
প্রসব-পরবর্তীকালে নতুন মায়েরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, সেগুলোর মধ্য়ে সবার আগে বলতে হয় পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের কথা। নিজের শরীর, শারীরিক গঠন ও মানসিক শান্তি পুনরায় ফিরে পাওয়ার এই যাত্রা যেন মন্থরগতির মনে হয়। সেলিব্রিটি মায়েরাও এর ব্যতিক্রম নন।

কোনো কাজ নিখুঁতভাবে করতে, মনোযোগ দিতে এবং সেখান থেকে সেরা ফল অর্জন করার জন্য পারফেকশনিস্টরা প্রায়শই প্রশংসিত হন। কিন্তু একজন পারফেকশনিস্ট কাজে-কর্মে যতটা নিখুঁত, তাঁর মানসিক স্থিতিশীলতা কিন্তু ততটাই কম। কারণ, সেরা ও ত্রুটিহীন কাজ করতে গিয়ে মানসিকভাবে তাঁরা নানান চাপ, উদ্বেগ, এমনকি বিষণ্নতায় ভোগেন।

মানসিক চাপ ও হতাশা বর্তমানে অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। মনে রাখবেন, মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক করতে চাওয়ার পদক্ষেপ নেওয়াই প্রথম সাফল্য। কিছু সহজ অভ্যাস রয়েছে, যেগুলো আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে।

রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গিয়ে বুক ধড়ফড় করা কিংবা অদ্ভুত ভয়ের ঘোরে ডুবে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের রয়েছে। স্বপ্নের জগৎ রহস্যে ভরা হলেও দুঃস্বপ্ন বা নাইটমেয়ার যেন তারই এক ভীতিকর দিক। অনেকে মনে করেন, দুঃস্বপ্ন ভবিষ্যৎ বিপদের আগাম সংকেত দেয়। কিন্তু বিজ্ঞান কী বলছে?