নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ তার নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়, শ্রীলঙ্কার না। তাই শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ সংকটের সঙ্গে আমাদের দেশের উদাহরণ দেওয়া অযৌক্তিক এবং বড়ই বেমানান।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত দুই দিন ব্যাপী বাংলাদেশের ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ বিষয়ক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বগুণে দেশে অনেক উন্নত দেশ ও বিদেশি সংস্থা বিনিয়োগ করছে। তাই কোনো দেশ যদি সে দেশের অভ্যন্তরীণ পলিসির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এবং একই অবস্থা অন্য একটি দেশের হবে এটা বলা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক এবং এ রকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই।
মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা “বাংলাদেশ বদ্বীপ মহাপরিকল্পনা”। এই মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।’
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের ডেলটা মহাপরিকল্পনা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ নেই এবং থাকবেও না। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত করাই ডেলটা প্ল্যানের মূল লক্ষ্য।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নের ফলে আগামী প্রজন্ম একটি উন্নত দেশে পাবে। এই দেশ টেকসই হবে।’
মন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আলোকে সে দেশের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনাটি প্রণীত হয়েছে। ডেলটা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা প্রয়োজন। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাইকাসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।
মো. তাজুল ইসলাম জানান, ডেলটা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গতকাল (বৃহস্পতিবার) নেদারল্যান্ডস সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত লেটার অব ইনটেন্টের মাধ্যমে ডাচ সরকার জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের রাউজান এবং যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে শতাধিক পৌরসভায় জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা হবে।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, এসডিজি-২০৩০, ভিশন-২০৪১ সহ নানা মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সরকার দেশ পরিচালনা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব পরিকল্পনা ডেলটা প্ল্যান-২১০০ এর অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য। এই পরিকল্পনার দর্শন বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ অবশ্যই বিশ্বের বুকে গর্বিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।’
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম। এ ছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এবং দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ তার নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়, শ্রীলঙ্কার না। তাই শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ সংকটের সঙ্গে আমাদের দেশের উদাহরণ দেওয়া অযৌক্তিক এবং বড়ই বেমানান।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত দুই দিন ব্যাপী বাংলাদেশের ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ বিষয়ক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বগুণে দেশে অনেক উন্নত দেশ ও বিদেশি সংস্থা বিনিয়োগ করছে। তাই কোনো দেশ যদি সে দেশের অভ্যন্তরীণ পলিসির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এবং একই অবস্থা অন্য একটি দেশের হবে এটা বলা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক এবং এ রকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই।
মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা “বাংলাদেশ বদ্বীপ মহাপরিকল্পনা”। এই মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।’
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের ডেলটা মহাপরিকল্পনা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ নেই এবং থাকবেও না। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত করাই ডেলটা প্ল্যানের মূল লক্ষ্য।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নের ফলে আগামী প্রজন্ম একটি উন্নত দেশে পাবে। এই দেশ টেকসই হবে।’
মন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আলোকে সে দেশের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনাটি প্রণীত হয়েছে। ডেলটা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা প্রয়োজন। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাইকাসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।
মো. তাজুল ইসলাম জানান, ডেলটা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গতকাল (বৃহস্পতিবার) নেদারল্যান্ডস সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত লেটার অব ইনটেন্টের মাধ্যমে ডাচ সরকার জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের রাউজান এবং যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে শতাধিক পৌরসভায় জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা হবে।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, এসডিজি-২০৩০, ভিশন-২০৪১ সহ নানা মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সরকার দেশ পরিচালনা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব পরিকল্পনা ডেলটা প্ল্যান-২১০০ এর অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য। এই পরিকল্পনার দর্শন বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ অবশ্যই বিশ্বের বুকে গর্বিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।’
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম। এ ছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এবং দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে এবং হুট করে বিদেশিদের আগমন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাময়িকভাবে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র
১ ঘণ্টা আগে
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১২টি ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন করিয়ে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিদেশে পালিয়ে থাকা ব্যক্তিদের দেওয়া হুমকির কোনো মূল্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যাদের সাহস আছে, তারা দেশে এসে আইনের আশ্রয় নিক। অন্য দেশে পালিয়ে থেকে কথা বললে তার কোনো ভ্যালু নেই।
২ ঘণ্টা আগে