শীত আর মুখরোচক খাবারের একটা কেমন যেন দোস্তি আছে! দোস্তি অটুট রাখতে মোকাররমা শারমিনের রেসিপিতে রান্না করে ফেলুন মজাদার পদটি।
উপকরণ
বেগুন আধা কেজি, হলুদ গুঁড়ো ও পাঁচ ফোড়ন আধা চা-চামচ করে, মরিচ, ধনে ও ভাজা জিরা গুঁড়ো ১ চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, সর্ষের তেল এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ, চিনি ২ টেবিল চামচ, তেঁতুলের মাড় পরিমাণমতো, শুকনো মরিচ ২ থেকে ৩টি, আদা ও রসুন বাটা ১ চা-চামচ করে, তেজপাতা ১টি বড়।
প্রণালি
বোঁটার দিকে আস্ত রেখে ছোট বেগুন ছুরি দিয়ে কেটে নিতে পারেন অথবা বড় বেগুন একটু বড় ডুমো করে কেটে নিতে পারেন। বেগুনের টুকরোগুলো অল্প হলুদ, লবণ আর চিনি মেখে তেলে ভেজে উঠিয়ে নিন। সর্ষের তেল গরম করে তেজপাতা, পাঁচ ফোড়ন আর শুকনো মরিচের ফোড়ন দিন। সব গুঁড়ো মসলা একটু পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর তাতে আদা ও রসুন বাটা দিয়ে আবারও কষিয়ে নিন ৩ থেকে ৪ মিনিট। কষানো হয়ে গেলে এতে আগে থেকে ভেজে রাখা বেগুনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। এবার কম আঁচে ঢেকে রান্না করুন যতক্ষণ না বেগুন সেদ্ধ হচ্ছে। বেগুন সেদ্ধ হয়ে গেলে তেঁতুলের মাড় এবং চিনি দিন। এ সময় হাতা বা খুন্তি দিয়ে বেগুনগুলো একটু ভেঙে দিন যেন মাখা মাখা হয়ে আসে। এরপর তেল ওপরে উঠে এলে নামিয়ে নিন। এটি পোলাও, বিরিয়ানি, লুচি ও খিচুড়ির সঙ্গে দারুণ লাগবে খেতে।

পবিত্র রমজান মাস সংযম ও প্রার্থনা আর সামাজিক মিলনমেলার বিশেষ সময়। ইফতারের দাওয়াত কিংবা সেহরির আড্ডায় মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম নারীদের পোশাকে আসে এক সহজাত পরিবর্তন। এ বছর রমজানে ফ্যাশন দুনিয়ায় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এক চমৎকার সমন্বয় দেখা যাচ্ছে। এবার শুধু শরীর ঢেকে রাখাই নয়; বরং...
৩৯ মিনিট আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের অহংকার, আমাদের শোক ও শক্তির মিলনের দিন। দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের পাতায় ঘেরা কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়; বরং এটি প্রত্যেক বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দিনটি ঘিরে বাঙালির পোশাকেও থাকে ভিন্ন এক ভাবগাম্ভীর্য। এদিন আমরা শোকাতুর হৃদয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই।
১৯ ঘণ্টা আগে
খেসারির ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচের কুচি ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, মরিচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ, গরমমসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ এবং সয়াবিন তেল পরিমাণমতো।
২১ ঘণ্টা আগে
ফাল্গুনের শুষ্ক ও গরম আবহাওয়ায় শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকায় শরীর দ্রুত পানিশূন্য বা ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে এবার। শরীরে পানির অভাব মানে অবসাদ, মাথাব্যথা ও ঝিমুনি ভাব। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এমন খাদ্যাভ্যাস ও কৌশল মেনে চলা জরুরি, যা আপনাকে সারা দিন...
১ দিন আগে