
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, কোনো বারের মধ্যে পুরুষদের প্রথম রাউন্ডের পানীয় কিনতে তাড়াহুড়ো করা আসলে নারীদের মন জয় করার জন্য একটি আচরণগত প্রদর্শনী। বিশেষ করে যখন নারীদের সংখ্যা কম এবং প্রতিযোগিতা বেশি থাকে, তখন এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
বিষয়টি বোঝাতে প্রাণী জগতের একটি উদাহরণ টানা যেতে পারে। যেমন—গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চলে পুরুষ প্যারাডাইস পাখিরা তাদের ঝলমলে পালক দিয়ে নারীদের আকর্ষণ করে, কিংবা হাইল্যান্ড অঞ্চলের হরিণেরা তাদের শক্তিশালী শিং ব্যবহার করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তেমনি পুরুষেরাও একটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করে—পানীয়ের প্রথম রাউন্ডটি কিনে।
বুধবার দ্য টাইমস জানিয়েছে, হার্ভার্ডের গবেষক দলটি বোস্টনের তিনটি পাব-এ গবেষণাটি পরিচালনা করেন। তারা পাবে আসা ১৬০টি দলের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। এই দলগুলোতে নারী এবং পুরুষ উভয়ই উপস্থিত ছিলেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, যখন কোনো দলের পুরুষদের সংখ্যা নারীদের তুলনায় বেশি ছিল, তখন একজন পুরুষ দ্রুত প্রথম রাউন্ডের পানীয় কিনতে এগিয়ে যেতেন। আবার দলে নারীর সংখ্যা বেশি হলে প্রথম রাউন্ড কিনতে অনেক সময় লেগে যেত।
গবেষকেরা মনে করেন, পুরুষদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের আকর্ষণীয় এবং সামর্থ্যবান প্রমাণ করার জন্য এই ধরনের আচরণ দেখা যায়। গবেষণায় বলা হয়েছে—‘প্রথম রাউন্ডের পানীয় কেনা হলো পুরুষদের একটি আচরণগত প্রদর্শনী, যা তাদের সম্পদের বিজ্ঞাপন দেয়।’
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নারীরা কখনোই পানীয়ের প্রথম রাউন্ড কেনার জন্য এগিয়ে আসেননি। এর অর্থ হলো নারীরা প্রত্যাশা করেন, এই ধরনের বিনিয়োগ পুরুষেরাই প্রথম করবেন।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে দলগুলোতে নারীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, সেখানে নারীরা বেশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা পেয়ে থাকেন। এ ধরনের পরিবেশে পুরুষদের বেশি বেশি অর্থ খরচের প্রবণতা দেখা গেছে। তারা বেশি ক্রেডিট কার্ড এবং ঋণের দিকে ঝোঁকেন।
নারীদের সংখ্যা কম থাকলে পুরুষদের মধ্যে সম্পদ প্রদর্শন, সামাজিক অবস্থান ও বিনিয়োগের প্রতিযোগিতা বাড়ে। এটি প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রজাতির মতোই পুরুষদের একটি প্রতিযোগিতামূলক আচরণ।
গবেষণার সারমর্ম হলো, এই প্রতিযোগিতামূলক আচরণ প্রেমের সঙ্গী খোঁজার চিরন্তন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, কোনো বারের মধ্যে পুরুষদের প্রথম রাউন্ডের পানীয় কিনতে তাড়াহুড়ো করা আসলে নারীদের মন জয় করার জন্য একটি আচরণগত প্রদর্শনী। বিশেষ করে যখন নারীদের সংখ্যা কম এবং প্রতিযোগিতা বেশি থাকে, তখন এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
বিষয়টি বোঝাতে প্রাণী জগতের একটি উদাহরণ টানা যেতে পারে। যেমন—গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চলে পুরুষ প্যারাডাইস পাখিরা তাদের ঝলমলে পালক দিয়ে নারীদের আকর্ষণ করে, কিংবা হাইল্যান্ড অঞ্চলের হরিণেরা তাদের শক্তিশালী শিং ব্যবহার করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তেমনি পুরুষেরাও একটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করে—পানীয়ের প্রথম রাউন্ডটি কিনে।
বুধবার দ্য টাইমস জানিয়েছে, হার্ভার্ডের গবেষক দলটি বোস্টনের তিনটি পাব-এ গবেষণাটি পরিচালনা করেন। তারা পাবে আসা ১৬০টি দলের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। এই দলগুলোতে নারী এবং পুরুষ উভয়ই উপস্থিত ছিলেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, যখন কোনো দলের পুরুষদের সংখ্যা নারীদের তুলনায় বেশি ছিল, তখন একজন পুরুষ দ্রুত প্রথম রাউন্ডের পানীয় কিনতে এগিয়ে যেতেন। আবার দলে নারীর সংখ্যা বেশি হলে প্রথম রাউন্ড কিনতে অনেক সময় লেগে যেত।
গবেষকেরা মনে করেন, পুরুষদের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের আকর্ষণীয় এবং সামর্থ্যবান প্রমাণ করার জন্য এই ধরনের আচরণ দেখা যায়। গবেষণায় বলা হয়েছে—‘প্রথম রাউন্ডের পানীয় কেনা হলো পুরুষদের একটি আচরণগত প্রদর্শনী, যা তাদের সম্পদের বিজ্ঞাপন দেয়।’
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নারীরা কখনোই পানীয়ের প্রথম রাউন্ড কেনার জন্য এগিয়ে আসেননি। এর অর্থ হলো নারীরা প্রত্যাশা করেন, এই ধরনের বিনিয়োগ পুরুষেরাই প্রথম করবেন।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে দলগুলোতে নারীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, সেখানে নারীরা বেশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা পেয়ে থাকেন। এ ধরনের পরিবেশে পুরুষদের বেশি বেশি অর্থ খরচের প্রবণতা দেখা গেছে। তারা বেশি ক্রেডিট কার্ড এবং ঋণের দিকে ঝোঁকেন।
নারীদের সংখ্যা কম থাকলে পুরুষদের মধ্যে সম্পদ প্রদর্শন, সামাজিক অবস্থান ও বিনিয়োগের প্রতিযোগিতা বাড়ে। এটি প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রজাতির মতোই পুরুষদের একটি প্রতিযোগিতামূলক আচরণ।
গবেষণার সারমর্ম হলো, এই প্রতিযোগিতামূলক আচরণ প্রেমের সঙ্গী খোঁজার চিরন্তন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে
১১ ঘণ্টা আগে
অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
১২ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
১৪ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
১৮ ঘণ্টা আগে