
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কীভাবে একটি পেশাদার রাষ্ট্রীয় সংস্থা থেকে ব্যক্তিগত ও দলীয় ‘পৈশাচিক লাঠিয়াল বাহিনীতে’ রূপান্তর করা হয়েছিল, তার এক রোমহর্ষক চিত্র তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর আনসার উদ্দিন খান পাঠান। সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে তিনি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং ইতিহাসের জঘন্যতম ‘রাতের ভোট’ পরিচালনার নেপথ্য কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন।
তাঁর ফেসবুক পোস্টটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো—
পুলিশ ভাবনা
ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানে পুলিশের ভূমিকার কোনো নিন্দা শুনিনি। নিন্দা না শোনাটাই পুলিশের জন্য প্রশংসা। এ দেশে ইতিহাসের জঘন্যতম নির্বাচন হয়েছে ২০১৮ সনে।’ রাতের ভোট ’ খ্যাত সে খেলায় মূল কুশীলব ছিল পুলিশ। ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ভরাই শুধু নয়, নির্বাচন প্রচারণার পুরো সময়টাতে বিএনপি, জামায়াত আর বিরুদ্ধ মতের কর্মী সমর্থক আর নেতাদের নামে ‘গায়েবি মামলা’ দিয়ে, নানান পদের নিপীড়ন করে দেশে এক নারকীয় অবস্থার সৃষ্টি করে পুলিশ।
২০১৪ আর ২০২৪ এর নির্বাচনেও ভোটের বাক্স ভরার কর্মটি ছাড়া (তার দরকার হয়নি) আওয়ামী প্রতিপক্ষকে হয়রানি করা যথারীতি বলবৎ রাখে।
রাতের ভোটের কর্ম ‘সুষ্ঠু ’ সম্পাদনের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কনস্টেবল থেকে আইজিপি পর্যন্ত সকলকে বিপুল পরিমাণ ক্যাশ টাকা উপঢৌকন দেওয়া হয়। পুলিশ লাইনে বড়খানা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। কর্তাব্যক্তিদের গণহারে বিপি এম পিপি এমে ভূষিত করা হয়। বাক্স ভরার গুরুদায়িত্বের কাজটি দেখভালের জন্য তৎকালীন আইজিপি পাটোয়ারী সাহেব তারকাচিহ্নিত অফিসারদের সমন্বয়ে বিভাগওয়ারি কমিটি করে দেন। কমিটির সদস্যরা হেলিকপ্টার, প্লেন আর গাড়িতে করে সারা দেশ সফর করে পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি আর জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করে ভোট কাটার কর্মকৌশল বাতলে দেন এবং সাফল্যে পুরস্কার আর ব্যর্থতায় শাস্তির বিষয়টিও স্পষ্ট করে আসেন। থানার ওসি সাহেবরা নিজেরা এবং তাদের বিশ্বস্ত অধস্তনেরা কেন্দ্রে কেন্দ্রে রাতের বেলায় ঘুরে ব্যালট ভরার কাজটি নিশ্চিত করেন। সমানতালে চলেছে গায়েবি মামলা রুজু আর রাজনৈতিক কর্মীদের দৌড়ের ওপর রাখা। পুলিশ সদর আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বসে বিরিয়ানি খেতে খেতে কতিপয় কর্মকর্তা সেসব অপকর্মের দেখভাল করেন।
বিগত আওয়ামী আমলের অপর দুই সাধারণ নির্বাচন যা ‘১৫১ আসন’ আর ‘আমি ডামি’ হিসেবে পরিচিত, তাতেও পুলিশের কদর্য ভূমিকা ছিল স্পষ্ট। সেসবে পুলিশের মর্যাদা ক্রমাগত ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন এলেই বাড়ত পুলিশের অত্যাচার আর মানুষের হাহাকার। জুলাই অভ্যুত্থানকালে তা গিয়ে তলানিতে ঠেকেছে। সংগঠন হিসেবে সেসবের খেসারত এখনো দিচ্ছে পুলিশ।
এরই মাঝে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তার ইতিবাচক ভূমিকা যৎসামান্য হলেও মর্যাদা ফিরিয়ে এনেছে। পুলিশের কর্মে পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্রযন্ত্রের এই অপরিহার্য অঙ্গটির বিদ্যমান নাজুক অবস্থার আরও উত্তরণ ঘটবে।
