নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ের পরিসর বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান।
এ সময় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশের বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৃজনশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুদক্ষ পরামর্শে আইটি ও টেলিকম খাত আজ আমাদের অর্থনীতির অন্যতম বড় স্তম্ভ।’
বৈঠক শেষে জুনাইদ আহমেদ পলক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশে বেশকিছু মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। মালয়েশিয়ার সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করতে চায় এবং ব্যবসার পরিসর বাড়াতে চায়। সে ক্ষেত্রে রাজস্বসহ অন্য কিছু বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করছি, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা বিদ্যমান রেখে ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের আইটি ও টেলিকম সেক্টরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশের টেলিকম খাতকেও স্মার্ট করণের মাধ্যমে আমাদের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে চাই এবং অর্থনীতিকে স্মার্ট ও সমৃদ্ধ করতে চাই।’
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইডটকোর পরিচালক ফিনান্স আহমেদ জুবায়ের আলী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ের পরিসর বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান।
এ সময় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া বন্ধুপ্রতিম দুটি দেশের বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৃজনশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুদক্ষ পরামর্শে আইটি ও টেলিকম খাত আজ আমাদের অর্থনীতির অন্যতম বড় স্তম্ভ।’
বৈঠক শেষে জুনাইদ আহমেদ পলক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশে বেশকিছু মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। মালয়েশিয়ার সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করতে চায় এবং ব্যবসার পরিসর বাড়াতে চায়। সে ক্ষেত্রে রাজস্বসহ অন্য কিছু বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করছি, সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা বিদ্যমান রেখে ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের আইটি ও টেলিকম সেক্টরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের মধ্য দিয়ে আমরা বাংলাদেশের টেলিকম খাতকেও স্মার্ট করণের মাধ্যমে আমাদের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে চাই এবং অর্থনীতিকে স্মার্ট ও সমৃদ্ধ করতে চাই।’
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইডটকোর পরিচালক ফিনান্স আহমেদ জুবায়ের আলী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে