
ওমান সরকার নতুন কালচারাল ভিসা চালু করেছে। এতে বিদেশি শিল্পী, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক পেশাজীবীরা স্বল্পকালীন দেশটিতে বসবাস ও কাজ করার অনুমোদন পাবেন। দেশটির সরকারের লক্ষ্য, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিভাদের অনুষ্ঠান, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহজভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া। এই উদ্যোগ ওমানকে আন্তর্জাতিক জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
ভিসার মেয়াদ ও ফি
ভিসা বা রেসিডেন্সি ১ বছর, ৫ বছর বা ১০ বছরের জন্য পাওয়া যাবে। মূল আবেদনকারীর জন্য বার্ষিক ফি ৫০ ওমানি রিয়াল।
ভিসা সক্রিয় করার সময়সীমা
ভিসা পেয়েই তিন মাসের মধ্যে ওমানে প্রবেশ করতে হবে। সময়ের মধ্যে প্রবেশ না করলে ভিসা বাতিল বলে ধরা হতে পারে।

পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ
পরিবারের সদস্যরা, যেমন জীবনসঙ্গী ও নিকটাত্মীয়রা মূল আবেদনকারীর সঙ্গে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আইনি কাঠামো
ওমানের রয়্যাল পুলিশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা বলছে, যাঁরা এই কালচারাল ভিসা পাবেন, তাঁদের আইন অনুযায়ী ওমানে প্রবেশ করতে হবে। এমনি তাঁরা যেসব কাজ বা প্রকল্পে যোগ দেবেন, সেখানেও কর্তৃপক্ষের নজরদারি থাকবে। এটি অন্য সাধারণ ভিসার মতো নয়। অর্থাৎ এই ভিসা পুরোপুরি আলাদা। শুধু সংস্কৃতি, শিল্প বা গবেষণার কাজের জন্য প্রযোজ্য।
উদ্দেশ্য
এই ভিসার মূল উদ্দেশ্য বিদেশি প্রতিভার সঙ্গে ওমানের সৃজনশীল চর্চা, একাডেমি এবং সাংস্কৃতিক পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করা। বিদেশ থেকে মেধাবীরা এলে এসব জায়গায় আরও সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দেশটি আরও এগিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওমান ভিশন ২০৪০: ওমান এই নতুন কালচারাল ভিসা চালু করে পুরোনো ভ্রমণ বা কাজের ভিসার নিয়মগুলো আরও সহজ করেছে। এই উদ্যোগটি ওমানের ‘ভিশন-২০৪০’ পরিকল্পনার অংশ। এই মূল লক্ষ্য দেশের সংস্কৃতি, শিল্প ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা। বিদেশি শিল্পী, গবেষক ও সৃষ্টিশীল পেশাজীবীদের দেশে আসা এবং কাজ করার পথকে সহজ করে দেওয়া।
সাংস্কৃতিক পর্যটন ও অর্থনৈতিক প্রভাব: বিদেশি শিল্পী বা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিরা ওমানের বিভিন্ন উৎসব, প্রদর্শনী বা গবেষণায় অংশ নেবেন। এতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে। ফলে সাংস্কৃতিক পর্যটন বাড়বে, দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে এবং সৃষ্টিশীল শিল্প ও উদ্যোগগুলোর উন্নয়ন হবে।
দীর্ঘমেয়াদি অবদান: যদি কেউ ৫ বা ১০ বছরের কালচারাল ভিসা পান, তাহলে তাঁরা দীর্ঘ মেয়াদে প্রজেক্ট চালাতে পারবেন, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন এবং ওমানে স্থায়ীভাবে কাজ করতে পারবেন।
প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ
সৃষ্টিশীল জনগোষ্ঠীর প্রশংসা: অনেক শিল্পী ও বুদ্ধিজীবী ইতিমধ্যে এই নতুন ভিসার প্রশংসা করেছেন। তাঁরা বলছেন, এটি ওমানে সৃষ্টিশীল কাজ করার জন্য মসৃণ পথ তৈরি করছে এবং আন্তর্জাতিক মেধাবীদের ওমানে নিয়ে আসার সুযোগ করে দিচ্ছে।
হোস্টের দায়বদ্ধতা: যদি কেউ ওমানে কালচারাল ভিসা চান, তবে তাঁকে ওমানে থাকা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ‘স্পনসর’ করতে হবে। অর্থাৎ সেই সংস্থা দায়িত্ব নেবে, যে বিদেশি ব্যক্তিটি বৈধভাবে ওমানে আসবেন, থাকবেন এবং তাঁর কাজ বা প্রজেক্ট সঠিকভাবে চলবে। তারা নিশ্চিত করবে, আবেদনকারী আইন মেনে চলছেন এবং কাজ বা প্রজেক্ট ঠিকভাবে করছে।
ভিসা সক্রিয় করার সময়সীমা: এই ভিসা যিনি পাবেন তাঁকে ৩ মাসের মধ্যে ওমানে প্রবেশ করতে হবে। এটি অনেকের জন্য সমস্যা হতে পারে। শিল্পী বা গবেষকদের মধ্যে যাঁরা বড় প্রজেক্ট নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন, তাঁদের জন্য এই ৩ মাসের সময়সীমা চাপ হতে পারে। কারণ প্রজেক্ট সাজাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হয়। এ ছাড়া আনুষঙ্গিক কাজ ঠিকভাবে করতেও সময় লাগে।
ওমান এখন শুধু তেলভিত্তিক অর্থনীতির ওপর নির্ভর করছে না। দেশটি সংস্কৃতি ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। এই নতুন কালচারাল ভিসা সে পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার একটি উপায়। দেশটি চাইছে বিদেশি সৃজনশীল ও একাডেমিক প্রতিভাদের ওমানের প্রতি আকৃষ্ট করতে। যাতে তারা আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
সূত্র: গালফ নিউজ, মাসকাট ডেইলি ও গালফ এনআরআইএস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘স্কুইরমি অ্যান্ড গ্রাবস’ নামে পরিচিত হান্না ও শেন বারকো দম্পতি। মূলত হান্নার স্বামী শেন একজন প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাঁদের দাম্পত্য অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়। ব্যতিক্রমী এই দম্পতি এবার তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্বক সুন্দর ও সতেজ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। কিছুদিন পরপর ট্রেন্ডস হয়ে দাঁড়ায় নতুন প্রসাধনী। আর রূপ সচেতনেরা সেই ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে দেন। যাঁরা ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না, তাঁরাও ত্বক আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রতিদিন ব্যবহার করেন ফেসওয়াশ, স্ক্রাব, ময়শ্চারাইজার, ফরসা হওয়ার ক্রিম কিংবা নানাবিধ মেকআপ পণ্য।
১২ ঘণ্টা আগে
পর্যাপ্ত রোদ, স্বাস্থ্যকর খাবার, চোখ জুড়ানো সবুজ প্রান্তর আর হাঁটাহাঁটির দারুণ সুযোগ। একটি আদর্শ ছুটির দিনে এর চেয়ে বেশি আর কী চাই? মন চাঙা করতে এবং দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে একটু নতুন শক্তি দিতে ঘুরে আসার সেরা গন্তব্য এখন পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
১৪ ঘণ্টা আগে
আজকাল ওজন কমানো বা ফিট থাকার কথা উঠলে সবাই একটি পরামর্শই দেন। বলবেন, ‘কার্বোহাইড্রেট পুরোপুরি বাদ দিন, আর বেশি বেশি প্রোটিন খান।’ ডিম, মুরগির মাংস, পনিরের পাশাপাশি প্রোটিন শেক বা প্রোটিন বারের কদর এখন আকাশচুম্বী। অনেকেই ভাবেন, এটি যত বেশি খাওয়া যায়, শরীর ততই ভালো থাকে। আসলেই কি তাই? অতিরিক্ত প্রোটিন
১৬ ঘণ্টা আগে