আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চলতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা ঘোষণার পর কয়েকটি নাম নিয়ে ব্যাপার সমালোচনা হয়। পরে তিনজনের নাম বাদ দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে আজ শনিবার জাতীয় কবিতা উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।
বাংলা একাডেমির পুরস্কার বিতর্ক নিয়ে উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, ‘বাংলা একাডেমির পরিচালনা প্রক্রিয়া, এর নীতিমালা, কারা এর ফেলো, কারা এর সাধারণ সদস্য? এটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ঠিক আছে, কিন্তু স্বায়ত্তশাসনের আড়ালে দুর্নীতি করার সুযোগ হয় কিনা, এটার অ্যাকাউন্টেবিলিটি কীভাবে হয়, এই সমস্ত বিষয়। পুরস্কার প্রদানের স্বচ্ছতা কীভাবে আসবে? এর জন্য সংস্কার কমিটি হচ্ছে।’
বাংলা একাডেমির পরিচালনা প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি করা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানে বাংলাদেশের নানা মত পথের লোক থাকবে। কোনো একটা নির্দিষ্ট কোটার নয়, সব বুদ্ধিজীবী, লেখক, গবেষকের অংশগ্রহণে আমরা একটা ইনক্লুসিভ সংস্কার কমিটি করব। সেই সংস্কার কমিটি আমাদের সরকার যত দিন দায়িত্বে আছে তার মধ্যেই রিপোর্ট দেবে। তার আলোকে বাংলা একাডেমিকে ঢেলে সাজাতে পারব। যাতে বাংলা একাডেমি একটা চলমান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।’
উল্লেখ্য, নানা আলোচনা ও সমালোচনার পর তিনজনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪–এর ‘চূড়ান্ত’ তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের পুনর্বিবেচনা সভায় স্থগিতকৃত পুরস্কার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
বাদ পড়া তিনজন হলেন—মোহাম্মদ হাননান, ফারুক নওয়াজ এবং সেলিম মোরশেদ। তাঁরা যথাক্রমে মুক্তিযুদ্ধ, শিশুসাহিত্য এবং কথা সাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। অবশ্য তাঁদের মধ্যে সেলিম মোরশেদ তালিকা স্থগিত করার পর পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।
গত ২৩ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা প্রকাশিত হয়। কিন্তু ঘোষণার পর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহলে নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মহলের অভিযোগ ও আপত্তির মুখে ২৫ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ তালিকা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বুধবারের সভায় পুরস্কার তালিকা পুনর্বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে যারা এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন তাঁরা হলেন—
কবিতায় মাসুদ খান, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে শুভাশিস সিনহা, প্রবন্ধ/গদ্যে সলিমুল্লাহ খান, অনুবাদে জি এইচ হাবীব, গবেষণায় মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া, বিজ্ঞানে রেজাউর রহমান এবং ফোকলোরে সৈয়দ জামিল আহমেদ।

চলতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা ঘোষণার পর কয়েকটি নাম নিয়ে ব্যাপার সমালোচনা হয়। পরে তিনজনের নাম বাদ দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে আজ শনিবার জাতীয় কবিতা উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।
বাংলা একাডেমির পুরস্কার বিতর্ক নিয়ে উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, ‘বাংলা একাডেমির পরিচালনা প্রক্রিয়া, এর নীতিমালা, কারা এর ফেলো, কারা এর সাধারণ সদস্য? এটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ঠিক আছে, কিন্তু স্বায়ত্তশাসনের আড়ালে দুর্নীতি করার সুযোগ হয় কিনা, এটার অ্যাকাউন্টেবিলিটি কীভাবে হয়, এই সমস্ত বিষয়। পুরস্কার প্রদানের স্বচ্ছতা কীভাবে আসবে? এর জন্য সংস্কার কমিটি হচ্ছে।’
বাংলা একাডেমির পরিচালনা প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিটি করা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানে বাংলাদেশের নানা মত পথের লোক থাকবে। কোনো একটা নির্দিষ্ট কোটার নয়, সব বুদ্ধিজীবী, লেখক, গবেষকের অংশগ্রহণে আমরা একটা ইনক্লুসিভ সংস্কার কমিটি করব। সেই সংস্কার কমিটি আমাদের সরকার যত দিন দায়িত্বে আছে তার মধ্যেই রিপোর্ট দেবে। তার আলোকে বাংলা একাডেমিকে ঢেলে সাজাতে পারব। যাতে বাংলা একাডেমি একটা চলমান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।’
উল্লেখ্য, নানা আলোচনা ও সমালোচনার পর তিনজনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪–এর ‘চূড়ান্ত’ তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের পুনর্বিবেচনা সভায় স্থগিতকৃত পুরস্কার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
বাদ পড়া তিনজন হলেন—মোহাম্মদ হাননান, ফারুক নওয়াজ এবং সেলিম মোরশেদ। তাঁরা যথাক্রমে মুক্তিযুদ্ধ, শিশুসাহিত্য এবং কথা সাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। অবশ্য তাঁদের মধ্যে সেলিম মোরশেদ তালিকা স্থগিত করার পর পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।
গত ২৩ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা প্রকাশিত হয়। কিন্তু ঘোষণার পর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহলে নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মহলের অভিযোগ ও আপত্তির মুখে ২৫ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ তালিকা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বুধবারের সভায় পুরস্কার তালিকা পুনর্বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে যারা এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন তাঁরা হলেন—
কবিতায় মাসুদ খান, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে শুভাশিস সিনহা, প্রবন্ধ/গদ্যে সলিমুল্লাহ খান, অনুবাদে জি এইচ হাবীব, গবেষণায় মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া, বিজ্ঞানে রেজাউর রহমান এবং ফোকলোরে সৈয়দ জামিল আহমেদ।

যমুনা নদীর ওপর বর্তমানে চার লেনের একটি বড় সেতু চালু রয়েছে, যা দেশের উত্তর-দক্ষিণ সংযোগের প্রধান করিডর। এ ছাড়া রেল যোগাযোগের জন্য নতুন করে নির্মিত হয়েছে আলাদা রেলসেতু। এর পরও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপের পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতের বিবেচনায় এবার নদীটিতে আরেকটি সড়কসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ...
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত। এর মধ্যে শতাংশের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির ৯৪ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বিএনপিতে এই হার ৮১ শতাংশের মতো।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের অনুষ্ঠিত সভায় অধ্যাদেশটি অনুমোদিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ‘নতুন উদ্ভাবন ও দৃষ্টান্ত স্থাপন’ করবে বলে মনে করছে ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ)। সিডিএফের মতে, এ ধরনের ব্যাংক হলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোর ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
১২ ঘণ্টা আগে