মেহরাব মাসাঈদ হাবিব

বর্তমান বিশ্বে হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা যেভাবে বেড়েছে, তার হাওয়া লেগেছে বিশ্বের বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোয়। টয়োটা বিশ্বের সেরা ও বড় গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম।
হাইব্রিড গাড়ির জনক হিসেবে টয়োটার নাম বলা যায় নিঃসন্দেহে। ১৯৯৭ সালে টয়োটা তাদের ‘টয়োটা প্রিয়াস’ বাজারে এনেছিল। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত হাইব্রিড গাড়ি। চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ায় টয়োটা তাদের প্রায় সব গাড়িরই হাইব্রিড সংস্করণ তৈরি ও বাজারজাতের উদ্যোগ নিয়েছে।
সম্প্রতি টয়োটা তাদের কমপ্যাক্ট এসইউভি আরএভি৪-এর হাইব্রিড ভার্সন বাজারে এনেছে। এ ছাড়া এনেছে আরএভি৪-এর প্লাগ ইন হাইব্রিড সংস্করণ, যা প্রাইম নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। যদিও প্রাইমের খুব কমসংখ্যক গাড়ি বাজারে এনেছে টয়োটা। আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম দেখতে প্রায় একই রকম। ফুয়েল এফিশিয়েন্সিতেও তেমন পার্থক্য নেই। আরএভি৪ প্রাইমে রয়েছে ৩০২ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন। শুধু বিদ্যুতে চালানো হলে এক চার্জে প্রায় ৪২ মাইল চলে এটি।
অন্যদিকে আরএভি৪ হাইব্রিড সংস্করণে রয়েছে ২৫০০ সিসি ইঞ্জিন ও হর্সপাওয়ার ২১৯। ৭ দশমিক ৪ সেকেন্ডে ০ থেকে ৬০ মাইল স্পিড ওঠানো সম্ভব এই গাড়িতে।
নিরাপত্তার দিক থেকেও আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম অন্য যেকোনো গাড়ির থেকে এগিয়ে রয়েছে। ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ইনস্যুরেন্স ইনস্টিটিউট ফর হাইওয়ে সেফটি। দুটো সংস্থা থেকেই আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম ফাইভ স্টার রেটিং লাভ করেছে।
আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইমে থাকা সেফটি ফিচারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অটোমেটেড ইমার্জেন্সি ব্রেক, লেন ডিপার্চার ওয়ার্নিং সিস্টেম ও অ্যাডাপটিভ ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম।
গাড়িটির দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা।
লেখক: ফাউন্ডার ও সিইও, বাংলা অটোমোবাইল স্কুল

বর্তমান বিশ্বে হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা যেভাবে বেড়েছে, তার হাওয়া লেগেছে বিশ্বের বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোয়। টয়োটা বিশ্বের সেরা ও বড় গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম।
হাইব্রিড গাড়ির জনক হিসেবে টয়োটার নাম বলা যায় নিঃসন্দেহে। ১৯৯৭ সালে টয়োটা তাদের ‘টয়োটা প্রিয়াস’ বাজারে এনেছিল। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত হাইব্রিড গাড়ি। চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ায় টয়োটা তাদের প্রায় সব গাড়িরই হাইব্রিড সংস্করণ তৈরি ও বাজারজাতের উদ্যোগ নিয়েছে।
সম্প্রতি টয়োটা তাদের কমপ্যাক্ট এসইউভি আরএভি৪-এর হাইব্রিড ভার্সন বাজারে এনেছে। এ ছাড়া এনেছে আরএভি৪-এর প্লাগ ইন হাইব্রিড সংস্করণ, যা প্রাইম নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। যদিও প্রাইমের খুব কমসংখ্যক গাড়ি বাজারে এনেছে টয়োটা। আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম দেখতে প্রায় একই রকম। ফুয়েল এফিশিয়েন্সিতেও তেমন পার্থক্য নেই। আরএভি৪ প্রাইমে রয়েছে ৩০২ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন। শুধু বিদ্যুতে চালানো হলে এক চার্জে প্রায় ৪২ মাইল চলে এটি।
অন্যদিকে আরএভি৪ হাইব্রিড সংস্করণে রয়েছে ২৫০০ সিসি ইঞ্জিন ও হর্সপাওয়ার ২১৯। ৭ দশমিক ৪ সেকেন্ডে ০ থেকে ৬০ মাইল স্পিড ওঠানো সম্ভব এই গাড়িতে।
নিরাপত্তার দিক থেকেও আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম অন্য যেকোনো গাড়ির থেকে এগিয়ে রয়েছে। ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ইনস্যুরেন্স ইনস্টিটিউট ফর হাইওয়ে সেফটি। দুটো সংস্থা থেকেই আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইম ফাইভ স্টার রেটিং লাভ করেছে।
আরএভি৪ ও আরএভি৪ প্রাইমে থাকা সেফটি ফিচারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অটোমেটেড ইমার্জেন্সি ব্রেক, লেন ডিপার্চার ওয়ার্নিং সিস্টেম ও অ্যাডাপটিভ ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম।
গাড়িটির দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা।
লেখক: ফাউন্ডার ও সিইও, বাংলা অটোমোবাইল স্কুল

ঠিকভাবে ঘরের লাইটিং করা শুধু বিদ্যুতের বিল কমানোর জন্য নয়; বরং এটি ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেক সময় ছোট ছোট ভুলে ঘরের আলোর কারণে চোখে চাপ পড়ে, ছায়া তৈরি হয় বা পুরো রুমই অন্ধকার মনে হয়। এসব দূরে রাখতে যে ১০টি কাজ করবেন, সেগুলো হলো...
২ ঘণ্টা আগে
বৈবাহিক সম্পর্ক সাধারণত হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় না। দায়িত্ব, যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত ছোট ছোট অমিল ধীরে ধীরে জমে বড় ফাটল তৈরি করে। এমনটাই মনে করেন চীনের ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী লুয়ো মিংজিন। তিনি ‘লাইফ নেভার এন্ডস’ বইয়ে লিখেছেন, ‘অনেক আধুনিক দম্পতি একই ছাদের নিচে থেকেও গভীর একাকিত্বে...
৪ ঘণ্টা আগে
সম্পর্কের টানাপোড়েন মানুষের জীবনের এক অমীমাংসিত জটিলতা। কখনো ভালোবাসা থাকে, কিন্তু বোঝাপড়া হয় না। কখনো আবার অভাব থাকে শুধু স্বচ্ছতার। অনেক সময় আমরা একটি সম্পর্কে বারবার ফিরে আসি, আবার দূরে সরে যাই। একে মনস্তাত্ত্বিক ভাষায় বলা হয়, ‘সাইক্লিং রিলেশনশিপ’ বা ‘অন-অ্যান্ড-অফ’ সম্পর্ক। অনেকে একে সরাসরি...
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সূর্যের বছর। সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, ২০২৬ সালের সংখ্যাগুলো যোগ করলে তার যোগফল হয় ১০। আবার ১০ এর যোগফল হয় ১। অর্থাৎ ২০২৬ সালের সংখ্যাতাত্ত্বিক মান ১, জ্যোতিষশাস্ত্রে যা সূর্যের প্রতীক। ফলে এ বছরকে বলা হচ্ছে সূর্যের বছর। সূর্য আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও নতুন সূচনার প্রতিনিধিত্ব করে। এর ফলে বছরটি...
৮ ঘণ্টা আগে