ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

আমরা প্রতিদিন রান্না করি ও খাই। কখনো একা আবার কখনো পুরো পরিবার মিলে। বাইরে থেকে সবকিছু খুব স্বাভাবিক মনে হলেও অনেক সময় নিজেদের অজান্তেই আমাদের রান্নাঘর হয়ে ওঠে অসুখের কারখানা। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার মানুষ খাদ্যে বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশেও খাদ্যে বিষক্রিয়া একটি সাধারণ সমস্যা।
খাওয়ার পর হঠাৎ পেট খারাপ, বমি, ডায়রিয়া এর সাধারণ লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে আমরা প্রায়ই ভেবে নিই, খাবারে বাইরে থেকে আসা কিছু থেকে এমন হয়েছে। কিন্তু আসল কারণ হতে পারে আমাদের নিজেদের রান্নাঘর ও কিছু অসচেতন অভ্যাস। এমন চারটি অভ্যাস বদলে ফেললে দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকা সম্ভব।
হাত না ধোয়া: ছোট ভুল, বড় বিপদ
রান্নাঘরে ঢুকে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে কাঁচা মাংস, মাছ বা সবজি ধরা শুরু করেন। আবার রান্নার মাঝপথে মোবাইল ফোনের কল এলেও ধরেন, শিশুদের কোলে নেন, তারপর আবার খাবারও ধরেন সেই হাত দিয়ে। কিন্তু হাত ধোয়ার কথা মনে থাকে না। এভাবেই জীবাণু এক খাবার থেকে অন্য খাবারে আর সেখান থেকে আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারে জীবাণু ছড়ানোর সবচেয়ে বড় কারণ হাত না ধোয়া। একবার ভাবুন, বাজার থেকে আনা কাঁচা মুরগির মাংস ছুঁয়ে হাত না ধুয়ে বয়াম থেকে লবণ নিলেন, সেই লবণের বয়ামে জীবাণু চলে গেল। পরে যে কেউ সেই লবণ ব্যবহার করলে সংক্রমিত হতে পারে।
সমাধান
আধা সেদ্ধ খাবার
বিশেষ করে পশ্চিমা রেস্তোরাঁয় জনপ্রিয় ‘রেয়ার স্টেক’ বা আধা সেদ্ধ মাংস অনেকের কাছে মুখরোচক খাবার। কিন্তু এগুলো রোগের বাহকও হতে পারে। সালমোনেলা, ইকোলাই কিংবা ক্যাম্পাইলোব্যাক্টারের মতো জীবাণু থাকে কাঁচা বা আধা সেদ্ধ খাবারে। মুরগির ক্ষেত্রেও তা-ই। অল্প সেদ্ধ মুরগি খাওয়া মানে সরাসরি অসুস্থতার ঝুঁকি নেওয়া। কারণ, অনেক সময় বাইরে থেকে ভাজা বা গ্রিল করা মনে হলেও সেগুলোর ভেতর আধা সেদ্ধ থেকে যায়।
সমাধান
খাবার বাইরে ফেলে রাখা
অনেক সময় পরিবারে অতিথি এলে টেবিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকে খাবার। আমরা ভেবে নিই, কিছু হবে না। কিন্তু বাস্তবে খাবার ঠান্ডা হতে থাকলেই জীবাণু দ্রুত জন্মাতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা এটাকে বলেন ‘ডেঞ্জার জোন’। এই সময় ব্যাকটেরিয়া দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।
সমাধান
রান্নাঘরে জীবাণু ছড়ানো
রান্নাঘরে বেশি ঝুঁকির জায়গা হলো কাটিং বোর্ড। একই বোর্ডে মাংস কেটে তারপর সবজি কাটলে জীবাণু সহজে ছড়িয়ে যায়। আরেকটি সাধারণ অভ্যাস হলো সিঙ্কে মুরগি ধোয়া। এতে পানি ছিটকে আশপাশে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

সমাধান
খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ
খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ সব সময় এক রকম নয়। লক্ষণ কারও ক্ষেত্রে হালকা, কারও ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
শিশু, গর্ভবতী, বয়স্ক মানুষ ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা রান্নাঘর থেকে ছড়ানো জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকিতে থাকেন বেশি। যদি দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর বা বমির কারণে পানি খাওয়াও সম্ভব না হয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
আমাদের ধারণা থাকে, দেখতে ও স্বাদে ভালো হলে খাবার নিরাপদ। কিন্তু রান্নাঘরের ছোট ছোট অভ্যাস বড় বিপদ ডেকে আনে। হাত ধোয়া, খাবার ভালোভাবে রান্না করা, অবশিষ্ট খাবার দ্রুত ফ্রিজে রাখা ও জীবাণু ছড়ানো ঠেকানো—এই কটি সহজ নিয়ম মেনে চললেই আপনার পরিবারের সুস্থতা অনেকাংশে সুরক্ষিত থাকবে।
সূত্র: হেলথশট

আমরা প্রতিদিন রান্না করি ও খাই। কখনো একা আবার কখনো পুরো পরিবার মিলে। বাইরে থেকে সবকিছু খুব স্বাভাবিক মনে হলেও অনেক সময় নিজেদের অজান্তেই আমাদের রান্নাঘর হয়ে ওঠে অসুখের কারখানা। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার মানুষ খাদ্যে বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশেও খাদ্যে বিষক্রিয়া একটি সাধারণ সমস্যা।
খাওয়ার পর হঠাৎ পেট খারাপ, বমি, ডায়রিয়া এর সাধারণ লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে আমরা প্রায়ই ভেবে নিই, খাবারে বাইরে থেকে আসা কিছু থেকে এমন হয়েছে। কিন্তু আসল কারণ হতে পারে আমাদের নিজেদের রান্নাঘর ও কিছু অসচেতন অভ্যাস। এমন চারটি অভ্যাস বদলে ফেললে দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকা সম্ভব।
হাত না ধোয়া: ছোট ভুল, বড় বিপদ
রান্নাঘরে ঢুকে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে কাঁচা মাংস, মাছ বা সবজি ধরা শুরু করেন। আবার রান্নার মাঝপথে মোবাইল ফোনের কল এলেও ধরেন, শিশুদের কোলে নেন, তারপর আবার খাবারও ধরেন সেই হাত দিয়ে। কিন্তু হাত ধোয়ার কথা মনে থাকে না। এভাবেই জীবাণু এক খাবার থেকে অন্য খাবারে আর সেখান থেকে আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারে জীবাণু ছড়ানোর সবচেয়ে বড় কারণ হাত না ধোয়া। একবার ভাবুন, বাজার থেকে আনা কাঁচা মুরগির মাংস ছুঁয়ে হাত না ধুয়ে বয়াম থেকে লবণ নিলেন, সেই লবণের বয়ামে জীবাণু চলে গেল। পরে যে কেউ সেই লবণ ব্যবহার করলে সংক্রমিত হতে পারে।
সমাধান
আধা সেদ্ধ খাবার
বিশেষ করে পশ্চিমা রেস্তোরাঁয় জনপ্রিয় ‘রেয়ার স্টেক’ বা আধা সেদ্ধ মাংস অনেকের কাছে মুখরোচক খাবার। কিন্তু এগুলো রোগের বাহকও হতে পারে। সালমোনেলা, ইকোলাই কিংবা ক্যাম্পাইলোব্যাক্টারের মতো জীবাণু থাকে কাঁচা বা আধা সেদ্ধ খাবারে। মুরগির ক্ষেত্রেও তা-ই। অল্প সেদ্ধ মুরগি খাওয়া মানে সরাসরি অসুস্থতার ঝুঁকি নেওয়া। কারণ, অনেক সময় বাইরে থেকে ভাজা বা গ্রিল করা মনে হলেও সেগুলোর ভেতর আধা সেদ্ধ থেকে যায়।
সমাধান
খাবার বাইরে ফেলে রাখা
অনেক সময় পরিবারে অতিথি এলে টেবিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকে খাবার। আমরা ভেবে নিই, কিছু হবে না। কিন্তু বাস্তবে খাবার ঠান্ডা হতে থাকলেই জীবাণু দ্রুত জন্মাতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা এটাকে বলেন ‘ডেঞ্জার জোন’। এই সময় ব্যাকটেরিয়া দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।
সমাধান
রান্নাঘরে জীবাণু ছড়ানো
রান্নাঘরে বেশি ঝুঁকির জায়গা হলো কাটিং বোর্ড। একই বোর্ডে মাংস কেটে তারপর সবজি কাটলে জীবাণু সহজে ছড়িয়ে যায়। আরেকটি সাধারণ অভ্যাস হলো সিঙ্কে মুরগি ধোয়া। এতে পানি ছিটকে আশপাশে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

সমাধান
খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ
খাদ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ সব সময় এক রকম নয়। লক্ষণ কারও ক্ষেত্রে হালকা, কারও ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
শিশু, গর্ভবতী, বয়স্ক মানুষ ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা রান্নাঘর থেকে ছড়ানো জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকিতে থাকেন বেশি। যদি দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর বা বমির কারণে পানি খাওয়াও সম্ভব না হয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
আমাদের ধারণা থাকে, দেখতে ও স্বাদে ভালো হলে খাবার নিরাপদ। কিন্তু রান্নাঘরের ছোট ছোট অভ্যাস বড় বিপদ ডেকে আনে। হাত ধোয়া, খাবার ভালোভাবে রান্না করা, অবশিষ্ট খাবার দ্রুত ফ্রিজে রাখা ও জীবাণু ছড়ানো ঠেকানো—এই কটি সহজ নিয়ম মেনে চললেই আপনার পরিবারের সুস্থতা অনেকাংশে সুরক্ষিত থাকবে।
সূত্র: হেলথশট

গত কয়েক বছরে ‘ওয়েলবিয়িং’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এর সঙ্গে যোগব্যায়ামের সম্পর্ক কতটা গভীর? প্রশিক্ষকদের মতে, যোগব্যায়াম শুধু কিছু আসন নয়, এটি শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষার একটি বিজ্ঞানও।
২ ঘণ্টা আগে
পকেটে হাত দেওয়ার আগে তিনবার সঞ্চয়ের নাম জপুন। অফিসে আপনার এনার্জি দেখে বস ভয় পেয়ে যেতে পারেন। মনে হবে একাই পুরো কোম্পানি টেনে দেবেন, কিন্তু আদতে দুপুরের লাঞ্চের পর হাই তুলতে তুলতেই দিন কাবার হবে।
২ ঘণ্টা আগে
একসময় রান্নাঘর শুধু রান্না করার সাধারণ জায়গা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি বাড়ির সদস্যদের রুচি ও আভিজাত্য প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। রান্নাঘরের সজ্জায় বেশি দৃশ্যমান অংশ হলো ক্যাবিনেট। তাই এর সঠিক রং নির্বাচন জরুরি। সময়ের সঙ্গে রুচিতেও বদল আসে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এখনো বিশ্বজুড়ে এইডস একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৮৯১ জন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
৪ ঘণ্টা আগে