
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে এবারের ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ উপলক্ষে তৈরি করা ‘ফ্যাসিবাদের মোটিফ’ পুড়ে গেছে। আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে এই মোটিফ পুড়ে যায় বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ ঘটনার পেছনে চারুকলা ইনস্টিটিউটে বিগত সরকারের দোসরদের এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। তিনি চারুকলার শিক্ষকদের এর জন্য জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আজ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘চারুকলায় পরিকল্পিত নাশকতার আগুনে ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ ও ‘শান্তির পায়রা’ মোটিফগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আমি সন্দেহ করি। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চারুকলায় ফ্যাসিবাদের ডিপ রুটেড অ্যাসোসিয়েশন এখনো থেকে গেছে। এ জন্য চারুকলার শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন থেকে এটা নিশ্চিত করার দরকার আছে যে, মননশীল শিল্প কিংবা সৃজনশীলতার নাম করে ফ্যাসিবাদ এবং একতরফা আওয়ামী ন্যারেটিভ লালন করতে পারবে না চারুকলা, যা তারা বিগত ১৫ বছরে বিস্তর করেছে এবং বড্ড বাড়াবাড়ি পর্যায়ে করেছে। তারা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির সাংস্কৃতিক বুনন এবং আওয়ামী বয়ান তৈরির কারিগর ছিল। নাশকতার আগুন প্রমাণ করছে, এদের কালো হাত আজও সমানে সচল।’
এ ধরনের ঘটনাকে নাশকতা বলে উল্লেখ করে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চারুকলাকে অতি দ্রুত ফ্যাসিবাদী শিক্ষক পান্ডাদের সচেতন স্যাবোটাজ থেকে বাঁচাতে হবে।’

সব রকম চেষ্টা করেও বিদ্যুতের জোগান ১২ থেকে ১৩ হাজারের ওপরে ওঠাতে পারেনি বিদ্যুৎ বিভাগ। বিপরীতে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দিনে-রাতে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি হচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য খোলাবাজার থেকে এলএনজি কার্গোর জোগাড় হওয়ায় গ্যাসের সংকট কিছুটা হলেও কমে আসতে পারে বলে আশা
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিককে মানবিক প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের দেশে পাঠানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে অপরাধের সংখ্যা বেশি না বাড়লেও অপরাধের ধরন ও নিষ্ঠুরতায় এসেছে উদ্বেগজনক পরিবর্তন। গত জুলাই মাসের তুলনায় নারী ও শিশু হত্যা, দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ধর্ষণ ও হত্যা অনেকাংশে বেড়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
‘আমরা কোনো সংখ্যার সিন্ডিকেটই চাই না। দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান ও উন্মুক্ত সুযোগ থাকতে হবে। নেপাল, পাকিস্তান বা মিয়ানমারের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাঠামো করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশের জন্য করা চুক্তিটি পর্যালোচনা ও সংশোধন করা প্রয়োজন।’
১৩ ঘণ্টা আগে