Ajker Patrika

১১৩০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জনতা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা রমণী মোহন কারাগারে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫: ২৫
১১৩০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জনতা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা রমণী মোহন কারাগারে
জনতা ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক রমণী মোহন দেবনাথ। ছবি: সংগৃহীত

জনতা ব্যাংকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি করে ১ হাজার ১৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক রমণী মোহন দেবনাথকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন গতকাল বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন।

আইনজীবীর মাধ্যমে গতকাল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন রমণী মোহন। তাঁর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. বোরহান উদ্দিন। আসামির বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় জামিন চান তিনি।

আদালতকে বোরহান উদ্দিন বলেন, আসামির বয়স ৭৮ বছর। বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন। তাঁকে কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয়। মানবিক কারণে তাঁকে যেন জামিন দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।

তরিকুল ইসলাম বলেন, আসামি অসুস্থ, এ কারণে জামিন দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই। কারণ, এই আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধ করে জনতা ব্যাংককে রুগ্ণ করে ফেলেছেন, দেশকে রুগ্ণ করে ফেলেছেন। তাঁদের ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না।

তরিকুল ইসলাম জানান, আদালত এরপর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে রমণী মোহন দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে কারা কর্তৃপক্ষকে তাঁর যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত, সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে এ বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন।

তদন্ত শেষে গত ২৫ অক্টোবর ওই ২৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে দুদক।

তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তা ১ হাজার ১৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পান।

এজাহারে ঘটনার সময়কাল বলা হয়, ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে শর্ত শিথিল করে ঋণ দেওয়া হয়। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ঋণের নামে ৫৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা সুদে-আসলে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

আতিউর রহমান, আবুল বারকাত ছাড়াও চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইউনুছ বাদল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী, সাবেক নির্বাহী পরিচালক নওশাদ আলী চৌধুরী ও জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এখন টিভির ঘটনা সমঝোতার চেষ্টা করবেন তথ্যমন্ত্রী

ড. ইউনূস এখন কোথায় আছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী উঠবেন কোথায়?

২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে সংসদের প্রথম অধিবেশন, সভাপতিত্ব করবেন কে

বৈধ সুবিধাকে অস্বীকার করে জনগণের সামনে সাধু সাজা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা হলেন আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত