
কানের লাল গালিচায় ভারতীয় চলচ্চিত্রের তারকারা নিয়মিতই পা রাখেন। বিগত বছরগুলোয় সে গালিচায় হেঁটে ভারতীয় অভিনেত্রীরা ফ্যাশন দুনিয়ার নজর কেড়েছেন। ফ্যাশনেবল পোশাকের কারণে কেউ প্রশংসিত হয়েছেন, কেউ হয়েছেন সমালোচিত। তবে তাঁদের অধিকাংশেই পরেছেন পাশ্চাত্য অনুপ্রাণিত পোশাক বা গাউন। তবে এবার কানে ভারতের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অদিতি রাও হায়দারিকে ভিন্নভাবে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। তাঁরা দু’জনই শাড়ি পরেছিলেন, দুজনের সিঁথিতেই সিঁদুরের রেখা টানা ছিল— যেন খানিকটা দীর্ঘ করেই সেই সিঁদুর পরেছিলেন তাঁরা।
২০০২ সাল থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থিত হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া রাই। প্রথম বছর কানে শাড়িই পরেছিলেন তিনি। তবে এরপর সেখানে নানারকম ডিজাইনার গাউনেই উপস্থিত হতে দেখা গেছে তাঁকে। দীর্ঘ ২৩ বছর পরে আবার ঐশ্বরিয়াকে কানে দেখা গেল শাড়িতে, একেবারে ভারতীয় বিবাহিত নারী রূপে।

বুধবার ‘দ্য হিস্ট্রি অব সাউন্ড’ ছবির প্রিমিয়ারে ভারতীয় সময় রাত এগারোটা নাগাদ কানের লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন উপস্থিত হয়েছিলেন। পরেছিলেন একটি আইভরিরঙা বেনারসি শাড়ি। তার সঙ্গে লাল চুনির কয়েক ছড়া মালা আর খোলা চুলে মাঝামাঝি সিঁথি কেটে পরেছিলেন চওড়া সিঁদুর। এতখানি চওড়া সিঁদুরে কি এর আগে কানে পা রেখেছিলেন ঐশ্বরিয়া?
সাবেক বিশ্বসুন্দরীর এই শাড়িটি তৈরি করেছেন বলিউডের পোশাকশিল্পী মণীশ মালহোত্রা। এটি হাতে বোনা কড়ওয়া বেনারসি শাড়ি। এর সঙ্গে তিনি পরেছিলেন দুধ সাদা স্বচ্ছ টিস্যুর ওড়না। ওড়নার পাড়ে ছিল সোনালি ও রূপালি জড়ির নকশা।
সাদা বেনারসির সঙ্গে বিশ্বসুন্দরী ৫০০ ক্যারেটের রুবির হার এবং একটি আনকাট হিরের গয়না পরেছিলেন। তবে এত কিছুর মধ্যে সব আলো কেড়ে নিয়েছিল ঐশ্বর্যের সিঁদুর! অথচ অনেকেই ভেবেছিলেন, এবার হয়তো কানের মঞ্চে এই রূপসীকে দেখাই যাবে না। কিন্তু তিনি এলেন তো বটেই, এলেন একেবারে ভারতীয় চিরায়ত নারীর সাজে! এ কথা বলার আরও একটি কারণ রয়েছে। সম্প্রতি ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিবাহিত জীবন নিয়ে ব্যাপক চর্চা হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কায় আছেন, এই হাই ভোল্টেজ বিয়ে এখনো টিকে আছে তো! কানাঘুষা হয়েছিল যে, ঐশ্বরিয়া ও তাঁর মেয়ে আরাধ্য আর বচ্চন পরিবারের সঙ্গে থাকছেন না। সে কানাঘুষাকে উড়িয়ে দিয়ে সিঁথিতে দেড় দুই ইঞ্চি চওড়া সিঁদুরে একেবারে কানে উপস্থিত হলেন তিনি। এর রহস্য কী? ঐশ্বরিয়া কি জানান দিচ্ছেন, তাঁরা এখনো একসঙ্গেই রয়েছেন, সম্পর্কে চিড় ধরেনি।
এদিকে অনেকেই বলাবলি করছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে সিঁদুর পরে ঐশ্বরিয়ার উপস্থিত হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে পেহেলগামে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা এবং তার জবাবে ভারতের করা অপারেশন সিঁদুর। কাশ্মীরের পেহেলগামে গত ২২ এপ্রিল পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে হামলা চালায় ভারত। সামরিক এ পদক্ষেপের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর।