আন্দোলন সংগ্রাম আর রক্ত দিয়ে চেয়ে আনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিজ ক্ষমতা দীর্ঘায়নের কুমতলবে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলার পর থেকেই হাসিনাশাহী হয়ে উঠে পুলিশের লাঠিনির্ভর। পুলিশে পুরোদমে শুরু হয় দলীয়করণ। সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের পদধারী ছিলেন অথবা বাড়ি গোপালগঞ্জ, তাদের আলাদা করে ফেলা হয়। তাদের বসানো হয় গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে। দশক ধরে তারাই ঘুরেফিরে সেসব চেয়ারে বসে পা ঝুলাতে থাকেন। তাদের মূল কাজ হয় অফিসারদের ‘আমাদের’ আর ‘তাদের’ নামে বিভাজন করা। আমাদের যারা তাদের প্রমোশন আর আকর্ষণীয় পোস্টিং নিশ্চিত করাই হয় তাদের ব্রত। দলে দলে অফিসাররা ধরনা দিতে থাকে বেনজির-মনিরুল-হাবিবুর-হারুণ-বিপ্লব-প্রলয়ের দরবারে। প্রায় দেড় দশক এই গং-এর সবুজ সংকেত ছাড়া ইন্সপেক্টর থেকে আইজিপি পর্যন্ত একটি পদোন্নতিও হয়নি, একটি গুরুত্বপূর্ণ পদায়নও হয়নি। এই গং-কে দূর থেকে আশীর্বাদ করতেন ক্ষমতাধর এইচ টি ইমাম, জেনারেল তারিক সিদ্দিক আর শেখ সেলিম। তাদের ওপরে একজন তো ছিলেনই। আই জি আর মন্ত্রীদের সাধ্য ছিল না সেই গং-কে চ্যালেঞ্জ করার। তারাও স্রোতের জলে গা ভাসিয়ে এই শক্তিধরদের পিঠ চাপরে ফাইলে সই করে গেছেন। অন্যায়ভাবে বঞ্চিতদের আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। পেশাদাররা আত্মরক্ষায় নীরব হয়ে যান।
পুরস্কার হিসেবে অতি সিনিয়র ‘সফল ’ কর্তারা পছন্দের চেয়ারে থেকে গেছেন চাকরির সময় পার হওয়ার পরেও। কেউ কেউ আবার চাকরি খতমের পর রাষ্ট্রদূতের পুরস্কার পেয়েছেন, সাংবিধানিক বা অন্য ফুলেল চেয়ারে গিয়ে বসেছেন। সে সময়ে কাজ-করা যেকোনো অফিসারকে জিজ্ঞেস করলেই এই চক্রের কর্মকাণ্ডের সত্যতা মিলবে।
বহুদিন ধরে চর্চিত পুলিশ অ্যাক্ট, পি আর বি বা সার্ভিস রুলস টয়লেট পেপার বানিয়ে কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করে দেওয়া হয়। গুম, ক্রসফায়ার, বিরোধী মতাদর্শের লোকজনকে নিপীড়ন, তৈলমর্দন, ঘুষের খাম দেওয়া, আওয়ামী সমর্থক হিসেবে প্রমাণ করা এসবই হয়ে উঠে সফল পুলিশ অফিসারের মাপকাঠি। অনিচ্ছা সত্ত্বেও জুনিয়র আর নবীন অফিসাররা এই দৌড়ে উত্তীর্ণ হতে মরিয়া হয়ে উঠে। যোগ্য প্রমাণের আর কোনো বিকল্প ছিল না। পেশাদারি হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। কায়েম হয় পুলিশি রাষ্ট্র। পেশার এই অবক্ষয় ঠেকানোর কেউ ছিল না। পেশাদাররা জান আর সম্ভ্রম রক্ষায় নীরব হয়ে যায়। মাথার ওপরে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুটিকয়েক মতলববাজ কর্মকর্তা বসে বসে আগুনে ঘি ঢেলেছেন, বিনিময়ে পেয়েছেন নানান রকম তোফা।
একজন আই জি পি বা অ্যাডিশনাল আইজি মৃত বাবা মায়ের নামে ফাউন্ডেশন খুলে পুলিশ অফিসারদের থেকে কোটি কোটি টাকা তুলছেন, একজন র্যাব ডিজির নির্দেশে ওয়ার অন ড্রাগস এর নামে শত শত লোককে মেরে ফেলা হয়, একজন অ্যাডিশনাল কমিশনার নিজ অফিসকে সরকারি দলের অফিস বানিয়ে এলাকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে করতে থাকেন, একজন ডিআইজি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ডজন ডজন বন্দী মানুষকে খুন করেন, একজন পুলিশ কমিশনার ’ গায়েবি মামলা’ টার্ম আবিষ্কার করে হাততালি নেন, একজন পুলিশ সুপার বিএনপি বা জামাত করত শুধু এই অজুহাতে নিজ হাতে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে নিরপরাধ মানুষ মেরে ফেলেন, একজন অ্যাডিশনাল এস পি নিজ দপ্তরেই পিটিয়ে মেরে ফেলেন একজন মাদ্রাসা শিক্ষককে, একজন এ এস পি ডার্করুমে বন্দীকে ইলেকট্রিক শক দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ করেন, একজন ওসি তার ডি আই জি আর এস পি কে লাখ লাখ টাকা উৎকোচ দিয়ে লোভনীয় পোস্টিং নিয়ে ক্রসফায়ারের সেঞ্চুরি করেন, রাজনৈতিক দলের অফিস গুঁড়িয়ে দেন। সরকারি অর্থ নয় শুধু চাঁদার টাকায় উঠে যায় ডিবি আর সিটিটিসির দুইটি আটতলা ভবন। পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটিতে কেউ কেউ একাই নানান ফন্দিফিকির করে নিয়ে নেন ৬টি পর্যন্ত প্লট, কেউ নিয়ে নেন প্রাইম লোকেশনে ১২ কাঠার বিশাল ভূখণ্ড। সপরিবারে সরকারি হেলিকপ্টারে চড়ে কেউ কেউ চলে যান পিকনিকে। একজন পুলিশ কর্তা দেড় বছরের প্রশিক্ষণ সেরেছেন মাত্র ৩ মাসে, তাঁকে এক সময় পোস্টিং দেওয়া হয় পুলিশ সদরে প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ উইং-এ, হয়ে ওঠেন আইজিপি-র প্রধান পরামর্শদাতা। তাঁর স্ত্রীর অকাল প্রয়াণের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সারা দেশ থেকে শতাধিক পুলিশকর্তা বিনা ছুটিতে তার প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসেন। কেউ ছিল না এসব দেখার, লাগাম ধরার। পেশাদারি লাটে ওঠার এ কেবল গুটিকয় উদাহরণ।
সরকার যত কর্তৃত্ববাদিতা থেকে সরে আসবে পুলিশ তত লাঠি ফেলে পেশাদারির দিকে ঝুঁকবে। গত দেড় বছরে একটিও গুম হয়নি, একটিও ক্রসফায়ার হয়নি, মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটেনি বললেই চলে বরং শুরু হয়েছে অতীত অপকর্মের তদন্ত ও বিচার। যোগ হয়েছে নির্বাচনে সঠিক দায়িত্ব পালনের বাহবা। নতুন সরকার সে ধারা অব্যাহত রাখবেন, দলীয় আনুগত্যের সার্টিফিকেট নয় বরং অতীতে পেশাদারির স্বাক্ষর রেখেছেন এমন অফিসারদের হাতেই পুলিশের নেতৃত্ব থাকবে, তেমনটিই আশা করেন সাধারণ মানুষ।
তারকা চিহ্নিত ‘পুলিশ গং ‘এর কর্তারা গা ঢাকা দিয়েছেন, অনেকে প্রবাসে বিলাসী জীবন যাপন করছেন বলে জানা যায়। বাধ্য হয়ে দেশে থেকে তাদের কথিত অনুসারী জুনিয়ররা
পড়েছেন বিপদে। কেউ কেউ জেলে, কেউ কেউ দেশেই ছদ্মবেশে হায় হুতাশ করছেন। অনেকে আবার ওএসডি হয়ে বসে আছেন।
শতাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা দেশের নানান প্রান্তে বেকার বসে থেকে রাষ্ট্রের অন্ন ধ্বংস করছেন আর ধুঁকছেন। তাদের কেউ কেউ ২০১৮ সনের রাতের ভোটের সময় দায়িত্ব পালন করে পদক নিয়েছেন বা ৫ আগস্টে সন্দেহজনক কাজ করেছেন, এমন অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিষয়ে দ্রুত যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে গুরুতর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বাকিদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা উচিত। একজন সিনিয়র অফিসার রাতারাতি তৈরি করা যায় না।
দেশে কর্তৃত্ববাদের অবসানে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়েছে এবং পেশাদারির বাইরে গিয়ে পুলিশি কর্মকাণ্ড করে পার পাওয়া প্রায় প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান জনবলকে শুদ্ধ করে তাকে পুরোদমে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সে সুযোগ পুলিশ আর হেলায় হারাবে না বলেই বিশ্বাস করতে চাই।
অনুকূল পরিবেশে পুলিশ ইচ্ছে করলেই অনেক কিছু করতে পারে, সাম্প্রতিক নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ইতিবাচক দায়িত্ব পালনের সাফল্য সে আপ্তবাক্যেই প্রমাণ করে। পেশাদারি চর্চার জন্য নতুন আইন বা স্বাধীন কমিশন কোনটিরই তেমন প্রয়োজন নেই, বিদ্যমান বিধানই যথেষ্ট। শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছাটুকু চাই।’ সবার আগে বাংলাদেশ ’ কর্মযজ্ঞে পুলিশকেও শামিল হওয়ার সুযোগ দেওয়া সময়ের দাবি। পেশাদাররা সিভি তৈরি করে পদ ভিক্ষা করতে আসবে না, তাদের অন্য পেশাদার দিয়েই খুঁজে আনতে হবে। কেবল বিগত সরকারের সময় দমিত ছিলেন সেটাই যেন পেশাদারি মাপার স্কেল না হয়। মেধা, প্রজ্ঞা, সততা, গ্রহণযোগ্যতা, অতীত সাফল্য, কমিটমেন্ট এসবও চাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নতুন সরকারের একটা ‘টপ প্রায়োরিটি’ হলে পুলিশকে পেশাদারির ঝান্ডা তুলে ধরার সুযোগটুকু দিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ-এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। এ কাজ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষা আর রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথ নেবে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশ ছাড়ার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, কর্মস্থল থেকে ‘যথাযথভাবে’ বিদায় নিয়েই তিনি ঢাকা ছেড়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে