ফিচার ডেস্ক

বিয়ে মানেই আনন্দ। নতুন পোশাক, ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে নাচ-গান। কিন্তু মার্কিন জেন-জি তরুণদের জন্য আজকাল এই আনন্দ উৎসবের সঙ্গে যোগ হয়েছে অর্থনৈতিক চাপ। এখন বন্ধুর বিয়েতে যোগ দেওয়া মানেই পকেট থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করা।
সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের তরুণেরা বন্ধুদের বিয়েতে যোগ দিতে গিয়ে পড়েছেন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে। ফলে তাঁরা জীবনযাত্রার মানেও পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। জেনারেশন জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের প্রায় ৪৫ শতাংশ তরুণ এখন ছোট বাসায় থাকছেন অথবা রুমমেটের সঙ্গে ভাড়া ভাগাভাগি করছেন; যাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে খরচ করার মতো অর্থ তাঁদের হাতে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ শহরের জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে হতাশায় ভুগছেন স্থানীয়রা। খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয় না থাকায় অনেকে অন্য দেশে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করছেন। এ ধরনের আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন এখন প্রায় সব বয়সী।
বিয়ের খরচ কি সত্যি এত বেশি
হ্যাঁ, জরিপ অনুযায়ী বিয়ের খরচ এতটাই বেড়েছে, তা অনেকের মাসিক বাসাভাড়াকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। একজন অতিথির বিয়ের অনুষ্ঠান ও ব্যাচেলর পার্টিতে যোগ দিতে গড়ে ২ হাজার ১০ ডলার খরচ হয়। মজার ব্যাপার হলো, এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের গড় মাসিক বাসাভাড়ার খুব কাছাকাছি। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বড় শহরে বিয়ের খরচ মাসিক বাসাভাড়ার চেয়ে বেশি।

মার্কিন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জিলো রেন্টালসের বিশেষজ্ঞ এমিলি ম্যাকডোনাল্ড বলেন, এই তথ্য প্রমাণ করে, তরুণেরা এখন আর্থিক চাপের মুখে পড়ে কঠিন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তাঁর মতে, বন্ধুদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো উদ্যাপন করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু এর জন্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়াও ঠিক নয়। তাই তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
বিয়ের খরচ সামলানোর কিছু সহজ কৌশল
বিয়ের মৌসুম শুরু হওয়ার আগে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে ব্যয় অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।
বাজেট পরিকল্পনা: যেকোনো কিছু করার আগে বাজেট তৈরি করে নিন। কোথায় যাবেন, কত খরচ করবেন—সবকিছু আগে থেকে ঠিক করে রাখলে অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে বাঁচা যাবে। জিলোর মতো ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে আয় অনুযায়ী একটি সঠিক বাজেট তৈরি করতে পারেন।
ভাড়ার খরচ ঠিক রাখা: টিকিট কাটা বা উপহার কেনার আগে আপনার মাসিক ভাড়ার বাজেট কত, সেটা নিশ্চিত করে নিন। বাসাভাড়ার ওপর বাড়তি চাপ যাতে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

সৃজনশীল হোন: যদি নতুন বাসা ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে কিছু সুবিধা দেখে নিন। যেমন এক মাসের ভাড়া ফ্রি বা ফ্রি পার্কিং। ছোট এই সুবিধাগুলোও বছরে অনেক অর্থ বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে।
খরচ ভাগাভাগি করুন: যাতায়াত বা থাকার খরচ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। এতে প্রত্যেকের ওপর চাপ কমবে। ব্যাচেলর পার্টিতে পুরো সময় না থেকে আশপাশে ভ্রমণও করতে পারেন।
অনেক সময় তরুণেরা শুধু নিজেদের ইচ্ছায় নয়, সামাজিক চাপেও বেশি খরচ করতে বাধ্য হয়। বন্ধুদের বিয়েতে কী ধরনের উপহার দিতে হবে, কোন ব্র্যান্ডের পোশাক পরতে হবে বা পার্টিতে কেমন খরচ করা উচিত—এ ধরনের বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বন্ধুমহলে আলোচনা হয়। এর ফলে অনেকে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এসব সামাজিক প্রত্যাশা পূরণের জন্য বাড়তি খরচ করে থাকেন। এসব চাপ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বন্ধুদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা জরুরি। সবাই মিলে একসঙ্গে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিলে চাপ অনেকটা কমে যাবে।
সব মিলিয়ে বিয়ের মৌসুমে এখন আনন্দের পাশাপাশি তরুণদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জও। বন্ধুদের জীবনের বিশেষ দিনে পাশে থাকতে পারাটা নিঃসন্দেহে আনন্দের। কিন্তু এই আনন্দ যেন আপনার আর্থিক সংকটের কারণ না হয়। সঠিক পরিকল্পনা, বাজেট মেনে চলা এবং প্রয়োজনে কিছু ছাড় দিয়ে আপনি সহজে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার উপস্থিতি ও ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ, দামি উপহার নয়। তাই বুদ্ধি করে খরচ করুন আর উপভোগ করুন বন্ধুত্বের বিশেষ মুহূর্তগুলো।
সূত্র: ডেইলি মেইল

বিয়ে মানেই আনন্দ। নতুন পোশাক, ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে নাচ-গান। কিন্তু মার্কিন জেন-জি তরুণদের জন্য আজকাল এই আনন্দ উৎসবের সঙ্গে যোগ হয়েছে অর্থনৈতিক চাপ। এখন বন্ধুর বিয়েতে যোগ দেওয়া মানেই পকেট থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করা।
সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের তরুণেরা বন্ধুদের বিয়েতে যোগ দিতে গিয়ে পড়েছেন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে। ফলে তাঁরা জীবনযাত্রার মানেও পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। জেনারেশন জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের প্রায় ৪৫ শতাংশ তরুণ এখন ছোট বাসায় থাকছেন অথবা রুমমেটের সঙ্গে ভাড়া ভাগাভাগি করছেন; যাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে খরচ করার মতো অর্থ তাঁদের হাতে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ শহরের জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে হতাশায় ভুগছেন স্থানীয়রা। খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয় না থাকায় অনেকে অন্য দেশে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করছেন। এ ধরনের আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন এখন প্রায় সব বয়সী।
বিয়ের খরচ কি সত্যি এত বেশি
হ্যাঁ, জরিপ অনুযায়ী বিয়ের খরচ এতটাই বেড়েছে, তা অনেকের মাসিক বাসাভাড়াকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। একজন অতিথির বিয়ের অনুষ্ঠান ও ব্যাচেলর পার্টিতে যোগ দিতে গড়ে ২ হাজার ১০ ডলার খরচ হয়। মজার ব্যাপার হলো, এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের গড় মাসিক বাসাভাড়ার খুব কাছাকাছি। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বড় শহরে বিয়ের খরচ মাসিক বাসাভাড়ার চেয়ে বেশি।

মার্কিন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জিলো রেন্টালসের বিশেষজ্ঞ এমিলি ম্যাকডোনাল্ড বলেন, এই তথ্য প্রমাণ করে, তরুণেরা এখন আর্থিক চাপের মুখে পড়ে কঠিন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তাঁর মতে, বন্ধুদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো উদ্যাপন করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু এর জন্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়াও ঠিক নয়। তাই তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
বিয়ের খরচ সামলানোর কিছু সহজ কৌশল
বিয়ের মৌসুম শুরু হওয়ার আগে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে ব্যয় অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।
বাজেট পরিকল্পনা: যেকোনো কিছু করার আগে বাজেট তৈরি করে নিন। কোথায় যাবেন, কত খরচ করবেন—সবকিছু আগে থেকে ঠিক করে রাখলে অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে বাঁচা যাবে। জিলোর মতো ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে আয় অনুযায়ী একটি সঠিক বাজেট তৈরি করতে পারেন।
ভাড়ার খরচ ঠিক রাখা: টিকিট কাটা বা উপহার কেনার আগে আপনার মাসিক ভাড়ার বাজেট কত, সেটা নিশ্চিত করে নিন। বাসাভাড়ার ওপর বাড়তি চাপ যাতে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

সৃজনশীল হোন: যদি নতুন বাসা ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে কিছু সুবিধা দেখে নিন। যেমন এক মাসের ভাড়া ফ্রি বা ফ্রি পার্কিং। ছোট এই সুবিধাগুলোও বছরে অনেক অর্থ বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে।
খরচ ভাগাভাগি করুন: যাতায়াত বা থাকার খরচ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। এতে প্রত্যেকের ওপর চাপ কমবে। ব্যাচেলর পার্টিতে পুরো সময় না থেকে আশপাশে ভ্রমণও করতে পারেন।
অনেক সময় তরুণেরা শুধু নিজেদের ইচ্ছায় নয়, সামাজিক চাপেও বেশি খরচ করতে বাধ্য হয়। বন্ধুদের বিয়েতে কী ধরনের উপহার দিতে হবে, কোন ব্র্যান্ডের পোশাক পরতে হবে বা পার্টিতে কেমন খরচ করা উচিত—এ ধরনের বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বন্ধুমহলে আলোচনা হয়। এর ফলে অনেকে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এসব সামাজিক প্রত্যাশা পূরণের জন্য বাড়তি খরচ করে থাকেন। এসব চাপ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বন্ধুদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা জরুরি। সবাই মিলে একসঙ্গে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিলে চাপ অনেকটা কমে যাবে।
সব মিলিয়ে বিয়ের মৌসুমে এখন আনন্দের পাশাপাশি তরুণদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জও। বন্ধুদের জীবনের বিশেষ দিনে পাশে থাকতে পারাটা নিঃসন্দেহে আনন্দের। কিন্তু এই আনন্দ যেন আপনার আর্থিক সংকটের কারণ না হয়। সঠিক পরিকল্পনা, বাজেট মেনে চলা এবং প্রয়োজনে কিছু ছাড় দিয়ে আপনি সহজে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার উপস্থিতি ও ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ, দামি উপহার নয়। তাই বুদ্ধি করে খরচ করুন আর উপভোগ করুন বন্ধুত্বের বিশেষ মুহূর্তগুলো।
সূত্র: ডেইলি মেইল

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
৬ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন বহুল ব্যবহৃত। অফিস থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ—সবখানেই এর বিচরণ অবাধে। তবে এর অপব্যবহার শিক্ষার্থীদের বিকাশ ও সৃজনশীলতাকে নেতিবাচক দিকে ধাবিত করছে। এর ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার রুখতে এবং শিক্ষার্থীরা সত্যিই বিষয়টি বুঝতে পারছে কি না, তা যাচাই করতে উত্তর আমেরিকার
৮ ঘণ্টা আগে
হয়ে গেল বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গোল্ডেন গ্লোবস। তবে কেবল পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ নয়, এই আসরটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এর বর্ণিল ‘রেড কার্পেট’ ফ্যাশনের জন্য। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারকারা এমন সব সাজে হাজির হয়েছিলেন যা ফ্যাশন সচেতনদের মুগ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস ফ্যাশন ছি
১০ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জন্য টাকাপয়সা ফেরত পাওয়ার দিন। অনেক আগে কাউকে ধার দেওয়া টাকা বা পুরোনো প্যান্টের পকেটে রাখা নোট আজ উদ্ধার হতে পারে। পুরোনো ঋণ শোধের জন্য আজ সেরা দিন, এতে মনের ওপর থেকে বড় একটা পাথর নেমে যাবে।
১১ ঘণ্টা আগে