ফিচার ডেস্ক

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নির্মল পরিবেশের জন্য পর্যটকদের কাছে বরাবরই পছন্দের গন্তব্য ভুটান। কিন্তু নিজেদের প্রকৃতি ও কার্বন নিঃসরণের ভারসাম্য ঠিক রাখতে পর্যটনে রক্ষণাত্মক অবস্থায় দেখা গেছে দেশটিকে। এ কারণে ভুটান বিশ্বের কার্বন-নিরপেক্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি।
কিন্তু বর্তমানে পর্যটন নিয়ে নতুন করে ভাবছে ভুটান। ভবিষ্যতে নিজেদের পর্যটনশিল্প আরও উন্নত করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে দেশটির নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে। এই বিমানবন্দরকে তৈরি করা হচ্ছে পর্যটনবান্ধব করে। সেখানে একই সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, খাওয়া, শপিং ও বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থাসহ থাকবে বিমানবন্দরে বসে হিমালয় দেখার সুযোগ। ভুটানের নির্মিতব্য এই বিমানবন্দরের নাম ‘গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’।
এটি হতে যাচ্ছে দেশটির দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিখ্যাত স্থাপত্য ডিজাইন ফার্ম ‘বিয়ার্ক ইনগেলস গ্রুপ’ (বিগ) বিমানবন্দরটির নকশা করেছে। নকশাটি এ বছর ভেনিস আর্কিটেকচার বিয়েনালে প্রদর্শিত হবে।
গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি তৈরি হচ্ছে ভুটান-ভারত সীমান্ত পাইথা নদীর কাছাকাছি এলাকায়। দেশটির উপশহর, বনাঞ্চল ও পর্বত শ্রেণির মধ্যে নির্মিতব্য এ বিমানবন্দরের আয়তন ৬৮ হাজার বর্গমিটার। এটির দৈনিক ১২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করার সক্ষমতা থাকবে। ২০৪০ সালের মধ্যে ১৩ লাখ যাত্রী এ বিমানবন্দর দিয়ে চলাচল করবে। ২০৬৫ সালের মধ্যে সংখ্যাটি ৫৫ লাখে পৌঁছাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নকশায় ভুটানের কাঠখোদাই ঐতিহ্য
বিয়ার্ক ইনগেলস গ্রুপ গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নকশার ক্ষেত্রে ভুটানের কাঠখোদাই ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয় শিল্পীরা বিমানবন্দরের কাঠামো সাজাতে খোদাই কাজ করবেন। এটি ভুটানের ঐতিহ্যবাহী ‘কাচেন’ স্তম্ভ থেকে অনুপ্রাণিত। বিমানবন্দরটি মডুলার কাঠামোতে নির্মিত।
ফলে ভবিষ্যতে চাইলে এটি সম্প্রসারণ করা যাবে। ভুটান পৃথিবীর অন্যতম কার্বন-নিরপেক্ষ দেশ। তাই বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে কার্বনের ভারসাম্য ঠিক রাখার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের আদল
ড্যানিশ স্থপতি প্রতিষ্ঠান বিয়ার্ক ইনগেলসের নেতৃত্বে বিগ গ্রুপ ভুটানের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বিমানবন্দরের নকশায় ফুটিয়ে তুলেছে। এর প্রবেশের অংশ চারটি অঞ্চলে বিভক্ত। সেখানে পাশের বন থেকে সংগৃহীত দেশীয় গাছপালা স্থাপন করা হয়েছে। বিমানবন্দরটিতে প্রাকৃতিক আলো ও হিমালয়ের দৃশ্য যাত্রীদের ভ্রমণে দারুণ অভিজ্ঞতা দেবে। এর প্রবেশদ্বারে রয়েছে ইয়োগার জন্য আলাদা স্থান ও দক্ষ নেভিগেশন ব্যবস্থা। ওপরের তলায় রয়েছে খাওয়ার জায়গা। যেখানে খেতে খেতে হিমালয়ের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভুটানের ঐতিহ্য, প্রকৃতি ও আধুনিক স্থাপত্যের মেলবন্ধন তুলে ধরবে। তা ছাড়া এটি ভুটান-ভারত সীমান্তের কাছে হওয়ায় এটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: সিএনএন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নির্মল পরিবেশের জন্য পর্যটকদের কাছে বরাবরই পছন্দের গন্তব্য ভুটান। কিন্তু নিজেদের প্রকৃতি ও কার্বন নিঃসরণের ভারসাম্য ঠিক রাখতে পর্যটনে রক্ষণাত্মক অবস্থায় দেখা গেছে দেশটিকে। এ কারণে ভুটান বিশ্বের কার্বন-নিরপেক্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি।
