কাশফিয়া আলম ঝিলিক, ঢাকা

বাড়ির বিয়ে নিয়ে শখের তো আর শেষ নেই। কোন গানে নাচা হবে, বর-বউ কোন গানে কীভাবে স্টেজে উঠবেন থেকে শুরু করে কাকে কোন শাড়ি দেওয়া হবে, খাবারদাবার কী থাকবে, সে পর্যন্ত থাকে নানান উত্তেজনা। এরই মাঝে ভাবতে হয় বিয়ের ডালা, স্টেজ ও গেট সাজানো, কার্ড ইত্যাদি নিয়েও। এসব আয়োজনে যুক্ত হচ্ছে নান্দনিকতা। রীতির সঙ্গে মিল রেখে ডালা সেজে উঠছে নতুন নতুন অনুষঙ্গে। দাওয়াত কার্ড তৈরি হচ্ছে বিশেষভাবে। অনুষ্ঠানের সংখ্যাও বাড়ছে। আক্দ, হলুদ, মেহেদি, বিয়ে, বউভাতসহ আরও নানান আয়োজন যোগ হয়েছে হালের বিয়ের অনুষ্ঠানে। বাড়ছে ডেসটিনেশন ওয়েডিংয়ের আগ্রহ। ফলে বিয়ের অনুষ্ঠান দারুণভাবে সামাল দিতে জানতে হবে এগুলো সম্পর্কে।
বিয়ের কার্ড
বিয়ের কার্ড বইয়ের প্রচ্ছদের মতো। ফলে এটা নিয়ে ভাবনার নানা বিষয় রয়েছে। বিয়ের কার্ডের কাজ একই থাকলেও এর নান্দনিকতায় যুক্ত হয়েছে অনেক কিছু। কাগজের ধরন, রং, ডিজাইন—সব মিলিয়ে কার্ডে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বসেছে কিউআর কোড। মোবাইল ফোনে স্ক্যান করলে সেখান থেকে মিলবে গুগল ম্যাপসহ বিভিন্ন তথ্য। বিয়ের কার্ডে এখন কাঠ ও কাগজের পাশাপাশি কাপড়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। নকশার মোটিফে এসেছে দারুণ বদল। আবার অনেকে ই-কার্ড বেছে নিচ্ছেন দাওয়াত দিতে যাওয়ার সময় বাঁচাতে। এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে কাস্টমাইজ বিয়ের কার্ড। আপনার পছন্দে তারা তৈরি করে দেবে সেটি। প্রতিটির দাম ২০০ বা ২৫০ টাকা থেকে শুরু হয়। এরপর নকশা ও উপকরণের ওপর ভিত্তি করে দাম বাড়তে থাকে।
তত্ত্ব সাজানোর ডালা
বিয়ে ও হলুদের ডালা সাজানো বিয়ের অন্যতম কাজ। বর ও কনে উভয়কে হলুদের আয়োজনে রাখি পরানোর একটা নিয়ম মানা হয়। তবে সেই রাখির নকশা বা ধরনে এসেছে বদল। আগে জড়ির রাখি হলেও এখন অনেকে ফুল, মেটাল এমনকি গোল্ড প্লেটেড রাখিও পরেন। রাখি ডালাতে করেই পাঠানো হয় বর-কনের বাড়িতে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে হলুদ পাঠানোর একটা নিয়ম থাকে হলুদের আয়োজনে। সেই হলুদ পাঠানোর ডালায় আবার থাকতে হবে রকমারি নকশা ও অনুষঙ্গ। এই ডালাগুলো ৩০০ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। দাম নির্ভর করে ডালার উপকরণ ও সাজানোর প্রক্রিয়ার ওপর। এখন বাঁশের তৈরি ডালাগুলো কাপড়, নেট, আর্টিফিশিয়াল ফুল ও মেটালের বিভিন্ন উপাদানে সাজানো হয়।
অনেকে বউয়ের শাড়ি একটু অন্যভাবে সাজাচ্ছেন, কেউবা বরের শেরওয়ানিটা স্ট্যান্ডে ঝুলিয়ে সি স্ট্যান্ডটা সাজাচ্ছেন সুন্দর করে। অনেকে বাসায় সাজাচ্ছেন বিয়ের ডালা আবার অনেকে সাজিয়ে নেন দোকান কিংবা ওয়েডিং প্ল্যানারের কাছে। কখনো কখনো হলুদের অনুষ্ঠানের থিমের সঙ্গে মিল রেখে সাজিয়ে নেওয়া হয় এসব ডালা।
স্টেজ সাজানো
হলুদের স্টেজ সাজানো হয় ভিন্ন ফুল দিয়ে। সেগুলো হতে পারে প্রাকৃতিক কিংবা কৃত্রিম। এ ছাড়া থাকে কাপড়, কাঠ, শোলা, বিভিন্ন ধরনের এবং রঙের লাইটসহ বিভিন্ন উপাদান। দেশজ সংস্কৃতির অনেক উপকরণ, যেমন মাটির কলসি, হাঁড়ি, হাতপাখা, বেতের সরঞ্জাম কিংবা রিকশার মোটিফ আঁকা বিভিন্ন জিনিস ইত্যাদি থাকে স্টেজ সাজানোর উপকরণ হিসেবে। যাঁরা একটু গোছানো আয়োজন চান, তাঁরা ওয়েডিং প্ল্যানারদের দিয়ে এসব করিয়ে নেন। সে ক্ষেত্রে ডালা ও স্টেজ সাজানো, ছবি তোলা, খাবার—সবকিছুই প্ল্যানাররা আয়োজন করে দেন। তবে এ জন্য একটি নির্দিষ্ট বাজেট দরকার হয়।
ওয়েডিং বিজ বাই বিতস্তার প্ল্যানার বিতস্তা আহমেদ জানান, এখন ৯ থেকে ১০ ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে বিয়েতে! বেড়েছে ডেসটিনেশন ওয়েডিং। বিতস্তা বলেন, ‘ঢাকার বাইরে ডেসটিনেশন ওয়েডিং করছেন অনেকে। তিন থেকে চার দিনের এই আয়োজনে অতিথিদের নিয়ে যাওয়া, প্রতিটি ইভেন্টের থিম বোঝানো, পোশাকের রং ঠিক করা—সবই করে দেন প্ল্যানাররা।’ তিনি আরও বলেন, আয়োজনের ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে খরচ। যদি তাঁরা একই সঙ্গে তিনটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, সে ক্ষেত্রে যাতায়াত খরচটা কম পড়ে, যা মূল বাজেটকে কিছুটা কমিয়ে আনে।
ঢাকার বাইরে ও ঢাকার ভেতরের যাতায়াত খরচের ক্ষেত্রেও তারতম্য ঘটে। বিতস্তা জানান, হলুদে ডেকরের ক্ষেত্রে ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা খরচ হয় একটা ভেন্যুর পেছনে। এর বেশিও হতে পারে। এ ছাড়া ছবি তোলার ক্ষেত্রে আয়োজনের সংখ্যা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে ৩০ হাজার থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকাও খরচ হতে পারে। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আয়োজন যাদের, তাদের চাহিদার ওপর।

বাড়ির বিয়ে নিয়ে শখের তো আর শেষ নেই। কোন গানে নাচা হবে, বর-বউ কোন গানে কীভাবে স্টেজে উঠবেন থেকে শুরু করে কাকে কোন শাড়ি দেওয়া হবে, খাবারদাবার কী থাকবে, সে পর্যন্ত থাকে নানান উত্তেজনা। এরই মাঝে ভাবতে হয় বিয়ের ডালা, স্টেজ ও গেট সাজানো, কার্ড ইত্যাদি নিয়েও। এসব আয়োজনে যুক্ত হচ্ছে নান্দনিকতা। রীতির সঙ্গে মিল রেখে ডালা সেজে উঠছে নতুন নতুন অনুষঙ্গে। দাওয়াত কার্ড তৈরি হচ্ছে বিশেষভাবে। অনুষ্ঠানের সংখ্যাও বাড়ছে। আক্দ, হলুদ, মেহেদি, বিয়ে, বউভাতসহ আরও নানান আয়োজন যোগ হয়েছে হালের বিয়ের অনুষ্ঠানে। বাড়ছে ডেসটিনেশন ওয়েডিংয়ের আগ্রহ। ফলে বিয়ের অনুষ্ঠান দারুণভাবে সামাল দিতে জানতে হবে এগুলো সম্পর্কে।
বিয়ের কার্ড
বিয়ের কার্ড বইয়ের প্রচ্ছদের মতো। ফলে এটা নিয়ে ভাবনার নানা বিষয় রয়েছে। বিয়ের কার্ডের কাজ একই থাকলেও এর নান্দনিকতায় যুক্ত হয়েছে অনেক কিছু। কাগজের ধরন, রং, ডিজাইন—সব মিলিয়ে কার্ডে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বসেছে কিউআর কোড। মোবাইল ফোনে স্ক্যান করলে সেখান থেকে মিলবে গুগল ম্যাপসহ বিভিন্ন তথ্য। বিয়ের কার্ডে এখন কাঠ ও কাগজের পাশাপাশি কাপড়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। নকশার মোটিফে এসেছে দারুণ বদল। আবার অনেকে ই-কার্ড বেছে নিচ্ছেন দাওয়াত দিতে যাওয়ার সময় বাঁচাতে। এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে কাস্টমাইজ বিয়ের কার্ড। আপনার পছন্দে তারা তৈরি করে দেবে সেটি। প্রতিটির দাম ২০০ বা ২৫০ টাকা থেকে শুরু হয়। এরপর নকশা ও উপকরণের ওপর ভিত্তি করে দাম বাড়তে থাকে।
তত্ত্ব সাজানোর ডালা
বিয়ে ও হলুদের ডালা সাজানো বিয়ের অন্যতম কাজ। বর ও কনে উভয়কে হলুদের আয়োজনে রাখি পরানোর একটা নিয়ম মানা হয়। তবে সেই রাখির নকশা বা ধরনে এসেছে বদল। আগে জড়ির রাখি হলেও এখন অনেকে ফুল, মেটাল এমনকি গোল্ড প্লেটেড রাখিও পরেন। রাখি ডালাতে করেই পাঠানো হয় বর-কনের বাড়িতে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে হলুদ পাঠানোর একটা নিয়ম থাকে হলুদের আয়োজনে। সেই হলুদ পাঠানোর ডালায় আবার থাকতে হবে রকমারি নকশা ও অনুষঙ্গ। এই ডালাগুলো ৩০০ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। দাম নির্ভর করে ডালার উপকরণ ও সাজানোর প্রক্রিয়ার ওপর। এখন বাঁশের তৈরি ডালাগুলো কাপড়, নেট, আর্টিফিশিয়াল ফুল ও মেটালের বিভিন্ন উপাদানে সাজানো হয়।
অনেকে বউয়ের শাড়ি একটু অন্যভাবে সাজাচ্ছেন, কেউবা বরের শেরওয়ানিটা স্ট্যান্ডে ঝুলিয়ে সি স্ট্যান্ডটা সাজাচ্ছেন সুন্দর করে। অনেকে বাসায় সাজাচ্ছেন বিয়ের ডালা আবার অনেকে সাজিয়ে নেন দোকান কিংবা ওয়েডিং প্ল্যানারের কাছে। কখনো কখনো হলুদের অনুষ্ঠানের থিমের সঙ্গে মিল রেখে সাজিয়ে নেওয়া হয় এসব ডালা।
স্টেজ সাজানো
হলুদের স্টেজ সাজানো হয় ভিন্ন ফুল দিয়ে। সেগুলো হতে পারে প্রাকৃতিক কিংবা কৃত্রিম। এ ছাড়া থাকে কাপড়, কাঠ, শোলা, বিভিন্ন ধরনের এবং রঙের লাইটসহ বিভিন্ন উপাদান। দেশজ সংস্কৃতির অনেক উপকরণ, যেমন মাটির কলসি, হাঁড়ি, হাতপাখা, বেতের সরঞ্জাম কিংবা রিকশার মোটিফ আঁকা বিভিন্ন জিনিস ইত্যাদি থাকে স্টেজ সাজানোর উপকরণ হিসেবে। যাঁরা একটু গোছানো আয়োজন চান, তাঁরা ওয়েডিং প্ল্যানারদের দিয়ে এসব করিয়ে নেন। সে ক্ষেত্রে ডালা ও স্টেজ সাজানো, ছবি তোলা, খাবার—সবকিছুই প্ল্যানাররা আয়োজন করে দেন। তবে এ জন্য একটি নির্দিষ্ট বাজেট দরকার হয়।
ওয়েডিং বিজ বাই বিতস্তার প্ল্যানার বিতস্তা আহমেদ জানান, এখন ৯ থেকে ১০ ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে বিয়েতে! বেড়েছে ডেসটিনেশন ওয়েডিং। বিতস্তা বলেন, ‘ঢাকার বাইরে ডেসটিনেশন ওয়েডিং করছেন অনেকে। তিন থেকে চার দিনের এই আয়োজনে অতিথিদের নিয়ে যাওয়া, প্রতিটি ইভেন্টের থিম বোঝানো, পোশাকের রং ঠিক করা—সবই করে দেন প্ল্যানাররা।’ তিনি আরও বলেন, আয়োজনের ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে খরচ। যদি তাঁরা একই সঙ্গে তিনটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, সে ক্ষেত্রে যাতায়াত খরচটা কম পড়ে, যা মূল বাজেটকে কিছুটা কমিয়ে আনে।
ঢাকার বাইরে ও ঢাকার ভেতরের যাতায়াত খরচের ক্ষেত্রেও তারতম্য ঘটে। বিতস্তা জানান, হলুদে ডেকরের ক্ষেত্রে ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা খরচ হয় একটা ভেন্যুর পেছনে। এর বেশিও হতে পারে। এ ছাড়া ছবি তোলার ক্ষেত্রে আয়োজনের সংখ্যা ও সময়ের ওপর নির্ভর করে ৩০ হাজার থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকাও খরচ হতে পারে। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আয়োজন যাদের, তাদের চাহিদার ওপর।

শীত কিন্তু জেঁকে বসেছে। এমন শীতে কম্বলে গা জড়িয়ে সিনেমা দেখতে দেখতে মুখরোচক কিছু তো খেতেও মন চায়। বাড়িতে মুরগির মাংস থাকলে তৈরি করে ফেলুন চিকেন কাঠি কাবাব। কীভাবে তৈরি করবেন? আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৬ ঘণ্টা আগে
নতুন বছর এলেই অনেকের মধ্যে স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন উদ্দীপনা দেখা যায়। ভালো খাওয়ার পরিকল্পনা, বেশি নড়াচড়া করা, জিমে যাওয়া। সব মিলিয়ে ফিটনেস ঠিক রাখার লক্ষ্য রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে। তবে আসল পরিবর্তন আসে ধারাবাহিকতা ঠিক রাখলে। ফিটনেস মানে তাৎক্ষণিক সমাধান বা অতিরিক্ত কঠিন রুটিন নয়। এমন অভ্যাস গড়ে তোলা, যা সারা
৯ ঘণ্টা আগে
মানসিক চাপ কমাতে কফি, কসমেটিকস বা ছোটখাটো কেনাকাটার প্রবণতা বাড়ছে জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে। ‘নিজেকে পুরস্কৃত করা’ বা সেলফ-রিওয়ার্ড নামের এই সংস্কৃতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তরুণদের অনেকেই এটিকে মানসিক চাপ কমানোর উপায় হিসেবে দেখছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা ধীরে ধীরে আর্থিক ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে ঋতু বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে শীতের হিমেল হাওয়ায় গরম এক কাপ চা বা কফি প্রশান্তি দিলেও এমন অনেক খাবার আছে, যেগুলো কখনো কখনো সর্দি-কাশি বা গলাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এই ঋতুতে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে আমাদের খাবারদাবার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পরিপাকতন্ত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব
১৩ ঘণ্টা আগে