অনেকের ধারণা, নায়িকা অদিতি রাও হায়দরিও এই একই কারণে নববধূর মতো সেজে এসেছিলেন। কানে অদিতি পরেছিলেন ভারতীয় ব্র্যান্ড ‘র ম্যাঙ্গো’র লাল রঙের সিল্কের শাড়ি। তাতে ছিল নীল ফিতে পাড়। এর সঙ্গে অদিতি পরেছিলেন লাল রঙের স্লিভলেস ব্লাউজ। গলায় ছিল রঙিন কুন্দনের চোকার। ঠোঁটে ছিল লালচে আভার লিপস্টিক, কপালের মাঝখানে লাল টিপ, মাথায় সিঁথি কেটে তাতে চওড়া করে দিয়েছিলেন সিঁদুর, চুল পেছনে দিয়ে বেঁধেছিলেন খোঁপা। তবে সব ছাড়িয়ে অদিতির সাজে নজর কেড়েছিল তাঁর কপালের লাল টিপ আর সিঁথির চওড়া সিঁদুর। এভাবে সেজেই কানে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন অদিতি।

কথা হলো, এর আগেও অদিতি কানের লাল গালিচায় হেঁটে বেরিয়েছেন। তবে সেখানে ডিজাইনার ও চকচকে গাউনেই তাঁকে দেখা গেছে। এবারে নিজের দেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্যই কি তবে শাড়ি, টিপ, সিঁদুরে উপস্থিত হলেন অদিতি? নাকি গত বছরের শেষার্ধে দক্ষিণী অভিনেতা সিদ্ধার্থকে বিয়ে করেছেন বলেই নববধূর সাজে সবার সামনে ধরা দিলেন ‘হীরামান্ডি’ খ্যাত এই তারকা।
সূত্র: সিনেমা এক্সপ্রেস ও বলিউড হাঙ্গামা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অনেকের ধারণা, রাতে টানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে পারলেই স্বাস্থ্যের যত্ন শেষ। কিন্তু আধুনিক ঘুম গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। ঘুমের মোট সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা ঠিক কোন ধরনের ঘুম পাচ্ছি। বিশেষ করে ঘুমের যে সময়ে আমরা উজ্জ্বল বা বিচিত্র সব স্বপ্ন দেখি, তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় র্যাপিড আই...
২ ঘণ্টা আগে
গোসল করতে পানিতে নামতে হয়, এটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু গোসল যদি হয় গাছপালা আর বন জঙ্গলের মাঝে, পায়ের নিচে শুকনো পাতার মচমচ শব্দ আর চারপাশে পাখির ডাক শুনতে শুনতে? জাপানে এমনই এক অভ্যাসের নাম শিনরিন-ইয়োকু বা ফরেস্ট বাথিং। এখানে পানি দিয়ে শরীর ধোয়ার কোনো বিষয় নেই; বরং বনের পরিবেশ, বাতাস, গন্ধ, শব্দ...
৫ ঘণ্টা আগে
ভোরের দিকে হালকা ঠান্ডা লাগে ঠিকই। কিন্তু সকালে রোদের তাপে অতিরিক্ত ঘাম তো হচ্ছেই। সঙ্গে পুড়ে তামাটে হয়ে যাচ্ছে ত্বক। ফলে অতিরিক্ত ঘাম ও রোদের ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্ষতি কম-বেশি এ ঋতুতেও হচ্ছে। এই সময় অনেকের ত্বক নিস্তেজ, ক্লান্ত ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। শুধু রোদে পুড়ে ত্বক তামাটে বর্ণের...
৭ ঘণ্টা আগে
আমাদের আচরণ, জীবনযাত্রার পছন্দ কিংবা দৈনন্দিন অভ্যাস—এগুলো আমরা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকি। কিন্তু সম্পূর্ণটাই কি আমরা নিয়ন্ত্রণ করি? এই বিষয়গুলো কিছুটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আর কিছুটা লুকিয়ে আছে শরীরের ভেতরের জিনের অদৃশ্য সংকেতে। দীর্ঘকাল ধরে ধারণা করা হতো, আমাদের ব্যক্তিত্ব বা পছন্দ শুধু পরিবেশ...
৯ ঘণ্টা আগে