সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের দ্বিতীয় সংশোধনীর গেজেট
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনানুগত্যের ধারা বাদ দিয়ে ও সব ধরনের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রেখে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ দ্বিতীয় দফায় সংশোধন করা হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগ আজ বুধবার রাতে সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ থেকে কর্মচারীদের অনানুগত্যের ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। তিন ধরনের অপরাধের জন্য নতুন করে সরকারি কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন, আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশনা অমান্য করেন বা এর বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেন বা এসব কাজে অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত করেন অথবা ছুটি বা যুক্তিসংগত কোনো কারণ ছাড়া অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে নিজের কাজে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন অথবা যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর কাজে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তা সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীর জন্য অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
এ জন্য নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ; বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া ও চাকরি থেকে বরখাস্তের দণ্ড দেওয়া হবে। আগের অধ্যাদেশে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরের বিধান ছিল না।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর অভিযোগ গঠন করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ দেওয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি শুনানিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক কি না, নোটিশে তা-ও জানতে চাওয়া হবে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নোটিশের জবাব দিলে অথবা জবাব না দিলেও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা অভিযোগ গঠনকারী ব্যক্তি তিন দিনের মধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন। তদন্ত কমিটির সদস্যদের অভিযুক্ত ব্যক্তির থেকে কর্মে জ্যেষ্ঠ হতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী হলে তদন্ত কমিটিতে আবশ্যিকভাবে একজন নারী সদস্যকে রাখতে হবে। তদন্তের আদেশ পাওয়ার পরবর্তী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারলে সর্বোচ্চ একবারের জন্য সাত কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে।
তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে জানিয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে না পারলে তা তাদের অদক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তা সরকারি কর্মচারী বাতায়ন ও ডোসিয়ারে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
দণ্ডের বিষয় অবহিত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তদন্ত প্রতিবেদনের কপি দেওয়া হবে। দণ্ড আরোপের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষ চাইলে দণ্ড বহাল বা বাতিল করতে পারবে।
তবে রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। এমন ক্ষেত্রে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী দণ্ড আরোপের আদেশ পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করতে পারবেন।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনানুগত্যের ধারা বাদ দিয়ে ও সব ধরনের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রেখে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ দ্বিতীয় দফায় সংশোধন করা হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগ আজ বুধবার রাতে সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ থেকে কর্মচারীদের অনানুগত্যের ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। তিন ধরনের অপরাধের জন্য নতুন করে সরকারি কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন, আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশনা অমান্য করেন বা এর বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেন বা এসব কাজে অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত করেন অথবা ছুটি বা যুক্তিসংগত কোনো কারণ ছাড়া অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে নিজের কাজে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন অথবা যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর কাজে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তা সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীর জন্য অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
এ জন্য নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ; বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া ও চাকরি থেকে বরখাস্তের দণ্ড দেওয়া হবে। আগের অধ্যাদেশে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরের বিধান ছিল না।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর অভিযোগ গঠন করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ দেওয়া হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি শুনানিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক কি না, নোটিশে তা-ও জানতে চাওয়া হবে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নোটিশের জবাব দিলে অথবা জবাব না দিলেও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা অভিযোগ গঠনকারী ব্যক্তি তিন দিনের মধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন। তদন্ত কমিটির সদস্যদের অভিযুক্ত ব্যক্তির থেকে কর্মে জ্যেষ্ঠ হতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী হলে তদন্ত কমিটিতে আবশ্যিকভাবে একজন নারী সদস্যকে রাখতে হবে। তদন্তের আদেশ পাওয়ার পরবর্তী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারলে সর্বোচ্চ একবারের জন্য সাত কার্যদিবস সময় বাড়ানো যাবে।
তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে জানিয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে না পারলে তা তাদের অদক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তা সরকারি কর্মচারী বাতায়ন ও ডোসিয়ারে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
দণ্ডের বিষয় অবহিত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তদন্ত প্রতিবেদনের কপি দেওয়া হবে। দণ্ড আরোপের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষ চাইলে দণ্ড বহাল বা বাতিল করতে পারবে।
তবে রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। এমন ক্ষেত্রে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী দণ্ড আরোপের আদেশ পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করতে পারবেন।

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় গত বছরের ২৬ অক্টোবর মেট্রোরেলের পিলার থেকে একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে একজন পথচারী নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিয়ারিং প্যাডের মানসংক্রান্ত গুরুতর ত্রুটি উঠে এসেছে। একই সঙ্গে নকশাগত ত্রুটির কথাও বলা হয়েছে। তবে তদন্ত কমিটি এ ঘটনায় কোনো ধরনের নাশকতামূলক
৩৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করেছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকরের প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এই হামলা শুরু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার দুদিন পর অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে আবারও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সব ধরনের পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে এবং এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে