আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ–পরিচালক থেকে উপ–পরিদর্শক পর্যায়ের ৫৭৯ জন কর্মকর্তা অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুল মোমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বিধি রেখে অস্ত্র সংগ্রহ ও ব্যবহার নীতিমালা ২০২৪ জারি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৯ এমএম সেমি অটোমেটিক পিস্তল টি–৫৪ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়ে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (কর্মকর্তা–কর্মচারী) অস্ত্র সংগ্রহ ও ব্যবহার নীতিমালা ২০২৪ জারি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে এ নীতিমালা জারি করা হয়।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোডাল এজেন্সি (সরাসরি সংশ্লিষ্ট সংস্থা) হিসেবে কাজ করে। অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত জনবল নিয়মিত মাদক উদ্ধার অভিযান, মাদক চোরাকারবারিদের গ্রেপ্তার, মামলা তদন্ত ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করতে এবং অভিযানকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের বর্তমান মোট জনবল ৩ হাজার ৫৯। এর মধ্যে মহাপরিচালক একজন, পরিচালক ৪ জন, অতিরিক্ত পরিচালক ৯ জন, উপ–পরিচালক ৯০ জন, সহকারী পরিচালক ৯৩ জন, পরিদর্শক ১৮৬ জন, উপ–পরিদর্শক ২১০ জন, সহকারী উপ–পরিদর্শক ২৮৫ জন এবং ৯২৮ জন সিপাইসহ মোট ১ হাজার ৮০৬ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী মাদক অপরাধ দমন কাজে জড়িত।
এর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে উপ–পরিচালক ৯০ জন, সহকারী পরিচালক ৯৩ জন, পরিদর্শক ১৮৬ জন, উপ–পরিদর্শক ২১০ জনসহ মোট ৫৭৯ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য (প্রাধিকার অনুযায়ী) অস্ত্র সংগ্রহ করা আবশ্যক বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ–পরিচালক থেকে উপ–পরিদর্শক পর্যায়ের ৫৭৯ জন কর্মকর্তা অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুল মোমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বিধি রেখে অস্ত্র সংগ্রহ ও ব্যবহার নীতিমালা ২০২৪ জারি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৯ এমএম সেমি অটোমেটিক পিস্তল টি–৫৪ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়ে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (কর্মকর্তা–কর্মচারী) অস্ত্র সংগ্রহ ও ব্যবহার নীতিমালা ২০২৪ জারি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে এ নীতিমালা জারি করা হয়।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোডাল এজেন্সি (সরাসরি সংশ্লিষ্ট সংস্থা) হিসেবে কাজ করে। অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত জনবল নিয়মিত মাদক উদ্ধার অভিযান, মাদক চোরাকারবারিদের গ্রেপ্তার, মামলা তদন্ত ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করতে এবং অভিযানকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের বর্তমান মোট জনবল ৩ হাজার ৫৯। এর মধ্যে মহাপরিচালক একজন, পরিচালক ৪ জন, অতিরিক্ত পরিচালক ৯ জন, উপ–পরিচালক ৯০ জন, সহকারী পরিচালক ৯৩ জন, পরিদর্শক ১৮৬ জন, উপ–পরিদর্শক ২১০ জন, সহকারী উপ–পরিদর্শক ২৮৫ জন এবং ৯২৮ জন সিপাইসহ মোট ১ হাজার ৮০৬ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী মাদক অপরাধ দমন কাজে জড়িত।
এর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে উপ–পরিচালক ৯০ জন, সহকারী পরিচালক ৯৩ জন, পরিদর্শক ১৮৬ জন, উপ–পরিদর্শক ২১০ জনসহ মোট ৫৭৯ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য (প্রাধিকার অনুযায়ী) অস্ত্র সংগ্রহ করা আবশ্যক বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একইদিনে করার তপসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। রিটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এ সম্পর্কিত আবেদনের চিঠিতে বলা হয়, ‘উল্লিখিত আসামিগণ যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো। বিষয়টি অতীব জরুরি।’
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে