নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গতকাল শুক্রবার ১৩ দিনের জন্য মাঠে নেমেছেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নামবেন আগামী ৩ জানুয়ারি। তাঁরাও মাঠে থাকবেন ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আনসারের প্রায় সাড়ে সাত লাখ সদস্য। নির্বাচনের আগে, পরে ও ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনের অধীনে দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরা। একই সঙ্গে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাবেন। ভোলা, বরিশাল, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও খুলনার ৪৩টি উপকূলীয় ইউনিয়নে কোস্ট গার্ড ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ব্যবস্থা নেবে, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সেভাবেই কাজ করবে।’
ইতিমধ্যে প্রায় ২৫টি আসনে বিভিন্ন সহিংসতার খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। গতকাল বরিশালে একজনসহ তফসিল ঘোষণার পর থেকে সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। আজকের পত্রিকার সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, প্রচার ঘিরে গত ১১ দিনে ১২০ স্থানে সংঘাত হয়েছে।
গতকাল রাজধানীসহ সারা দেশে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন সদস্য থাকেন। বিজিবির সদর দপ্তর গতকাল বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারা দেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
র্যাব সূত্র বলছে, নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মাদারীপুর, যশোর, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জেলায় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে র্যাব। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশের র্যাবের সদস্যরা আরও সতর্ক অবস্থায় থেকে গুরুত্বসহ কাজ করছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গতকাল শুক্রবার ১৩ দিনের জন্য মাঠে নেমেছেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নামবেন আগামী ৩ জানুয়ারি। তাঁরাও মাঠে থাকবেন ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আনসারের প্রায় সাড়ে সাত লাখ সদস্য। নির্বাচনের আগে, পরে ও ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনের অধীনে দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরা। একই সঙ্গে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাবেন। ভোলা, বরিশাল, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও খুলনার ৪৩টি উপকূলীয় ইউনিয়নে কোস্ট গার্ড ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ব্যবস্থা নেবে, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সেভাবেই কাজ করবে।’
ইতিমধ্যে প্রায় ২৫টি আসনে বিভিন্ন সহিংসতার খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। গতকাল বরিশালে একজনসহ তফসিল ঘোষণার পর থেকে সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। আজকের পত্রিকার সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, প্রচার ঘিরে গত ১১ দিনে ১২০ স্থানে সংঘাত হয়েছে।
গতকাল রাজধানীসহ সারা দেশে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন সদস্য থাকেন। বিজিবির সদর দপ্তর গতকাল বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারা দেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
র্যাব সূত্র বলছে, নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মাদারীপুর, যশোর, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জেলায় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে র্যাব। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশের র্যাবের সদস্যরা আরও সতর্ক অবস্থায় থেকে গুরুত্বসহ কাজ করছেন।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২৪ মিনিট আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৪৩ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
১ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে