বরিশাল, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও সিলেট জেলা শহরে রেকর্ডভুক্ত পুকুরের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসকদের এ তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে রেকর্ডভুক্ত পুকুর সংরক্ষণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এ ছাড়া জলাধার সংরক্ষণ আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী পুকুরের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৮ ধারা অনুসারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আদেশে পাঁচ জেলা শহরে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট ও দখল বন্ধে ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট দেশের বড় শহরগুলোর জলাশয় ও পুকুর ভরাট নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে তিন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন এইচআরপিবির প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।









