নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার পূর্বাচলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে করা ছয় মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। এ কারণে মামলাগুলো ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন আজ রোববার অন্য আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে কোন আদালতে বিচার হবে, তা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঠিক হয়নি।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম বলেন, ঢাকার আদালতে একটি বিভাগীয় বিশেষ জজ ও ১০টি বিশেষ জজ আদালত রয়েছে। এসব আদালতে মামলাগুলো স্থানান্তর করা হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করবেন আদালত।
অভিযোগ গঠনের দিনও আসামিরা আদালতে হাজির না হলে তাঁদের অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু করা হবে বলে জানান এই সরকারি কৌঁসুলি।
পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলার সব আসামিকে আদালতে হাজির হতে ১ জুলাই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং দুই মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে করা ছয় মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হলো।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার; জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পূরবী গোলদার; অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ; সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান মিয়া; সদস্য মো. খুরশিদ আলম, তন্ময় দাস, মো. নাসির উদ্দিন; সাবেক সদস্য মেজর (অব.) শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. মাজহারুল ইসলাম, কবির আল আসাদ; সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, নায়েব আলী শরীফ; উপপরিচালক কামরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান; পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম; শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াসি উদ্দিন; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবের একান্ত সরকারী শহীদুল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ১২, ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি নিজের এবং স্বজনদের নামে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করে দুদক। এরপর ২৫ মার্চ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে পলাতক দেখানো হয়।
এসব মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৩ ও ১৫ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার প্রতিটিতে শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়। অন্য মামলায় বিভিন্নজনকে আসামি করা হয়। তবে রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে ছয় মামলার আসামি।
দুদকের নথি অনুসারে, রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে নিজের পাশাপাশি ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা ও তাঁর ছেলেমেয়েদের জন্য তথ্য গোপন করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

ঢাকার পূর্বাচলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে করা ছয় মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। এ কারণে মামলাগুলো ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন আজ রোববার অন্য আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে কোন আদালতে বিচার হবে, তা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঠিক হয়নি।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মীর আহমেদ আলী সালাম বলেন, ঢাকার আদালতে একটি বিভাগীয় বিশেষ জজ ও ১০টি বিশেষ জজ আদালত রয়েছে। এসব আদালতে মামলাগুলো স্থানান্তর করা হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করবেন আদালত।
অভিযোগ গঠনের দিনও আসামিরা আদালতে হাজির না হলে তাঁদের অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু করা হবে বলে জানান এই সরকারি কৌঁসুলি।
পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলার সব আসামিকে আদালতে হাজির হতে ১ জুলাই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং দুই মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে করা ছয় মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হলো।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার; জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পূরবী গোলদার; অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ; সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান মিয়া; সদস্য মো. খুরশিদ আলম, তন্ময় দাস, মো. নাসির উদ্দিন; সাবেক সদস্য মেজর (অব.) শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. মাজহারুল ইসলাম, কবির আল আসাদ; সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, নায়েব আলী শরীফ; উপপরিচালক কামরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান; পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম; শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াসি উদ্দিন; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবের একান্ত সরকারী শহীদুল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ১২, ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি নিজের এবং স্বজনদের নামে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করে দুদক। এরপর ২৫ মার্চ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে পলাতক দেখানো হয়।
এসব মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৩ ও ১৫ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার প্রতিটিতে শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়। অন্য মামলায় বিভিন্নজনকে আসামি করা হয়। তবে রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে ছয় মামলার আসামি।
দুদকের নথি অনুসারে, রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে নিজের পাশাপাশি ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা ও তাঁর ছেলেমেয়েদের জন্য তথ্য গোপন করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৯ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
৯ ঘণ্টা আগে