জিয়া নিয়মের মধ্যে পড়লে অবশ্যই দেব। কারণ তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, আবার বিএনপির চেয়ারপারসনও। নিয়মটি জেনে আমরা দাওয়াত দেব। তবে বিএনপি নেতারা অবশ্যই দাওয়াত পাবেন। তাঁদের শরিক দল, বাম-ডান সবাই দাওয়াত পাবেন।’
পদ্মা সেতুর অর্থায়নে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শুরুতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের বিরোধ তুঙ্গে উঠেছিল। তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পদ্মা সেতু তৈরির আগে অনেকেই বিরোধিতা করেছিলেন। আমার পাশেই বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি আছেন। আমরা তাঁদেরও, মানে বিশ্বব্যাংককে দাওয়াত দেব পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে।’
এ সময় বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর সরকারবিরোধী আন্দোলনের ঘোষণা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উদ্যাপনে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান একযোগে সারা দেশে দেখানো হবে। জেলায় জেলায় উৎসব করেও এই ক্ষণ উদ্যাপন করা হবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। আর ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ কয়েকটি জেলায় এ উপলক্ষে ২৫ জুন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলবে। এর মধ্যে ঢাকার হাতিরঝিলে আয়োজন করা হবে লেজার শোর।
পদ্মা সেতু সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

বড় আয়োজন করে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবে সরকার। এ অনুষ্ঠানে বিরোধী দলগুলোর নেতারাও দাওয়াত পাবেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও দাওয়াত পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার দুপুরে মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাকের উদ্যোগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চালকদের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কাউকে দাওয়াত দেব না এটা বলিনি। খালেদা জিয়া নিয়মের মধ্যে পড়লে অবশ্যই দেব। কারণ তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, আবার বিএনপির চেয়ারপারসনও। নিয়মটি জেনে আমরা দাওয়াত দেব। তবে বিএনপি নেতারা অবশ্যই দাওয়াত পাবেন। তাঁদের শরিক দল, বাম-ডান সবাই দাওয়াত পাবেন।’
পদ্মা সেতুর অর্থায়নে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শুরুতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের বিরোধ তুঙ্গে উঠেছিল। তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পদ্মা সেতু তৈরির আগে অনেকেই বিরোধিতা করেছিলেন। আমার পাশেই বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি আছেন। আমরা তাঁদেরও, মানে বিশ্বব্যাংককে দাওয়াত দেব পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে।’
এ সময় বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর সরকারবিরোধী আন্দোলনের ঘোষণা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উদ্যাপনে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান একযোগে সারা দেশে দেখানো হবে। জেলায় জেলায় উৎসব করেও এই ক্ষণ উদ্যাপন করা হবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। আর ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ কয়েকটি জেলায় এ উপলক্ষে ২৫ জুন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলবে। এর মধ্যে ঢাকার হাতিরঝিলে আয়োজন করা হবে লেজার শোর।
পদ্মা সেতু সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে