আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না। ভিভিআইপি (ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন) হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, যাদের পরের ধাপে আছেন ভিআইপিরা (ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন)। এই দুই ধরনের ব্যক্তি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকেন।
যেসব ব্যক্তি অবস্থান, দায়িত্ব ও মর্যাদার দিক দিয়ে বিশেষ গুরুত্ব বহন করেন এবং যাদের নিরাপত্তাহানি হলে দেশ ও জাতি গভীর সংকটে পতিত হয়, তাদের ভিভিআইপি এবং ভিআইপি বলা হয়।
বাংলাদেশের প্রটোকল বা ‘অর্ডার অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী, শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুই পদাধিকারী—রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা—‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) হিসেবে গণ্য হন। এ ছাড়া, বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানেরা বাংলাদেশ সফরকালে ভিভিআইপি মর্যাদা পান। তবে সরকার যদি মনে করে যেকোনো ব্যক্তি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদের ভিভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।
অন্যদিকে, ভিআইপি হলেন: জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, সিনিয়র সচিব, সচিব, তিন বাহিনী প্রধান এবং পুলিশের প্রধান। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কাউকেও ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।
ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দুটি বিশেষ বিভাগ থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়: একটি হলো পুলিশের প্রটেকশন টিম এবং আরেকটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এছাড়া বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে চ্যান্সারি পুলিশ।
তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ড রেজিমেন্ট রয়েছে:
রাষ্ট্রপতি: প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), যা তাঁর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও ভিভিআইপি: স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।
এর পাশাপাশি পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।
সড়ক প্রটোকল: ভিআইপি বনাম ভিভিআইপি
ভিআইপিদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের কোনো সড়কেই কোনো ভিআইপির জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থাপনা থাকার কথা নয়। বিধি অনুযায়ী, তাঁদের জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল থাকবে, কিন্তু তাদের চলাচলের জন্য কোনো সড়ক বন্ধ বা অন্য কোনো যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। তাঁরা কোনো অগ্রাধিকারও পাবেন না। উলটো পথে চলা বা অন্য গাড়ি সরিয়ে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই কোনো ভিআইপির।
ভিভিআইপিদের বিশেষ বিধান: শুধু রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার (ভিভিআইপি) চলাচলের সময় সড়কের একপাশ ফাঁকা করে চলাচলের বিধান রয়েছে। ভিভিআইপিদের যাতায়াতের নির্দিষ্ট সড়কটির এক পাশ ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সেখানে সাধারণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। তাঁদের চলাচলের ১৫ মিনিট আগে এ সম্পর্কিত তথ্য এসএসএফ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়, যা তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।
ভিআইপিরা তাঁদের নিরাপত্তার জন্য গানম্যান ও বডিগার্ড পেয়ে থাকেন, যা মূলত থ্রেট অ্যাসেসমেন্টের (হুমকি বা ঝুঁকি বিবেচনায়) ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য কোনো ব্যক্তির জন্যও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অধ্যাপক জাফর ইকবালের নিরাপত্তার জন্য মোট ৩৬ জন পুলিশ পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।
এসএসএফের ক্ষমতা ও দায়িত্ব: আইনের বিধান
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) আইনের বিধান অনুযায়ী, ভিভিআইপিদের সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে বাহিনীর ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত। এসএসএফ আইনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে:
১. দৈহিক নিরাপত্তা: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী (বা প্রধান উপদেষ্টা) যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করাই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।
২. বিদেশি ভিভিআইপি: বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ব্যক্তিকেও দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।
৩. গোয়েন্দা তথ্য: তাদের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এসএসএফের কাজ।
৪. গ্রেপ্তার ও বলপ্রয়োগের বিশেষ ক্ষমতা: আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অনুযায়ী, যদি এসএসএফের কোনো কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, ভিভিআইপি অবস্থান করছেন বা অতিক্রম করছেন এমন স্থানে কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা বিনা গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় সেই ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করতে পারবেন। এই ক্ষমতা দেশের সকল প্রান্তে প্রযোজ্য।
শুধু তাই নয়, যদি ওই ব্যক্তি গ্রেপ্তার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন বা এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপায় অবলম্বন করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি প্রদানের পর তার উপর গুলি বর্ষণ বা এমন বল প্রয়োগও করতে পারবেন, যাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
