কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে বিদেশি রাষ্ট্রের দূতরা সীমালঙ্ঘন করলে সাবধান করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে মন্তব্য করার কারণ হিসেবে সাংবাদিকদেরই অনেকটা দায়ী করেন সচিব।
রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
নির্বাচন ইস্যুতে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর দূতদের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিকেরা) তাঁদের মন্তব্য চাচ্ছেন বলে তাঁরা মন্তব্য করছেন। আপনারা যদি বিদেশিদের কাছে সারাক্ষণ মন্তব্য চাইতে থাকেন আমাদের নিজস্ব নির্বাচন নিয়ে, তাহলে তো তাঁরা উৎসাহিত বোধ করবেন।’
নির্বাচন ইস্যুতে মন্তব্য বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশিদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে কি না- এ প্রশ্নে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগে থাকি। কিছুদিন আগেও আমাদের মন্ত্রীরা তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরাও বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করি। আমরা তো কখনই চাইব না যে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ হোক বা সেই ধরনের কোনো মন্তব্য আসুক।’
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘আমাদের সবাইকে আরও একটু সংযত হওয়া দরকার। যাতে করে আমাদের যদি নিজস্ব কোনো সমস্যা থাকে, আমরা নিজেরাই সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করাটাই ভালো, বিদেশিদের সঙ্গে এগুলো নিয়ে আলোচনার আগে। তবে স্বাভাবিকভাবেই বিদেশিরা যেহেতু আমাদের উন্নয়ন অংশীদার, তাঁদের আমাদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ থাকতেই পারে।’
সচিব বলেন, ‘আগ্রহ থাকা এক জিনিস, আর আমাদের উপদেশ দেওয়া আরেক জিনিস। এ ক্ষেত্রে তাঁরা যদি কোনো রকমের সীমালঙ্ঘন করেন, তাহলে অবশ্যই তাঁদের সাবধান করে দেওয়া হবে।’

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে বিদেশি রাষ্ট্রের দূতরা সীমালঙ্ঘন করলে সাবধান করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে মন্তব্য করার কারণ হিসেবে সাংবাদিকদেরই অনেকটা দায়ী করেন সচিব।
রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
নির্বাচন ইস্যুতে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর দূতদের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিকেরা) তাঁদের মন্তব্য চাচ্ছেন বলে তাঁরা মন্তব্য করছেন। আপনারা যদি বিদেশিদের কাছে সারাক্ষণ মন্তব্য চাইতে থাকেন আমাদের নিজস্ব নির্বাচন নিয়ে, তাহলে তো তাঁরা উৎসাহিত বোধ করবেন।’
নির্বাচন ইস্যুতে মন্তব্য বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশিদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে কি না- এ প্রশ্নে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগে থাকি। কিছুদিন আগেও আমাদের মন্ত্রীরা তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরাও বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করি। আমরা তো কখনই চাইব না যে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ হোক বা সেই ধরনের কোনো মন্তব্য আসুক।’
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘আমাদের সবাইকে আরও একটু সংযত হওয়া দরকার। যাতে করে আমাদের যদি নিজস্ব কোনো সমস্যা থাকে, আমরা নিজেরাই সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করাটাই ভালো, বিদেশিদের সঙ্গে এগুলো নিয়ে আলোচনার আগে। তবে স্বাভাবিকভাবেই বিদেশিরা যেহেতু আমাদের উন্নয়ন অংশীদার, তাঁদের আমাদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ থাকতেই পারে।’
সচিব বলেন, ‘আগ্রহ থাকা এক জিনিস, আর আমাদের উপদেশ দেওয়া আরেক জিনিস। এ ক্ষেত্রে তাঁরা যদি কোনো রকমের সীমালঙ্ঘন করেন, তাহলে অবশ্যই তাঁদের সাবধান করে দেওয়া হবে।’

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
৩ ঘণ্টা আগে