জীবন ভোরের শিউলির মতো শুভ্র ও সতেজ নয়। জীবনের পরতে পরতে জয়, পরাজয়, হতাশা, গ্লানি থাকে। থাকে দ্বিধা, ভয় ও সংশয়। এগুলো নেতিবাচক উপসর্গ। দিনের পর দিন মনের ভেতর দ্বিধা, ভয়, সংশয়, হতাশা পুষতে থাকলে সামনে এগোনো যায় না। মানসিক স্বস্তি নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে হতাশা ঝেড়ে ফেলতে হবে।
আশার ঘোড়ায় লাগাম টেনে ধরুন। বাস্তবসম্মত আশা করুন।
দ্বিধা, ভয় ও সংশয় দূর করতে মেডিটেশন করুন। এতে মানসিক শান্তি, মনোযোগ দক্ষতা ও আত্মসচেতনতা বাড়বে।
প্রতিদিন নিয়ম করে কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করতে পারেন। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়ে মন ভালো থাকবে।
মনের ভেতর জমে থাকা ক্ষোভ, না পাওয়া, জমানো কষ্ট কিংবা আনন্দের স্মৃতিগুলো একটি ডায়েরিতে লিখে ফেলুন। এতে মানসিক চাপ অনেকটা কমবে।
দিনের কিছু অংশ প্রিয় কাজগুলো করুন। আনন্দ পাবেন, মন ভালো লাগবে।
জীবনের হতাশা ও দুশ্চিন্তাগুলো নিয়ে অভিজ্ঞ কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলুন এবং তাঁর নির্দেশনা মেনে চলুন। অতীতে বাস না করে বর্তমানে বাস করুন।
জীবনের প্রতিটি ছোট ছোট মুহূর্ত থেকে আনন্দ নেওয়ার চেষ্টা করুন।
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমান। পুষ্টিকর খাবার খান। পছন্দের গান শুনুন। মাঝে মাঝে নিজেকে উপহার দিন।
জীবন কোনো প্রতিযোগিতা নয়। সফলদের হিংসা করবেন না। নিজের ওপর ভরসা রেখে সামনে এগিয়ে চলুন। সাফল্যের সকাল আসবেই।
সূত্র: সাইক সেন্ট্রাল ও অন্যান্য ওয়েবসাইট

হাম বিষয়ে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে সামগ্রিকভাবে এ রোগ প্রতিরোধে টিকার কোনো বিকল্প নেই। তবে টিকার অভাব প্রাথমিকভাবে হাম প্রতিরোধে কিছু কাজ করা জরুরি। এগুলোর মধ্যে আছে মাস্ক পরা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং করোনা প্রতিরোধে করা কাজগুলো পুনরায় করা। তবে মনে রাখতে হবে, টিকাই নির্ভরযোগ্যভাবে...
৩২ মিনিট আগে
ঘ্রাণ বা গন্ধ আমাদের ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন এবং সবচেয়ে গভীরভাবে আবেগের সঙ্গে যুক্ত। আমরা যখন কোনো ঘ্রাণ নিই, তখন সেই ঘ্রাণ সরাসরি মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেমে পৌঁছে যায়—যেখানে আমাদের আবেগ ও স্মৃতির বসবাস। অন্য ইন্দ্রিয়গুলোর ক্ষেত্রে, যেমন দেখা বা শোনার মতো বিষয়গুলো আগে মস্তিষ্কের...
১০ ঘণ্টা আগে
দিন দিন গরম বাড়ছে। সকাল বা বিকেলের নাশতায় ভাজাভুজির পরিবর্তে শরীর ঠান্ডা করা খাবারের কথাই ভাবছেন? বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে খেতে পারেন দই-চিড়া। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
১ দিন আগে
আজ আপনার আত্মবিশ্বাস এভারেস্টের চূড়া স্পর্শ করবে। আয়নায় নিজেকে দেখে মনে হতে পারে, ‘আমিই তো আসল হিরো!’ অফিসে আপনার কাজ দেখে সহকর্মীরা মনে মনে হিংসা করলেও মুখে ‘হুজুর হুজুর’ করবে। তবে সাবধান! বসের সামনে বেশি ডাঁট দেখাতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনবেন না।
১ দিন আগে