
সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা অনেকে মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিতে পড়ি। অনেক সময় কোনো আড্ডায় গিয়ে হঠাৎ নীরবতা নেমে আসে কারও কারও। আবার অন্যরা কথা বলতে অনীহা দেখালে কিংবা নিজের আচরণ অন্যের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে টের পেলে মনে আত্মসংশয় দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। অনেকে জন্মগত বা পরিস্থিতিগত কারণে সামাজিক মেলামেশায় আড়ষ্ট বা সংকোচবোধ করেন। এই সামাজিক আড়ষ্টতা কোনো অপরাধ নয়, তবে কিছু লক্ষণ চিনে নিজের আচরণে সচেতনতা আনলে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই উত্তরণ সম্ভব।
হঠাৎ নীরবতা: কোনো স্বাভাবিক কথোপকথনের মাঝে আপনি কিছু বলার বা করার পর যদি দীর্ঘ নীরবতা নেমে আসে, এই সময় বুঝতে হবে অন্যদিকের মানুষটি হয়তো কী উত্তর দেবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না কিংবা আপনার কথায় অস্বস্তিবোধ করছেন।
অস্বস্তিকর শরীরী ভাষা: কথা বলার সময় সামনের মানুষটি যদি বুক বেঁধে হাত গুটিয়ে নেন, অনেকেই চোখ এড়াতে ঘরের অন্যদিকে তাকান বা মুখ গম্ভীর করে ফেলেন। এসব শারীরিক অস্বস্তির ইঙ্গিত।

সংক্ষিপ্ত ও কৃত্রিম প্রতিক্রিয়া: আপনার কথা বা প্রশ্নের উত্তরে কেউ যদি শুধু ‘হুম’, ‘ঠিক আছে’ বা ‘আচ্ছা’ বলেন এবং আগ্রহ না দেখান, তাহলে বুঝে নিতে হবে, তিনি হয়তো দ্রুত কথা শেষ করতে চান। অনেকে বিনয়ের খাতিরে কৃত্রিম হাসি বা মাথা নেড়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
দ্রুত সটকে পড়ার চেষ্টা: কেউ যদি বারবার আপনার সঙ্গে কথা শেষ করে চলে যাওয়ার পথ খোঁজেন কিংবা চোখে চোখ রাখা এড়িয়ে যান, তাহলে বুঝে নিতে হবে, আপনার উপস্থিতি তাঁর জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হচ্ছে।
নিজ থেকে কথা না বলা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব: হাঁটার সময় মাথা নিচু করে থাকা, ভ্রু কুঁচকে রাখা বা আত্মবিশ্বাসহীন শরীরী ভাষা মানুষকে দূরে ঠেলে দেয়। একটি খোলামেলা বা হালকা হাস্যোজ্জ্বল চেহারা মানুষকে সহজে কাছে টানে।
সামাজিক সংকোচ যাঁদের বোধ হয়, তাঁরা দৈনন্দিন জীবনে নানা সূক্ষ্ম সংকটে পড়েন। যেমন কাউকে কোনো কথা বলে সারা দিন অনুশোচনা করা, অন্যের জন্মদিনের গান গাওয়ার সময় কী করবেন ভেবে না পাওয়া, ভুল করে উপহারের জায়গায় ‘আপনাকেও ধন্যবাদ’ বলে ফেলার মতো ঘটনা ঘটানো। এমনও হতে পারে যে লিফটে বা ক্যাশ কাউন্টারে অপরিচিতদের পাশে থমকে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা কাউকে সম্ভাষণ জানানোর সময় হাত মেলাবেন কি না, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যাওয়া। অনেকে এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তি এড়াতে ভুয়া ফোনকল বা টেক্সট করার ভান করেন কিংবা ঘরের বাইরে যাওয়া এড়াতে খাবার ডেলিভারি দিয়ে থাকেন।
সামাজিক অনুশীলনের অভাব কিংবা দীর্ঘকাল একা থাকা আড়ষ্টতার বড় কারণ। এ ছাড়া অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারের মতো নিউরোডাইভারজেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণেও অনেকে স্বাভাবিক সামাজিক সংকেত বা আবেগ বুঝতে সমস্যার সম্মুখীন হন। অতীতের কোনো খারাপ সামাজিক অভিজ্ঞতা, লাজুকতা বা সংস্কৃতিগত ভিন্নতাও সংকোচ বাড়িয়ে দিতে পারে।
নিজের এই আড়ষ্টতা বা সংকোচগুলো চিনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অভ্যাস গড়ে তুললে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা যেমন সহজ হয়, তেমনি আত্মবিশ্বাসও বহুগুণ বেড়ে যায়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই আড়ষ্টতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
সূত্র: মেট্রো, সায়েন্স ডেইলি

দাম্পত্যজীবনে ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে একই বিছানায় আলাদা কাঁথা ও কম্বল ব্যবহারই এখন অনেকের আগ্রহের কারণ। এর নাম স্ক্যান্ডিনেভিয়ান স্লিপ মেথড। এতে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় থাকেন, কিন্তু প্রত্যেকে নিজের জন্য আলাদা কম্বল বা কাঁথা ব্যবহার করেন। ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেনসহ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে...
৪ ঘণ্টা আগে
আজ ১ সেপ্টেম্বর। আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। মিলেনিয়ালরা চিঠির দিনগুলোর কথা ভেবে আজও নস্টালজিয়ায় ভোগেন। আহা, প্রিয় মানুষের হাতের লেখায় একটা চিঠি পাওয়া জন্য কত অপেক্ষা, কত চোখের জল আর কত আকুতি। প্রয়োজন, প্রেম, চাওয়া-পাওয়া সবটাই তখন লেখা হলো কাগজের বুকে।
৮ ঘণ্টা আগে
পায়েস, ক্ষীর বা ফিরনি তৈরিতে দুধের ব্যবহার আমাদের দেশে বেশ পরিচিত। তবে সেই পরিচিত দুধ দিয়ে তৈরি করা যায় ভিন্ন স্বাদের এক মিষ্টি পদ। এমনই একটি মজার পদ হলো স্পেনের ঐতিহ্যবাহী ল্যাচে ফ্রিতা। এর বাংলা অর্থ ভাজা দুধ। মচমচে আর ভেতরে নরম ও ক্রিমি বিদেশি স্বাদের এই মিষ্টি খাবার হতে পারে আপনার বিকেল বা...
১০ ঘণ্টা আগে
প্রাচীন আয়ুর্বেদে নাভিতে ঘি মাখার উপকারিতার কথা বলা রয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘিকে বলা হয় ‘অমৃত’। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে, নাভি আমাদের শরীরের শক্তি ও প্রাণের কেন্দ্রবিন্দু। তাই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে নাভিতে ঘি দেওয়াকে শরীর নিরাময়ের এক শক্তিশালী মাধ্যম মনে করা হয়। আয়ুর্বেদ মতে, ঘিয়ের পুষ্টিকর উপাদান...
১২ ঘণ্টা আগে