নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্থাপনের মূলে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।’ ভারতের সিমলায় বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম রাউন্ডের উদ্বোধনী অধিবেশনে আজ শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ভারতের হিমাচল রাজ্যের রাজধানী সিমলায় শুক্রবার বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম দফার উদ্বোধন হয়। তিন দিনব্যাপী এই সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যদের মধ্যে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং, ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য রাম মাধব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বে বঙ্গবন্ধুর দর্শন বিষয়ে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এ সময় তিনি এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের অটল অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রী নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা তুলে ধরেন।
শাহরিয়ার আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করে।
দুই দিনের সংলাপে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, চরমপন্থা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন।
বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ ও ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে উভয় দেশের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পক্ষে সংলাপে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শমসের মবিন চৌধুরী, ভারতের সাবেক হাইকমিশনার তারেক এ করিম, সংসদ সদস্য নাঈম রাজ্জাক, তানভীর শাকিল জয়, পঙ্কজ দেবনাথ প্রমুখ অংশ নিচ্ছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্থাপনের মূলে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।’ ভারতের সিমলায় বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম রাউন্ডের উদ্বোধনী অধিবেশনে আজ শুক্রবার প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ভারতের হিমাচল রাজ্যের রাজধানী সিমলায় শুক্রবার বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম দফার উদ্বোধন হয়। তিন দিনব্যাপী এই সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যদের মধ্যে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং, ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য রাম মাধব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বে বঙ্গবন্ধুর দর্শন বিষয়ে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এ সময় তিনি এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের অটল অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রী নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা তুলে ধরেন।
শাহরিয়ার আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করে।
দুই দিনের সংলাপে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, চরমপন্থা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন।
বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর রিজিওনাল স্টাডিজ ও ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে উভয় দেশের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশের পক্ষে সংলাপে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শমসের মবিন চৌধুরী, ভারতের সাবেক হাইকমিশনার তারেক এ করিম, সংসদ সদস্য নাঈম রাজ্জাক, তানভীর শাকিল জয়, পঙ্কজ দেবনাথ প্রমুখ অংশ নিচ্ছেন।

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
৭ মিনিট আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
১ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
২ ঘণ্টা আগে