এই আইনি বিধান ভিভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফকে একচ্ছত্র ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না। ভিভিআইপি (ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন) হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, যাদের পরের ধাপে আছেন ভিআইপিরা (ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন)। এই দুই ধরনের ব্যক্তি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকেন।
যেসব ব্যক্তি অবস্থান, দায়িত্ব ও মর্যাদার দিক দিয়ে বিশেষ গুরুত্ব বহন করেন এবং যাদের নিরাপত্তাহানি হলে দেশ ও জাতি গভীর সংকটে পতিত হয়, তাদের ভিভিআইপি এবং ভিআইপি বলা হয়।
বাংলাদেশের প্রটোকল বা ‘অর্ডার অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী, শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুই পদাধিকারী—রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা—‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) হিসেবে গণ্য হন। এ ছাড়া, বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানেরা বাংলাদেশ সফরকালে ভিভিআইপি মর্যাদা পান। তবে সরকার যদি মনে করে যেকোনো ব্যক্তি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদের ভিভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।
অন্যদিকে, ভিআইপি হলেন: জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, সিনিয়র সচিব, সচিব, তিন বাহিনী প্রধান এবং পুলিশের প্রধান। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কাউকেও ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।
ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দুটি বিশেষ বিভাগ থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়: একটি হলো পুলিশের প্রটেকশন টিম এবং আরেকটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এছাড়া বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে চ্যান্সারি পুলিশ।
তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ড রেজিমেন্ট রয়েছে:
রাষ্ট্রপতি: প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), যা তাঁর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও ভিভিআইপি: স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।
এর পাশাপাশি পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।
সড়ক প্রটোকল: ভিআইপি বনাম ভিভিআইপি
ভিআইপিদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের কোনো সড়কেই কোনো ভিআইপির জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থাপনা থাকার কথা নয়। বিধি অনুযায়ী, তাঁদের জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল থাকবে, কিন্তু তাদের চলাচলের জন্য কোনো সড়ক বন্ধ বা অন্য কোনো যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। তাঁরা কোনো অগ্রাধিকারও পাবেন না। উলটো পথে চলা বা অন্য গাড়ি সরিয়ে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই কোনো ভিআইপির।
ভিভিআইপিদের বিশেষ বিধান: শুধু রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার (ভিভিআইপি) চলাচলের সময় সড়কের একপাশ ফাঁকা করে চলাচলের বিধান রয়েছে। ভিভিআইপিদের যাতায়াতের নির্দিষ্ট সড়কটির এক পাশ ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সেখানে সাধারণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। তাঁদের চলাচলের ১৫ মিনিট আগে এ সম্পর্কিত তথ্য এসএসএফ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়, যা তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।
ভিআইপিরা তাঁদের নিরাপত্তার জন্য গানম্যান ও বডিগার্ড পেয়ে থাকেন, যা মূলত থ্রেট অ্যাসেসমেন্টের (হুমকি বা ঝুঁকি বিবেচনায়) ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য কোনো ব্যক্তির জন্যও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অধ্যাপক জাফর ইকবালের নিরাপত্তার জন্য মোট ৩৬ জন পুলিশ পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।
এসএসএফের ক্ষমতা ও দায়িত্ব: আইনের বিধান
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) আইনের বিধান অনুযায়ী, ভিভিআইপিদের সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে বাহিনীর ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত। এসএসএফ আইনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে:
১. দৈহিক নিরাপত্তা: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী (বা প্রধান উপদেষ্টা) যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করাই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।
২. বিদেশি ভিভিআইপি: বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ব্যক্তিকেও দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।
৩. গোয়েন্দা তথ্য: তাদের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এসএসএফের কাজ।
৪. গ্রেপ্তার ও বলপ্রয়োগের বিশেষ ক্ষমতা: আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অনুযায়ী, যদি এসএসএফের কোনো কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, ভিভিআইপি অবস্থান করছেন বা অতিক্রম করছেন এমন স্থানে কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা বিনা গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় সেই ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করতে পারবেন। এই ক্ষমতা দেশের সকল প্রান্তে প্রযোজ্য।
শুধু তাই নয়, যদি ওই ব্যক্তি গ্রেপ্তার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন বা এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপায় অবলম্বন করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি প্রদানের পর তার উপর গুলি বর্ষণ বা এমন বল প্রয়োগও করতে পারবেন, যাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
এই আইনি বিধান ভিভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফকে একচ্ছত্র ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ।
৩ মিনিট আগে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য
২৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
৪১ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ। সংস্থাটির মতে, প্রস্তাবিত এই কমিশন স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা—কোনোটিই নিশ্চিত করতে পারবে না; বরং এটি হবে আত্মঘাতী ও জনগণের অর্থ অপচয়ের আরেকটি আমলাতান্ত্রিক কাঠামো।
আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগের কথা জানায় টিআইবি। এতে বলা হয়, রক্তক্ষয়ী জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র সংস্কারের ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সেই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীন হওয়ার বদলে সরকারের আজ্ঞাবহ অবসরপ্রাপ্ত এবং প্রেষণে নিয়োজিত আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব চর্চার নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠবে।
অধ্যাদেশটি ধারণাগত, কৌশলগত ও কাঠামোগতভাবে গুরুতর ত্রুটিপূর্ণ জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এই অধ্যাদেশ পুলিশের পেশাদারত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত না করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনিক ও পুলিশি আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ আরও গভীর করবে। ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির যে সংকট থেকে পুলিশের জনআস্থার অবনতি হয়েছে, তার উত্তরণ তো হবেই না; বরং তা বৈধতা পাবে।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘যে স্বাধীন পুলিশ কমিশনের জন্য জনগণ ও নাগরিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে, তার অপরিহার্য শর্ত হলো, সরকারের প্রভাবমুক্ত স্বাধীনতা। অথচ অধ্যাদেশে “স্বাধীনতা” শব্দটি পর্যন্ত অনুপস্থিত।’
কমিশনের গঠনপ্রক্রিয়াকে স্বার্থসংঘাতপূর্ণ উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে সদস্যসচিব করার বিধান কমিশনের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে। তাঁর মতে, বিশ্বের কোথাও এভাবে কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মকর্তার জন্য কমিশনকে বাধ্যতামূলকভাবে উন্মুক্ত রাখার নজির নেই।
অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টিআইবি। বিশেষ করে ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘জননিরাপত্তা ও মানবাধিকার ভারসাম্য’-এর অস্পষ্ট ব্যাখ্যাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বৈধতার ঝুঁকি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। পাশাপাশি নাগরিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং পুলিশ অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটিতে একই কমিশনের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির বিধান অভিযোগ নিষ্পত্তিকে প্রভাবিত করবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
টিআইবির মতে, অধ্যাদেশের ২৩, ২৪ ও ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বাধীনতার অভাব প্রস্তাবিত কমিশনকে কার্যত সরকারের একটি অধীনস্থ দপ্তরে পরিণত করবে। বর্তমান কাঠামো বহাল থাকলে বাংলাদেশে প্রকৃত পুলিশ সংস্কারের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
এ পরিস্থিতিতে সরকারের ভেতরে সক্রিয় সংস্কারবিরোধী চক্রের কাছে নতজানু অবস্থান পরিহার করে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ সংশোধনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। সংস্থাটির দাবি, শুধু সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং সরকারি ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ কমিশনই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ। সংস্থাটির মতে, প্রস্তাবিত এই কমিশন স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা—কোনোটিই নিশ্চিত করতে পারবে না; বরং এটি হবে আত্মঘাতী ও জনগণের অর্থ অপচয়ের আরেকটি আমলাতান্ত্রিক কাঠামো।
আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগের কথা জানায় টিআইবি। এতে বলা হয়, রক্তক্ষয়ী জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র সংস্কারের ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সেই আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীন হওয়ার বদলে সরকারের আজ্ঞাবহ অবসরপ্রাপ্ত এবং প্রেষণে নিয়োজিত আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব চর্চার নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠবে।
অধ্যাদেশটি ধারণাগত, কৌশলগত ও কাঠামোগতভাবে গুরুতর ত্রুটিপূর্ণ জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এই অধ্যাদেশ পুলিশের পেশাদারত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত না করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনিক ও পুলিশি আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ আরও গভীর করবে। ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির যে সংকট থেকে পুলিশের জনআস্থার অবনতি হয়েছে, তার উত্তরণ তো হবেই না; বরং তা বৈধতা পাবে।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘যে স্বাধীন পুলিশ কমিশনের জন্য জনগণ ও নাগরিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে, তার অপরিহার্য শর্ত হলো, সরকারের প্রভাবমুক্ত স্বাধীনতা। অথচ অধ্যাদেশে “স্বাধীনতা” শব্দটি পর্যন্ত অনুপস্থিত।’
কমিশনের গঠনপ্রক্রিয়াকে স্বার্থসংঘাতপূর্ণ উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে সদস্যসচিব করার বিধান কমিশনের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে। তাঁর মতে, বিশ্বের কোথাও এভাবে কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মকর্তার জন্য কমিশনকে বাধ্যতামূলকভাবে উন্মুক্ত রাখার নজির নেই।
অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টিআইবি। বিশেষ করে ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘জননিরাপত্তা ও মানবাধিকার ভারসাম্য’-এর অস্পষ্ট ব্যাখ্যাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বৈধতার ঝুঁকি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। পাশাপাশি নাগরিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং পুলিশ অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটিতে একই কমিশনের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির বিধান অভিযোগ নিষ্পত্তিকে প্রভাবিত করবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
টিআইবির মতে, অধ্যাদেশের ২৩, ২৪ ও ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বাধীনতার অভাব প্রস্তাবিত কমিশনকে কার্যত সরকারের একটি অধীনস্থ দপ্তরে পরিণত করবে। বর্তমান কাঠামো বহাল থাকলে বাংলাদেশে প্রকৃত পুলিশ সংস্কারের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
এ পরিস্থিতিতে সরকারের ভেতরে সক্রিয় সংস্কারবিরোধী চক্রের কাছে নতজানু অবস্থান পরিহার করে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ সংশোধনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। সংস্থাটির দাবি, শুধু সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং সরকারি ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ কমিশনই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না।
১৩ দিন আগে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য
২৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
৪১ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, গত দুই দিনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’-এ ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ৫৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার পর গত শনিবার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোর কমিটির সভায় জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে এ অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী ওই দিন রাত থেকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও সেনাবাহিনী ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত শনিবার রাত থেকে শুরু হয়ে সোমবার পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি করে বিদেশি পিস্তল, রামদা, তলোয়ার, চাকু ও রিচার্জেবল ‘স্টানগান’ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় ৯০৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেলের গাজীপুরের বাড়িতে হামলা হয় এবং সেখানে ১৫-১৬ শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হন। ওই ঘটনার পর গাজীপুরে বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। তাঁদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়। গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনার পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে গাজীপুরসহ সারা দেশে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনা করা হয়।

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, গত দুই দিনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’-এ ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ৫৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার পর গত শনিবার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোর কমিটির সভায় জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে এ অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী ওই দিন রাত থেকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও সেনাবাহিনী ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত শনিবার রাত থেকে শুরু হয়ে সোমবার পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি করে বিদেশি পিস্তল, রামদা, তলোয়ার, চাকু ও রিচার্জেবল ‘স্টানগান’ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় ৯০৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেলের গাজীপুরের বাড়িতে হামলা হয় এবং সেখানে ১৫-১৬ শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হন। ওই ঘটনার পর গাজীপুরে বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। তাঁদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়। গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনার পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে গাজীপুরসহ সারা দেশে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনা করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না।
১৩ দিন আগে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ।
৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
৪১ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
এ-সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে, ভোট গ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে।
এ সময়সীমার বাইরে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত না করে তথা নির্বাচনী পরিবেশ এবং উল্লিখিত আচরণ বিধির শর্তাদি প্রতিপালনপূর্বক জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও এহেন অনুষ্ঠান আয়োজন করা যেতে পারে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সম্মতি বা অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতীক বরাদ্দের পর ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালানোর সুযোগ রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
এ-সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ১১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে, ভোট গ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে।
এ সময়সীমার বাইরে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত না করে তথা নির্বাচনী পরিবেশ এবং উল্লিখিত আচরণ বিধির শর্তাদি প্রতিপালনপূর্বক জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও এহেন অনুষ্ঠান আয়োজন করা যেতে পারে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সম্মতি বা অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতীক বরাদ্দের পর ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালানোর সুযোগ রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না।
১৩ দিন আগে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ।
৩ মিনিট আগে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য
২৪ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ সোমবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকালে সিইসি রাজধানীতে আইএফইএস আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রদত্ত বক্তব্যের একটি অংশকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত তথ্যের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো, শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে রোববার বিকেল ৪টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিশন জরুরি সভা করে। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মূলত তাঁর বক্তব্যে বোঝাতে চেয়েছেন, ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। কমিশন শরিফ ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।
উপর্যুক্ত বর্ণনা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝির অবসান করবে বলে কমিশন মনে করে।
উল্লেখ্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতি সুষ্ঠু ভোটের বাধা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেছিলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায়? মাঝেমধ্যে দুয়েকটা খুন-খারাবি হয়। হাদির একটা ঘটনা হয়েছে। আমরা এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি। এ ধরনের ঘটনা তো সব সময়ই ছিল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’
প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি আরও বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা তো সব সময় ছিল। এ ধরনের ঘটনা হয় বাংলাদেশে, এটা নতুন কিছু নয়।’

ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ সোমবার রাতে এ-সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকালে সিইসি রাজধানীতে আইএফইএস আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রদত্ত বক্তব্যের একটি অংশকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত তথ্যের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো, শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে রোববার বিকেল ৪টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিশন জরুরি সভা করে। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মূলত তাঁর বক্তব্যে বোঝাতে চেয়েছেন, ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। কমিশন শরিফ ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।
উপর্যুক্ত বর্ণনা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝির অবসান করবে বলে কমিশন মনে করে।
উল্লেখ্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতি সুষ্ঠু ভোটের বাধা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেছিলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায়? মাঝেমধ্যে দুয়েকটা খুন-খারাবি হয়। হাদির একটা ঘটনা হয়েছে। আমরা এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি। এ ধরনের ঘটনা তো সব সময়ই ছিল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’
প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি আরও বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা তো সব সময় ছিল। এ ধরনের ঘটনা হয় বাংলাদেশে, এটা নতুন কিছু নয়।’

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) শব্দগুলোর সঙ্গে আমরা পরিচিত হলেও, রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় কীভাবে তাঁদের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এবং তাঁদের সুরক্ষায় কী ধরনের প্রটোকল অনুসরণ করা হয়, তা অনেকেই জানেন না।
১৩ দিন আগে
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশব্যবস্থা গঠনের দীর্ঘদিনের জনদাবিকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যত লোকদেখানো ও অর্থহীন উদ্যোগ।
৩ মিনিট আগে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। গত দুই দিন এ অভিযানে ১ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য
২৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগাম প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয়-সামাজিক-জাতীয় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কমিশন।
৪১ মিনিট আগে