আপনি কি ঘুমের সমস্যার জন্য প্রাকৃতিক সমাধান খুঁজছেন? তাহলে ক্যামোমাইল একবার ব্যবহার করে দেখুন।
ক্যামোমাইল এমন এক ভেষজ, যা প্রাচীন গ্রিক যুগ থেকে পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীন গ্রিকরা প্রাকৃতিক চিকিৎসায় দক্ষ ছিলেন। তাঁরা জানতেন, এই ভেষজে আছে অ্যাপিজেনিন নামের এক রাসায়নিক উপাদান, যা শরীর শান্ত করে এবং ঘুম ঘুম ভাব আনে।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুষ্টিবিদ বেথ জেরওনি বলেন, ‘ক্যামোমাইল মূলত হালকা ঘুমের ওষুধের মতো কাজ করে। কয়েক চুমুক খেলে এটি সত্যিই আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করবে।’
তবে এই উদ্ভিদের উপকারিতা এখানেই শেষ নয়।
প্রথমত, ক্যামোমাইল চায়ের শান্তিদায়ক প্রভাব রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
ডেইজি ফুলের মতো দেখতে এই উদ্ভিদ পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরপুর।
ইউসিএলএ হেলথের তথ্যমতে, পটাশিয়াম (একধরনের ইলেকট্রোলাইট) আমাদের স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে এবং হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে; বিশেষ করে যাঁরা বেশি লবণ খান, তাঁদের জন্য এটি উপকারী।
তবে বেশির ভাগ আমেরিকানই পর্যাপ্ত পটাশিয়াম পান না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের দৈনিক ২ হাজার ৬০০ মিলিগ্রাম এবং পুরুষদের ৩ হাজার ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া দরকার।
রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, এক কাপ ক্যামোমাইল চায়ে প্রায় ২১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে।
দৈনিক পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণে শাকপাতা, মিষ্টিআলু, কলা ও অ্যাভোকাডো ভালো উৎস হতে পারে।
পটাশিয়ামের মতোই ক্যালসিয়াম আমাদের হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। মায়ো ক্লিনিকের মতে, হৃদ্যন্ত্র, পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যক্রমের জন্যও ক্যালসিয়াম অপরিহার্য।
তথ্যসূত্র: দি ইনডিপেনডেন্ট

বয়স ত্রিশের কোঠায় পৌঁছতেই অনেকের ত্বকে সূক্ষ্ম বলিরেখা বা ফাইন লাইনস দেখা দিতে শুরু করে। ত্বকের এই ঝুলে পড়া ভাব দূর করতে এবং চামড়া টানটান রাখতে অনেকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে বোটক্স ইনজেকশন নেন। তবে কেমিক্যাল বা ইনজেকশনের কৃত্রিম পদ্ধতি এড়িয়ে পুরোপুরি প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপাদানেও ত্বকে বোটক্সের মতো...
৩ ঘণ্টা আগে
শরীরে কর্টিসল হরমোন বেড়ে গেলে হুট করে মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এই হরমোন বাড়ার প্রধান কারণ হলো দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ও শারীরিক চাপ। যখন আমাদের মস্তিষ্ক কোনো বিপদ বা চাপের সম্মুখীন হয়, তখন এটি শরীরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিকে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন তৈরির সংকেত দেয়। সাময়িকভাবে এই হরমোন বেড়ে যাওয়া...
৫ ঘণ্টা আগে
পায়েস আমাদের কাছে যতটা পরিচিত, পেরুর কিনোয়া কন লেচে তেমনি অপরিচিত। কিন্তু দুটি প্রায় একই রকম মিষ্টি স্বাদের খাবার। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ কিনোয়া, দুধ ও সুগন্ধি মসলার মিশ্রণে তৈরি এই ডেজার্ট একই সঙ্গে হালকা, ক্রিমি ও সুস্বাদু। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চলে বহু শতাব্দী ধরে চাষ হয়ে আসা কিনোয়া ইনকা...
৭ ঘণ্টা আগে
ছবি বা সিনেমার সেটে আমরা প্রায়ই অদ্ভুত সব ঘরবাড়ি দেখে থাকি। মানুষের হাতের ছোঁয়া আর প্রকৃতির কারুকাজ। এই দুয়ে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া দৃশ্যগুলো মানুষকে বেশি আকৃষ্ট করে। পর্তুগালে এমন কিছু গ্রাম আছে, দেখে মনে হবে স্থাপত্যশিল্প ও প্রকৃতির মাঝে যেন এক অদৃশ্য বোঝাপড়া রয়েছে। পাহাড়ের খাদে ঝুলে থাকা...
৯ ঘণ্টা আগে