গণিতে স্নাতক রাকুল প্রীত সিং ১৮ বছর বয়স থেকে মডেলিং শুরু করেন। ২০০৯ সালে কন্নড় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘গিল্লি’ দিয়ে চলচ্চিত্রের রঙিন দুনিয়ায় যাত্রা শুরু করেন। এরপর হাজার তরুণের বুকে ঝড় তোলেন বলিউড চলচ্চিত্র ‘ইয়ারিয়া’র মাধ্য়মে। তরুণীরাও কি কম ভেবেছেন তাঁকে নিয়ে? ‘কোথা থেকে এই মিষ্টি মেয়েটা উড়ে এসে সবার মন কেড়ে নিল!’–এ ভাবনাতেই বছর কেটেছে অনেকের।
শুরু থেকে এই স্টাইলিশ অভিনেত্রী সবার নজর কেড়ে চলেছেন। রাকুল প্রীতের ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করলে টের পাওয়া যায় ট্রেডিশনাল হোক বা ট্রেন্ডি, পোশাকের ব্যাপারে একেবার নিখুঁত না হলে যেন তাঁর চলে না।
এই তো, কদিন আগেই তাঁর ইনস্টা–ডায়েরিতে সবুজাভ পোশাকের নতুন কিছু ছবি আপলোড করেছেন তিনি। সারারা প্যান্ট, স্লিভলেস টপ ও ঝিনুক কাটা নকশার ওড়নার পুরোটা জুড়ে ছিল মিররওয়ার্ক। একই রঙের গয়না ও একেবারে সাদামাটা মেকআপে ভক্তদের মন কেড়েছেন এই তারকা।
কেবলই কি পোশাক–আশাকেই নিখুঁত রাকুল? ফিটনেসের বেলায়ও ভীষণ কঠোর তিনি। ভালোবাসেন যোগব্যায়াম করতে। ইনস্টাতে যোগব্যায়ামের কিছু ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, ‘যোগব্যায়াম হচ্ছে এমন একটি যাত্রা, যা নিজের মধ্য় দিয়ে নিজের কাছে পৌঁছতে সাহায্য করে।’
রাকুল প্রীত সিং রূপচর্চার ক্ষেত্রে বরাবর ভরসা করেন ঘরোয়া টোটকায়। সে জন্য তিনি নিজেই বানিয়ে নেন নানা রকম ফেসপ্যাক। নিয়ম করে ক্লিনজার, টোনার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। ত্বকের কোমলতার জন্য কলা, মধু ও লেবুর রসের ফেইস মাস্ক ব্যবহার করেন তিনি। চুলের যত্নে পাকা কলা, ডিম আর মধুর হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করেন। রোদে পোড়া ত্বকে টমেটো বা হলুদ, বেসন ও দইয়ের মিশ্রণ লাগান।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, পিংক ভিলা ও ভোগ ম্যাগাজিন

এক অপার সৌন্দর্যভূমি বান্দরবানের থানচি। পাহাড়, নদী আর পাথরের এক অনন্য মেলবন্ধনে গড়ে উঠেছে এই পাহাড়ি জনপদ। দুই পাহাড়ের বুক চিরে আপন গতিতে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। আর সেই রুপালি নদীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পাথরের দেশের এক মুকুটধারী রাজা।
২ ঘণ্টা আগে
বর্ষাকালে ভ্রমণে কোথায় যাওয়া যায়, সে কথা ভাবছেন? তাহলে এই লেখা আপনার জন্য। বর্ষাকালে বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গা যৌবন ফিরে পায় এবং সৌন্দর্যের ঝাঁপি মেলে ধরে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক বর্ষাকালে দেশে ভ্রমণের সেরা দশ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে।
৩ ঘণ্টা আগে
বহুদিনের একটি ইচ্ছা পূরণ করার জন্য রওনা হলাম ঘিওরের কাউটিয়া গ্রামের পথে। গন্তব্য কালীগঙ্গা নদীতীরে দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী একটি বটগাছ। উত্তর-পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে এঁকেবেঁকে বয়ে চলেছে কালীগঙ্গা। নদীর সেই চিরচেনা রূপের সমান্তরালে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক প্রাচীন বটবৃক্ষ।
৪ ঘণ্টা আগে
বর্ষায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য দারুণ এক ঋতু। তবে এই ঋতুতে ভ্রমণ করার জন্য প্রয়োজন বিশেষ প্রস্তুতি; বিশেষ করে পোশাক ও ব্যাগ হতে হবে পানিরোধী। আর জুতা হতে হবে বিশেষ ধরনের, যাতে পানি পড়লেও নষ্ট না হয় এবং হাঁটার সময় পিছলে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে