বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। ৬ এপ্রিল (রোববার) এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’-এর পরিমার্জিত সংস্করণ অনুসরণ করেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্য নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বলা হয়েছে।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেবিচকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করবেন না, যাতে রাষ্ট্র বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
এ ছাড়া ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য, জাতিগত সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় এমন কনটেন্ট, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করে এমন বক্তব্য, লৈঙ্গিক বৈষম্যমূলক মন্তব্য এবং জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির উপযোগী তথ্য প্রকাশ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিশেষ করে ভিত্তিহীন, অসত্য বা অশ্লীল কোনো তথ্য প্রচার করা যাবে না এবং অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করতেও নিষেধ করা হয়েছে।
বেবিচক সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের পর কিছু কর্মকর্তা সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের বিতর্কিত পোস্ট দিচ্ছেন। এসব পোস্টে রাজনৈতিক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং দাপ্তরিক পরিবেশে প্রভাব পড়ছে। এসব অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। ৬ এপ্রিল (রোববার) এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’-এর পরিমার্জিত সংস্করণ অনুসরণ করেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্য নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বলা হয়েছে।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেবিচকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করবেন না, যাতে রাষ্ট্র বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
এ ছাড়া ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির পরিপন্থী কোনো তথ্য, জাতিগত সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় এমন কনটেন্ট, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করে এমন বক্তব্য, লৈঙ্গিক বৈষম্যমূলক মন্তব্য এবং জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির উপযোগী তথ্য প্রকাশ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিশেষ করে ভিত্তিহীন, অসত্য বা অশ্লীল কোনো তথ্য প্রচার করা যাবে না এবং অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করতেও নিষেধ করা হয়েছে।
বেবিচক সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের পর কিছু কর্মকর্তা সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের বিতর্কিত পোস্ট দিচ্ছেন। এসব পোস্টে রাজনৈতিক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং দাপ্তরিক পরিবেশে প্রভাব পড়ছে। এসব অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে