আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া সময়সীমার ভেতর জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী জুনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনের দাবি-সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে আমাদের নির্বাচন কমিশনাররা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের একটা উইন্ডো (সময়সীমা) দিয়েছেন, আমরা তার ভেতর কাজ করছি।’
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, আগামী চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছর জুনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, সংস্কার সীমিত আকারের করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হবে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা দেবে ইউএনডিপি
বৈঠকের বিষয়ে সচিব বলেন, ‘জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে। আমরা ইউএনডিপির কাছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা চেয়েছি। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ইত্যাদি বিষয়ে। তাঁরা এ বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য এসেছিলেন। আমাদের সঙ্গে কথা বললেন, এখন অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে আবার ১০ দিনের ভেতরে একটা প্রস্তাবনা নিয়ে আসবেন। মূলত আজকে কাজের পরিধি ঠিক করে নেওয়ার বৈঠক ছিল। ১০ দিনের মাথায় আবার বসব।’
তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের এখানে একটা অফিসে তাঁরা করছে, এটা কেন? এখন ঘরে ঢুকতে না দিলে ঘরের কাজ করাব কী করে। তাঁদের বসার তো একটা জায়গা দিতে হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আরও বলেন, ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদের পর ভোটার তালিকা সাধারণীকরণ করার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করব। এ ছাড়া হালনাগাদ কার্যক্রমে আমাদের কিছু উপকরণের ঘাটতি আছে, সেগুলো দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা ঘরে ঘরে তো গিয়ে তো তথ্য আনবে না। সে তথ্য আমরা আনার পর কাস্টমাইজেশনে তাঁরা সহায়তা করবে। সহায়তাটা হচ্ছে কারিগরি সহায়তা। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, যোগাযোগ, এসডিজির কিছু গোল আছে সেগুলোতে তারা সহায়তা করবে। আজকে শুরু হলো।’
তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত বিষয়টি হচ্ছে সফটওয়্যারের কোনো উন্নয়ন যদি করা যায়। তবে ইভিএম নিয়ে কোনো সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়নি। কারিগরি সাপোর্ট, প্রশিক্ষণ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাপোর্ট চেয়েছি। আরও মাইক্রো লেভেলে ভবিষ্যতে জানতে চাইবে। অর্থনৈতিক কোনো সহায়তা চাওয়া হয়নি।’
বৈঠক শেষে গোয়েন লুইস সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে সহায়তা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘে একটি চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এসেছি। এ জন্য আমাদের এখন প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূল্যায়ন শেষ করার আগেই অংশীজন, সুশীল সমাজ, বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলব। এসবের পর ইউএনডিপি কী সহায়তা করতে পারে, সে সুপারিশ করা হবে।’
এর আগে ইউএনডিপির আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যেদের প্রতিনিধি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া সময়সীমার ভেতর জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী জুনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনের দাবি-সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে আমাদের নির্বাচন কমিশনাররা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের একটা উইন্ডো (সময়সীমা) দিয়েছেন, আমরা তার ভেতর কাজ করছি।’
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, আগামী চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছর জুনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, সংস্কার সীমিত আকারের করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হবে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা দেবে ইউএনডিপি
বৈঠকের বিষয়ে সচিব বলেন, ‘জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে। আমরা ইউএনডিপির কাছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা চেয়েছি। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ইত্যাদি বিষয়ে। তাঁরা এ বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য এসেছিলেন। আমাদের সঙ্গে কথা বললেন, এখন অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে আবার ১০ দিনের ভেতরে একটা প্রস্তাবনা নিয়ে আসবেন। মূলত আজকে কাজের পরিধি ঠিক করে নেওয়ার বৈঠক ছিল। ১০ দিনের মাথায় আবার বসব।’
তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের এখানে একটা অফিসে তাঁরা করছে, এটা কেন? এখন ঘরে ঢুকতে না দিলে ঘরের কাজ করাব কী করে। তাঁদের বসার তো একটা জায়গা দিতে হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আরও বলেন, ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদের পর ভোটার তালিকা সাধারণীকরণ করার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করব। এ ছাড়া হালনাগাদ কার্যক্রমে আমাদের কিছু উপকরণের ঘাটতি আছে, সেগুলো দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা ঘরে ঘরে তো গিয়ে তো তথ্য আনবে না। সে তথ্য আমরা আনার পর কাস্টমাইজেশনে তাঁরা সহায়তা করবে। সহায়তাটা হচ্ছে কারিগরি সহায়তা। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, যোগাযোগ, এসডিজির কিছু গোল আছে সেগুলোতে তারা সহায়তা করবে। আজকে শুরু হলো।’
তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত বিষয়টি হচ্ছে সফটওয়্যারের কোনো উন্নয়ন যদি করা যায়। তবে ইভিএম নিয়ে কোনো সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়নি। কারিগরি সাপোর্ট, প্রশিক্ষণ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাপোর্ট চেয়েছি। আরও মাইক্রো লেভেলে ভবিষ্যতে জানতে চাইবে। অর্থনৈতিক কোনো সহায়তা চাওয়া হয়নি।’
বৈঠক শেষে গোয়েন লুইস সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে সহায়তা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘে একটি চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এসেছি। এ জন্য আমাদের এখন প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূল্যায়ন শেষ করার আগেই অংশীজন, সুশীল সমাজ, বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলব। এসবের পর ইউএনডিপি কী সহায়তা করতে পারে, সে সুপারিশ করা হবে।’
এর আগে ইউএনডিপির আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যেদের প্রতিনিধি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাইয়ের চেতনার নামে গরু কোরবানি দেওয়া, মধ্যরাতে অফিসে হামলা করা, আগুন দেওয়া নজিরবিহীন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সরকারের গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, ‘এ সরকার রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনি এটাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মনে করেন? যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে