নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চারটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা। এসব ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাগুলো।
আজ মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে একশনএইড বাংলাদেশ, অক্সফাম ইন বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এ আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে একটি বিস্তৃত শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ চলাচল, নাগরিক স্বাধীনতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। বলা হয়, ধর্ষণের ঘটনায় ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রশংসনীয়। এ প্রতিশ্রুতির জরুরি ভিত্তিতে সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার।
এ ছাড়া ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধর্ষণ বিষয়ক আইনের সংস্কার এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আইন ও সালিস কেন্দ্রের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী-চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ২৯৪ জন নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে ৯৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং ৪৪ জন শিশুও রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই অপরাধের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ১০৭ জন নারী ও কন্যাশিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ৫৩টি ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে ৩৮ জন নারীর বয়স ১৮ বছরের কম। একই সঙ্গে মোরাল পুলিশিং, মব ভায়োলেন্স এবং জেন্ডার ন্যায়বিচারের অপব্যাখ্যার হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
চার সংস্থা বলছে, এসব উদ্বেগজনক প্রবণতা শুধু ভুক্তভোগীর ভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, বরং তাদের ন্যায়বিচার এবং সুরক্ষা চাওয়ার ক্ষেত্রেও নিরুৎসাহিত করে।
সংস্থাগুলো বলছে, নারী, কিশোরী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা হয়রানি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নারী ও মেয়েশিশুদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানায়।

দেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চারটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা। এসব ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাগুলো।
আজ মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে একশনএইড বাংলাদেশ, অক্সফাম ইন বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এ আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে একটি বিস্তৃত শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ চলাচল, নাগরিক স্বাধীনতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। বলা হয়, ধর্ষণের ঘটনায় ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রশংসনীয়। এ প্রতিশ্রুতির জরুরি ভিত্তিতে সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার।
এ ছাড়া ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধর্ষণ বিষয়ক আইনের সংস্কার এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আইন ও সালিস কেন্দ্রের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী-চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ২৯৪ জন নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে ৯৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং ৪৪ জন শিশুও রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই অপরাধের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ১০৭ জন নারী ও কন্যাশিশু সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ৫৩টি ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে ৩৮ জন নারীর বয়স ১৮ বছরের কম। একই সঙ্গে মোরাল পুলিশিং, মব ভায়োলেন্স এবং জেন্ডার ন্যায়বিচারের অপব্যাখ্যার হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
চার সংস্থা বলছে, এসব উদ্বেগজনক প্রবণতা শুধু ভুক্তভোগীর ভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, বরং তাদের ন্যায়বিচার এবং সুরক্ষা চাওয়ার ক্ষেত্রেও নিরুৎসাহিত করে।
সংস্থাগুলো বলছে, নারী, কিশোরী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা হয়রানি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নারী ও মেয়েশিশুদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানায়।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
২১ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে