আর কদিন পর পয়লা বৈশাখ। প্রচণ্ড গরম থাকলেও সাজগোজ তো খানিকটা করবেনই। কিন্তু মেকআপ করলেই সুন্দর দেখায় না। এর জন্য ত্বক প্রস্তুত করা চাই। চোখের নিচে কালো দাগ, ত্বকে কালো ছোপ, ব্রণ না কমলে সুন্দর পোশাক বা দামি মেকআপেও ভালো দেখাবে না। তাই নববর্ষের আগের এ কদিন ত্বকের ধরন বুঝে যত্ন নিতে পারেন, যাতে হালকা মেকআপেই আপনাকে দেখায় তরতাজা।
স্বাভাবিক ত্বক
আর্দ্রতা থাকার কারণে শুষ্ক বা তৈলাক্ত হয় না বলে স্বাভাবিক ত্বক এমনিতেই মসৃণ ও সুন্দর হয়। তবে এ ধরনের ত্বক বয়সের সঙ্গে শুষ্ক হতে শুরু করে। সাবান বা ফেসওয়াশ নরম ব্রাশে নিয়ে ত্বকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাগান। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে রক্ত চলাচল খুব ভালো হয়। তা ছাড়া চোখের চারপাশে কাঠবাদামের তেল লাগাতে পারেন। ত্বকেও কাঠবাদামসমৃদ্ধ প্রসাধন ব্যবহার করুন। পাকা পেঁপে এ ধরনের ত্বকে খুব উপকারী। একটুকরো পাকা পেঁপে নিয়ে মুখে ও গলায় ঘষে নিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানিতে ধুয়ে ফেলুন। কমলা লেবুর খোসা বাটা, কয়েক ফোঁটা জলপাই তেল, খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখমণ্ডলে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিন। তারপর স্বাভাবিক পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। মসুর ডালের বাটা, মধু, কাঁচা দুধ, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর মুখে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
তৈলাক্ত ত্বক
তৈলাক্ত ত্বকে প্রচুর তেল বের হয়। এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার কিছুক্ষণ পরই আবার তৈলাক্ত হয়ে যায়। এমন ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি বেশ কাজে দেবে। গোলাপজলের সঙ্গে মুলতানি মাটি এবং এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্য এটি বেশ ভালো মাস্ক। পরিষ্কার মুখে মাস্ক লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। পরে হালকা ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। তৈলাক্ত ত্বকে ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডস বেশি হয়। তাই নিয়ম করে স্ক্রাবিং করুন। এ জন্য চিনি ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিন। হালকা ভেজা ত্বকে বৃত্তাকারভাবে স্ক্রাব মালিশ করুন। সপ্তাহে দুবার এভাবে স্ক্রাব ব্যবহার করলে ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডসের প্রকোপ কমে যাবে। তবে ব্রণের সমস্যা থাকলে স্ক্রাব না করাই ভালো। ব্রণ এড়িয়ে তারপর স্ক্রাবিং করুন।
শুষ্ক ত্বক
শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রেও ঘরোয়া বিভিন্ন উপাদান দিয়ে রূপচর্চা করা যায়। এ ধরনের ত্বকে অসময়ে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি। তা ছাড়া মৃত কোষের স্তরও পড়ে দ্রুত। তাই নিয়মিত যত্ন নিন। আলাদা কোনো আভা না থাকায় এ ধরনের ত্বক প্রাণহীন দেখায়। তাই ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এমন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। দুধের সরের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ এবং কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে বৃত্তাকারে মালিশ করুন পাঁচ মিনিট। এরপর পানির ঝাপটা দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে মিশ্রণটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। টানা সাত দিন ব্যবহারে ত্বকের শুষ্ক ভাব অনেকটাই কমে আসবে। যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের গরমে সমস্যা হতে পারে। খাদ্যতালিকায় পানির সঙ্গে রাখুন তরল খাবার। ফলের রস পান করবেন। ভিটামিন এ, ই রয়েছে এমন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
লেখক: রূপ বিশেষজ্ঞ, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার

সত্যি কি পোষা প্রাণী আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে? গবেষণা বলছে, প্রচণ্ড মানসিক চাপের মুহূর্তে বিড়ালকে আদর করা বা তাদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করা আপনার মেজাজ ভালো করার বদলে উল্টো আরও বিগড়ে দিতে পারে। অধিকাংশ মানুষ বিড়ালের শারীরিক ভাষা বা তাদের অপছন্দ বুঝতে ভুল করেন। নিজের খারাপ লাগার মুহূর্তে...
২৮ মিনিট আগে
যাঁরা এবার প্রথম কচুমুখী রাঁধবেন, তাঁদের জন্য এই রেসিপি। চিংড়ি দিয়ে কচুমুখী রান্নার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। কচুমুখী ৫০০ গ্রাম, চিংড়ি বড় ৮টি, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতাকুচি...
২ ঘণ্টা আগে
প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার, চুল নিয়মিত আঁচড়ানো, বাঁধার ধরন এবং আরও টুকিটাকি যত্ন নিয়ে সিল্কি চুল পেতে হতো আগেকার দিনের নারীদের। এখনকার সঙ্গে সে সময়ের পার্থক্য হলো, ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে চুলের যে ক্ষতি হয় এখন, তখনকার দিনের প্রাকৃতিক কেশচর্চায় তা হওয়ার আশঙ্কা ছিল না। চুল সিল্কি তো হতোই...
৪ ঘণ্টা আগে
মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম ভাষা। অনেকে বলেন, ঝগড়া করার সময় নাকি মাতৃভাষায় ঝগড়া করতেই বেশি শান্তি পাওয়া যায়। এমন অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজেদের ভাষা বা কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে বেশি পছন্দ করি। তাই প্রশ্ন আসতেই পারে, আমরা যখন অন্য কোনো ভাষায় কথা বলি, তখন কি শুধু শব্দের পরিবর্তন ঘটে...
২১ ঘণ্টা আগে