
ঘরোয়া উপায়ে রূপচর্চায় অতি পরিচিত একটি উপকরণ দুধ। আমাদের এই উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে কাঁচা হলুদ, চন্দন, মধুর সঙ্গে কাঁচা দুধের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। কাঁচা দুধ ত্বক পরিষ্কারক, টোনার ও ময়শ্চারাইজার হিসেবে খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। এই গরমে রোদে ত্বকের পোড়া দাগ তুলতে তো বটেই, অন্যান্য যত্নেও ব্যবহার করতে পারেন দুধ।
ত্বক সজীব রাখতে
যাঁদের ত্বক খুব রুক্ষ ও শুষ্ক, তাঁরা ত্বকের যত্নে দুধ ব্যবহার করতে পারেন। দুধে থাকা বিভিন্ন উপাদান রুক্ষ ত্বক সতেজ ও মসৃণ করে তুলবে। মুলতানি মাটির সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল হবে।
এক্সফোলিয়েটর হিসেবে
ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এক্সফোলিয়েশনের বিকল্প নেই। কাঁচা দুধে বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড আছে, যা এক্সফোলিয়েটিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এতে ত্বকের মরা কোষ দূর হয়ে যাবে, পোরসগুলো ক্রমেই ছোট হতে থাকবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। কাঠবাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খোসা ছাড়িয়ে বাদামগুলো ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড করা বাদামের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর এটি ত্বকে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে স্ক্রাব করতে করতে ধুয়ে ফেলুন।
কাঁচা দুধ সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার করা যায়। এটি টোনার হিসেবে ভালো কাজ করে। যাঁরা চেহারা থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে চান, তাঁরা দুধের সঙ্গে পরিমাণমতো দই মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। শারমিন কচি, রূপবিশেষজ্ঞ ও স্বত্বাধিকারী, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার
বয়সের ছাপ কমাতে
দুধ ত্বকে অকালে বলিরেখা ও বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়। এতে থাকা ভিটামিন ডি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। কাঁচা দুধের সঙ্গে লেবুর রস ও ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। অথবা কয়েক টুকরো পাকা পেঁপে ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে পরিমাণমতো কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ শুকানো পর্যন্ত ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। বয়সের ছাপ ও বলিরেখা কমাতে কাঁচা দুধের সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়েও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।
রোদে পোড়া দাগ দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে
রোদে পোড়া কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে কাঁচা দুধ। এতে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কাজ করে। এর উজ্জ্বলতা বাড়াতে বেসনের সঙ্গে দুধ ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি সপ্তাহে দুবার ত্বকে লাগাতে পারেন। তৈলাক্ত ত্বকে এ পেস্ট ভালো কাজ করবে।
ব্রণ সারিয়ে তুলতে
ধুলোবালি, ঘাম ও দূষণ থেকে ত্বকে ব্রণ জন্মায়। ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া থেকে ত্বক বাঁচাতে সাহায্য করে দুধ। দুধ মিশ্রিত ফেসমাস্কের ব্যবহারে ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ। এ জন্য হলুদগুঁড়ার সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। এটি শুকানো পর্যন্ত ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। হলুদে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ দূর করতে সাহায্য করবে।
ত্বক পরিষ্কার করতে যেভাবে ব্যবহার করবেন
ত্বক ভালো রাখতে দুধের ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহারের জন্য ৩ থেকে ৪ ফোঁটা কাঁচা দুধ নিন। দুধে তুলার বল গড়িয়ে তা মুখে লাগান। এটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে দুধের ক্লিনজার ত্বকের ময়লা ও পোরস দূর করে ত্বক করে তুলবে লাবণ্যময়।
মেকআপের আগে দুধের তৈরি মাস্ক উপকারী
মেকআপ করার আগে ত্বক প্রস্তুত করতে দুধের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টমেটোর রস মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। এটি ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের কালচে ভাব দূর করে একে সুন্দর করতে সাহায্য করবে। রোদের পোড়া দাগ তুলতে সপ্তাহে তিনবার এই মাস্ক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
সূত্র: বি বিউটিফুল, ফেমিনা

ল্যাপটপ বন্ধ করেছেন, রাতের খাবার শেষ। হিসাব অনুযায়ী সেই দিনের কাজ শেষ। কিন্তু কাঁধে এখনো কাজের চাপ, হাত বারবার চলে যাচ্ছে মোবাইল ফোনের দিকে আর মাথার ভেতর ঘুরছে অফিসের অসমাপ্ত কথোপকথন বা আগামীকালের কাজের তালিকা। ফলে অফিস শেষ হয়েও মনটা অফিসেই পড়ে আছে। এই দ্বিধাময় অবস্থা থেকে নিজেকে স্বাভাবিক ছন্দে
৩৬ মিনিট আগে
ত্বকের যত্নে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেন অনেকে। টোনার, সেরাম, ময়শ্চারাইজার থেকে শুরু করে আই ক্রিম—প্রতিটি পণ্যের রয়েছে আলাদা কাজ। এখনকার সময়ে ত্বকযত্নের এসব পণ্য ফ্রিজে রাখার প্রবণতা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে গরমের দিনে ঠান্ডা টোনার বা সেরাম ত্বকে ব্যবহার করলে পাওয়া যায় সতেজ অনুভূতি। তবে...
৩ ঘণ্টা আগে
ওমেগা-৩ হৃদ্যন্ত্র বা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী। এটি রক্তে ক্ষতিকর ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয় এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। পাতে ভর্তা তুলেও...
৫ ঘণ্টা আগে
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। ২০০৩ সাল থেকে কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দিনটি পালিত হচ্ছে। দিনটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘কন্যাশিশুর স্বপ্নে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’। কিন্তু চোখে স্বপ্ন থাকলেও শরীর ও মন নিরাপদ না হলে সে কি স্বপ্ন দেখার সাহস পাবে? বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুর...
৭ ঘণ্টা আগে