নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইসলামী ছাত্রশিবিরের ছয় নেতা গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে তাঁদের পরিবার। গতকাল সোমবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই অভিযোগ করা হয় বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ছয় নেতা গুম হন বলে জানান তাঁরা।
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ছাত্রশিবিরের ওপর ১৭ বছর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। মামলা, হামলা, জেল-জুলুম, রিমান্ড, হত্যাসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গুম করেছে। ছয়জন এখনো গুম আছে। ছয়জনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। আমরা সহযোগিতা করেছি।’
ছয় নেতার বিষয়ে বলা হয়, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ফিকাহ বিভাগের ছাত্র আল মুকাদ্দাসকে আশুলিয়ার নবীনগর থেকে র্যাবের পোশাক পরা ব্যক্তিরা উঠিয়ে নিয়ে যান। ২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল র্যাব পরিচয়ে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির ছাত্র হাফেজ জাকির হোসেনকে শ্যামলী রিং রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৭ সালের ১৮ জুন বান্দরবান সদরের লেমুঝিনি গর্জনিয়া মসজিদের কক্ষ থেকে বান্দরবান ডিগ্রি কলেজের ছাত্র মো. জয়নাল আবেদীনকে র্যাব পরিচয়ে উঠিয়ে নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট বেনাপোল পোর্ট-সংলগ্ন দুর্গাপুর বাজার থেকে বাগাছড়া ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রেজোয়ান হোসাইনকে র্যাব তুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ২০১৭ সালের ৭ মে ঝিনাইদহের সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র কামরুজ্জামানকে ঝিনাইদহ সদরের লেবুতলা থেকে ডিবি পরিচয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে শিবিরের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে হৃদয় নামের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় পৃথক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দায়েরে সহযোগিতা করেছে শিবির। নিহত হৃদয়ের বোন জেসমিন সাংবাদিকদের বলেন, ৫ আগস্ট আনন্দমিছিলের সময় হৃদয়কে (একাদশ শ্রেণির ছাত্র) পুলিশ ধরে নিয়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যার পর লাশ গুম করেছে।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের ছয় নেতা গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে তাঁদের পরিবার। গতকাল সোমবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই অভিযোগ করা হয় বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবিরের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ছয় নেতা গুম হন বলে জানান তাঁরা।
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ছাত্রশিবিরের ওপর ১৭ বছর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। মামলা, হামলা, জেল-জুলুম, রিমান্ড, হত্যাসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গুম করেছে। ছয়জন এখনো গুম আছে। ছয়জনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। আমরা সহযোগিতা করেছি।’
ছয় নেতার বিষয়ে বলা হয়, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ফিকাহ বিভাগের ছাত্র আল মুকাদ্দাসকে আশুলিয়ার নবীনগর থেকে র্যাবের পোশাক পরা ব্যক্তিরা উঠিয়ে নিয়ে যান। ২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল র্যাব পরিচয়ে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির ছাত্র হাফেজ জাকির হোসেনকে শ্যামলী রিং রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৭ সালের ১৮ জুন বান্দরবান সদরের লেমুঝিনি গর্জনিয়া মসজিদের কক্ষ থেকে বান্দরবান ডিগ্রি কলেজের ছাত্র মো. জয়নাল আবেদীনকে র্যাব পরিচয়ে উঠিয়ে নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট বেনাপোল পোর্ট-সংলগ্ন দুর্গাপুর বাজার থেকে বাগাছড়া ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রেজোয়ান হোসাইনকে র্যাব তুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ২০১৭ সালের ৭ মে ঝিনাইদহের সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র কামরুজ্জামানকে ঝিনাইদহ সদরের লেবুতলা থেকে ডিবি পরিচয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে শিবিরের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে হৃদয় নামের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় পৃথক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দায়েরে সহযোগিতা করেছে শিবির। নিহত হৃদয়ের বোন জেসমিন সাংবাদিকদের বলেন, ৫ আগস্ট আনন্দমিছিলের সময় হৃদয়কে (একাদশ শ্রেণির ছাত্র) পুলিশ ধরে নিয়ে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যার পর লাশ গুম করেছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
১১ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
১২ ঘণ্টা আগে