সানজিদা সামরিন, ঢাকা

এখন রোদের যে তাপ তাতে ত্বকের সঙ্গে ঘামছে মাথার ত্বক বা স্ক্য়াল্পও। সে কারণে ঘাম জমে আঠালো ও রুক্ষ হয়ে যায় চুল। তার গোড়ায় দীর্ঘক্ষণ ঘাম জমে থাকলে ঠান্ডা লেগে মাথাব্যথা তো হতেই পারে, সঙ্গে হতে পারে মাথার ত্বকে চুলকানি। এ ছাড়া ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। গরমে এই সমস্যা কমবেশি সবারই হয়। তবে নিয়মিত চুলের প্রয়োজনীয় দেখভাল করলে গরমকালেও মাথার ত্বক ও চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
গরমে মাথার ত্বকে যেসব জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে
ম্যালাসেজিয়া নামে একধরনের ছত্রাক রয়েছে। সেটি থেকে কনটাক্ট ডার্মাটাইটিস হতে পারে। এর ফলে মাথার ত্বক খুশকিতে ভরে যাবে এবং ত্বক থেকে আঁশের মতো ছাল উঠতে শুরু করবে। চুল আঁচড়াতে গেলেই মাথার ত্বকে জ্বালা হবে।
ব্যাকটেরিয়ার কারণে মাথার ত্বকে সংক্রমণ গরমের সাধারণ সমস্যা। ভালো করে শ্যাম্পু না করলে এবং ভিজে চুল দীর্ঘ সময় বেঁধে রাখলে মাথার ত্বকে স্ট্যাফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে। ফলে ব্রণ ও ফুসকুড়ি এবং লালচে র্যাশ দেখা দেয়। মাথার সামনের দিকেও গুটি গুটি র্যাশ বেরোতে থাকে।
গরমে ছোট ছোট পোকার কামড় থেকেও মাথার ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। ঠিকমতো স্নান না করলে বা মাথায় ঘাম বসে গেলে এমন পোকার উপদ্রব হয়। এদের কামড়ে মাথার ত্বকে জ্বালা করে।
সহজ সমাধান
গরমে অধিকাংশ নারী চুল বেঁধে বাইরে বের হন। বাড়িতে থাকলেও চুল বাঁধাই থাকে। ফলে মাথার তালুতে ঘাম জমে। আবার যাঁরা প্রতিদিন বাইরে বের হন তাঁদের মাথার ত্বকে ঘামের সঙ্গে যোগ হয় ধুলোবালি ও গাড়ির ধোঁয়া। আর এসবের কারণে মাথার ত্বকে চুলকানি হতে পারে। চুল পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। গরমের এ সময় যখনই বাইরে যাবেন চুল টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে যান। এরপর গন্তব্যে পৌঁছে ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিয়ে আঁচড়ে নিন।
অন্যের চিরুনি, হেয়ারব্যান্ড, টুপি ব্যবহার করবেন না। এর থেকেও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে।
গরমে খুব বেশি জেল বা সিরাম মাথায় ব্যবহার না করাই ভালো।
এ সময়ে চুলের যত্নে যা করবেন
এ সময় যাঁদের চুল বেশি ঘামে তাঁরা প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন। অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। তাই শ্যাম্পু কেনার সময় বোতলের গায়ে দেখে নিন তা অ্যান্টি–ফাঙ্গালযুক্ত কিনা।

সপ্তাহে দুদিন পানির সঙ্গে আপেল সিডার ভিনেগার দুই অনুপাত এক পরিমাণে মিশিয়ে মাথার ত্বকে মাখলে খুশকি, ফুসকুড়ি ও মাথার ত্বকের অ্যালার্জি দূর হবে।
সপ্তাহে তিন দিন ৪ অনুপাত ২ পরিমাণে নারকেল তেল ও নিমের তেল মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকবে।
সপ্তাহে একদিন টক দইয়ের সঙ্গে ডিম ভালোভাবে মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা। এরপর ভালোভাবে চুল শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন।
চুলের তরতাজা ভাব ফিরে পেতে মাথার ত্বকে পাতি লেবুর রস ঘষে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে নিন।

ঘাম জমে চুলে গন্ধ হলে গোলাপজলে তুলো ভিডিয়ে মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। স্প্রে বোতলে করে ব্যাগেও রাখতে পারেন গোলাপজল।
মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্প পরিচ্ছন্ন রাখতে মধুর জুড়ি নেই। মধুর সঙ্গে অল্প পরিমাণে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এরপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে ব্রাশ করুন। ১৫ মিনিট পর ভালো করে শ্য়াম্পু করে নিলেই দেখবেন ফ্রেশ লাগছে।
টি ট্রি অয়েলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ আছে। নারকেল তেলে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকের অ্যালার্জির জায়গায় লাগিয়ে রাখলেও উপকার পাওয়া যাবে।
সূত্র: লরিয়েল প্যারিস ও অন্যান্য

এখন রোদের যে তাপ তাতে ত্বকের সঙ্গে ঘামছে মাথার ত্বক বা স্ক্য়াল্পও। সে কারণে ঘাম জমে আঠালো ও রুক্ষ হয়ে যায় চুল। তার গোড়ায় দীর্ঘক্ষণ ঘাম জমে থাকলে ঠান্ডা লেগে মাথাব্যথা তো হতেই পারে, সঙ্গে হতে পারে মাথার ত্বকে চুলকানি। এ ছাড়া ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। গরমে এই সমস্যা কমবেশি সবারই হয়। তবে নিয়মিত চুলের প্রয়োজনীয় দেখভাল করলে গরমকালেও মাথার ত্বক ও চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
গরমে মাথার ত্বকে যেসব জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে
ম্যালাসেজিয়া নামে একধরনের ছত্রাক রয়েছে। সেটি থেকে কনটাক্ট ডার্মাটাইটিস হতে পারে। এর ফলে মাথার ত্বক খুশকিতে ভরে যাবে এবং ত্বক থেকে আঁশের মতো ছাল উঠতে শুরু করবে। চুল আঁচড়াতে গেলেই মাথার ত্বকে জ্বালা হবে।
ব্যাকটেরিয়ার কারণে মাথার ত্বকে সংক্রমণ গরমের সাধারণ সমস্যা। ভালো করে শ্যাম্পু না করলে এবং ভিজে চুল দীর্ঘ সময় বেঁধে রাখলে মাথার ত্বকে স্ট্যাফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে। ফলে ব্রণ ও ফুসকুড়ি এবং লালচে র্যাশ দেখা দেয়। মাথার সামনের দিকেও গুটি গুটি র্যাশ বেরোতে থাকে।
গরমে ছোট ছোট পোকার কামড় থেকেও মাথার ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। ঠিকমতো স্নান না করলে বা মাথায় ঘাম বসে গেলে এমন পোকার উপদ্রব হয়। এদের কামড়ে মাথার ত্বকে জ্বালা করে।
সহজ সমাধান
গরমে অধিকাংশ নারী চুল বেঁধে বাইরে বের হন। বাড়িতে থাকলেও চুল বাঁধাই থাকে। ফলে মাথার তালুতে ঘাম জমে। আবার যাঁরা প্রতিদিন বাইরে বের হন তাঁদের মাথার ত্বকে ঘামের সঙ্গে যোগ হয় ধুলোবালি ও গাড়ির ধোঁয়া। আর এসবের কারণে মাথার ত্বকে চুলকানি হতে পারে। চুল পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। গরমের এ সময় যখনই বাইরে যাবেন চুল টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে যান। এরপর গন্তব্যে পৌঁছে ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিয়ে আঁচড়ে নিন।
অন্যের চিরুনি, হেয়ারব্যান্ড, টুপি ব্যবহার করবেন না। এর থেকেও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে।
গরমে খুব বেশি জেল বা সিরাম মাথায় ব্যবহার না করাই ভালো।
এ সময়ে চুলের যত্নে যা করবেন
এ সময় যাঁদের চুল বেশি ঘামে তাঁরা প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন। অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। তাই শ্যাম্পু কেনার সময় বোতলের গায়ে দেখে নিন তা অ্যান্টি–ফাঙ্গালযুক্ত কিনা।

সপ্তাহে দুদিন পানির সঙ্গে আপেল সিডার ভিনেগার দুই অনুপাত এক পরিমাণে মিশিয়ে মাথার ত্বকে মাখলে খুশকি, ফুসকুড়ি ও মাথার ত্বকের অ্যালার্জি দূর হবে।
সপ্তাহে তিন দিন ৪ অনুপাত ২ পরিমাণে নারকেল তেল ও নিমের তেল মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকবে।
সপ্তাহে একদিন টক দইয়ের সঙ্গে ডিম ভালোভাবে মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা। এরপর ভালোভাবে চুল শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন।
চুলের তরতাজা ভাব ফিরে পেতে মাথার ত্বকে পাতি লেবুর রস ঘষে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে নিন।

ঘাম জমে চুলে গন্ধ হলে গোলাপজলে তুলো ভিডিয়ে মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। স্প্রে বোতলে করে ব্যাগেও রাখতে পারেন গোলাপজল।
মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্প পরিচ্ছন্ন রাখতে মধুর জুড়ি নেই। মধুর সঙ্গে অল্প পরিমাণে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এরপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে ব্রাশ করুন। ১৫ মিনিট পর ভালো করে শ্য়াম্পু করে নিলেই দেখবেন ফ্রেশ লাগছে।
টি ট্রি অয়েলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ আছে। নারকেল তেলে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকের অ্যালার্জির জায়গায় লাগিয়ে রাখলেও উপকার পাওয়া যাবে।
সূত্র: লরিয়েল প্যারিস ও অন্যান্য

কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
৩ ঘণ্টা আগে
এখন শীতকাল। শীতকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাধারণত বেশি ঘটে। বিভিন্ন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। রান্নাঘর এর মধ্যে অন্যতম। বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের বড় কারণও এটি। যেকোনোভাবেই হোক, অসাবধানতাবশত এখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ অফিসে এমনভাবে প্রবেশ করবেন যেন আপনিই কোম্পানির মালিক। কিন্তু লাঞ্চের আগেই বস আপনাকে এমন সব ফাইলের পাহাড় দেবে যে সেই ‘সিংহ’ ভাবটা মুহূর্তেই ‘ভেজা বেড়াল’-এ পরিণত হবে। সহকর্মীদের থেকে সাবধান, তারা আপনার টিফিনের ওপর নজর রেখেছে!
৪ ঘণ্টা আগেমনমাতানো গন্ধ আর রঙের মিশেলে তৈরি ক্যান্ডি ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয় সব সময়। ক্যান্ডির কচকচে প্যাকেট খুললে কখনো গোলাপি আর সাদা তো কখনো লাল, কমলা, হলুদ রঙের ঢেউয়ের নকশা। ছেলেবেলার ক্যান্ডির স্মৃতি যদি পোশাকেও বয়ে বেড়ানো যায়, মন্দ কি!
৫ ঘণ্টা আগে