
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংগঠনটি বলেছে, সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, পেশাগত কাজে বাধা এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এই উদ্বেগের কথা জানায় আসক।
সংগঠনের সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আসক বলেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গতকাল রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, তাঁদের পেশাগত কাজে বাধা এবং পরে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সংগঠনটি বলছে, জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে সাংবাদিকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশে বাধা দেওয়া, সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে না, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। আসকের মতে, কোনো ঘটনা সম্পর্কে সংবাদ সংগ্রহ বা তথ্য প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।
সংগঠনটি আরও বলেছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোতেও মতপ্রকাশ এবং তথ্য গ্রহণ, অনুসন্ধান ও প্রচারের অধিকার স্বীকৃত। সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৯ অনুচ্ছেদ এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) ১৯ অনুচ্ছেদে এই অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে আসক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাটি নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে তদন্ত করে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে হামলায় আহত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে।
১৩ মিনিট আগে
শিক্ষকদের বেতন ও অবসর ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের নির্দেশনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন শিক্ষককে শুধু বেতন বা অবসর ভাতার জন্য কষ্ট করে অফিসে ঘুরতে হবে না। যথানিয়মে যথাসময়ে তাঁর প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।
৪০ মিনিট আগে
শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মূল ভিত্তি হচ্ছে সমান সুযোগ, মানসম্মত শিক্ষা এবং বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুযোগের পার্থক্য কমিয়ে দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের মতো জলবায়ু সংকট মেয়েদের বাল্যবিবাহ, অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলোতে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বা
১ ঘণ্টা আগে