স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে বিশেষ দিনগুলো কেটে যাচ্ছে চার দেয়ালের মধ্যে। স্বাস্থ্যসুরক্ষার জন্য সামাজিক আয়োজন, ভিড়-ভাট্টা থেকে দূরে থাকছে সবাই। এ জন্য এবার বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ঘুরে ঈদ পালন হবে না। কিন্তু ঈদের আনন্দ তো আর মাটি হতে দেওয়া যায় না। তাই বাড়ির ছাদগুলো করে তুলুন উৎসবমুখর।
সময় ভাগ করে নিন: ছাদেও অনেক মানুষ একসঙ্গে হওয়া যাবে না। একটি বিল্ডিংয়ে যত পরিবার আছে, সবাই আলোচনা করে ঠিক করে নিন–কে কখন ছাদে যাবেন। ছাদের আকার অনুসারে একসঙ্গে এক বা দুটি পরিবার যেতে পারেন ছাদে।
মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা: সময়টা এখন করোনার। তাই অবশ্যই মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখবেন।
ছাদ পরিষ্কার: ছাদ ঈদের আগেই পরিষ্কার করে রাখুন। ছাদের মেঝেতে শেওলা পড়লে ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে ব্রাশ করে নিতে হবে।
ছায়া: এক দিনের জন্য স্থায়ী ছায়ার ব্যবস্থা করুন। এমনভাবে ব্যবস্থা করুন, যাতে রোদ ও বৃষ্টি দুটোই ঠেকানো যায়।
বসার ব্যবস্থা: সবার জন্য একই রকম বসার ব্যবস্থা থাকতে পারে। আবার পরিবারগুলো নিজেদের মতো করে বসার ব্যবস্থা করে নিতে পারে।
খাবারের ব্যবস্থা: এই ঈদে মাংস দিয়ে তৈরি খাওয়ার আইটেম বেশি থাকবে–এটাই স্বাভাবিক। বিকেল বা সান্ধ্যকালীন নাশতার জন্য মাংসের কাবাব, ঘরে তৈরি পিৎজা, রোল রাখা যেতে পারে। সঙ্গে রাখুন মৌসুমি ফল ও ফলের রস। আর ঈদ যেহেতু, পরিবেশনে সেমাই থাকবে–তা বলার অপেক্ষা রাখে না। টেবিল-চেয়ার না থাকলে ও নিচে বসার ব্যবস্থা করা হলে কাঠের জলচৌকির ওপর টেবিল ক্লথ বিছিয়ে পানীয়গুলো রেখে দিতে পারেন। আর মেঝেতেই সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন সব আইটেম।
আলো ও হাওয়া: ছাদে বিকেলবেলায় প্রাকৃতিক আলো পাওয়া যাবে। কিন্তু সন্ধ্যার পর থাকতে চাইলে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। সে জন্য ছাদে তো বাল্ব নিশ্চয়ই রয়েছে। পাশাপাশি ফেইরি লাইট ঝুলিয়ে নিলে অন্য রকম ভালো লাগায় ভরে উঠবে মন।

আজ আপনার তেজ থাকবে একদম আগ্নেয়গিরির মতো। তবে সাবধানে, এই তেজে নিজের অফিসের বসের কফি যেন আবার পুড়ে না যায়! আর্থিক যোগ আছে, তবে সেটা পকেট থেকে টাকা বেরোনোর যোগ। কোনো পুরোনো বন্ধু ফোন করতে পারে—হয় সে টাকা ধার চাইবে, নয়তো বিয়ের কার্ড দেবে। দুটোর একটিও আপনার জন্য সুখবর নয়।
১ ঘণ্টা আগে
ইফতারে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো ফল রাখা একটি সাধারণ অভ্যাস। স্বাস্থ্যকর ইফতারির আয়োজনে আনারসের দুটি সালাদ রাখতে পারেন। আপনাদের জন্য আনারসের দুটি সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাস সংযম ও প্রার্থনা আর সামাজিক মিলনমেলার বিশেষ সময়। ইফতারের দাওয়াত কিংবা সেহরির আড্ডায় মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিম নারীদের পোশাকে আসে এক সহজাত পরিবর্তন। এ বছর রমজানে ফ্যাশন দুনিয়ায় ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার এক চমৎকার সমন্বয় দেখা যাচ্ছে। এবার শুধু শরীর ঢেকে রাখাই নয়; বরং...
৩ ঘণ্টা আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের অহংকার, আমাদের শোক ও শক্তির মিলনের দিন। দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের পাতায় ঘেরা কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়; বরং এটি প্রত্যেক বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দিনটি ঘিরে বাঙালির পোশাকেও থাকে ভিন্ন এক ভাবগাম্ভীর্য। এদিন আমরা শোকাতুর হৃদয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই।
২১ ঘণ্টা আগে