কিন্তু বর্তমানে পর্যটন নিয়ে নতুন করে ভাবছে ভুটান। ভবিষ্যতে নিজেদের পর্যটনশিল্প আরও উন্নত করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে দেশটির নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে। এই বিমানবন্দরকে তৈরি করা হচ্ছে পর্যটনবান্ধব করে। সেখানে একই সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, খাওয়া, শপিং ও বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থাসহ থাকবে বিমানবন্দরে বসে হিমালয় দেখার সুযোগ। ভুটানের নির্মিতব্য এই বিমানবন্দরের নাম ‘গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’।
এটি হতে যাচ্ছে দেশটির দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিখ্যাত স্থাপত্য ডিজাইন ফার্ম ‘বিয়ার্ক ইনগেলস গ্রুপ’ (বিগ) বিমানবন্দরটির নকশা করেছে। নকশাটি এ বছর ভেনিস আর্কিটেকচার বিয়েনালে প্রদর্শিত হবে।
গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি তৈরি হচ্ছে ভুটান-ভারত সীমান্ত পাইথা নদীর কাছাকাছি এলাকায়। দেশটির উপশহর, বনাঞ্চল ও পর্বত শ্রেণির মধ্যে নির্মিতব্য এ বিমানবন্দরের আয়তন ৬৮ হাজার বর্গমিটার। এটির দৈনিক ১২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করার সক্ষমতা থাকবে। ২০৪০ সালের মধ্যে ১৩ লাখ যাত্রী এ বিমানবন্দর দিয়ে চলাচল করবে। ২০৬৫ সালের মধ্যে সংখ্যাটি ৫৫ লাখে পৌঁছাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নকশায় ভুটানের কাঠখোদাই ঐতিহ্য
বিয়ার্ক ইনগেলস গ্রুপ গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নকশার ক্ষেত্রে ভুটানের কাঠখোদাই ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয় শিল্পীরা বিমানবন্দরের কাঠামো সাজাতে খোদাই কাজ করবেন। এটি ভুটানের ঐতিহ্যবাহী ‘কাচেন’ স্তম্ভ থেকে অনুপ্রাণিত। বিমানবন্দরটি মডুলার কাঠামোতে নির্মিত।
ফলে ভবিষ্যতে চাইলে এটি সম্প্রসারণ করা যাবে। ভুটান পৃথিবীর অন্যতম কার্বন-নিরপেক্ষ দেশ। তাই বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে কার্বনের ভারসাম্য ঠিক রাখার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের আদল
ড্যানিশ স্থপতি প্রতিষ্ঠান বিয়ার্ক ইনগেলসের নেতৃত্বে বিগ গ্রুপ ভুটানের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বিমানবন্দরের নকশায় ফুটিয়ে তুলেছে। এর প্রবেশের অংশ চারটি অঞ্চলে বিভক্ত। সেখানে পাশের বন থেকে সংগৃহীত দেশীয় গাছপালা স্থাপন করা হয়েছে। বিমানবন্দরটিতে প্রাকৃতিক আলো ও হিমালয়ের দৃশ্য যাত্রীদের ভ্রমণে দারুণ অভিজ্ঞতা দেবে। এর প্রবেশদ্বারে রয়েছে ইয়োগার জন্য আলাদা স্থান ও দক্ষ নেভিগেশন ব্যবস্থা। ওপরের তলায় রয়েছে খাওয়ার জায়গা। যেখানে খেতে খেতে হিমালয়ের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভুটানের ঐতিহ্য, প্রকৃতি ও আধুনিক স্থাপত্যের মেলবন্ধন তুলে ধরবে। তা ছাড়া এটি ভুটান-ভারত সীমান্তের কাছে হওয়ায় এটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: সিএনএন

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
১৫ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন বহুল ব্যবহৃত। অফিস থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ—সবখানেই এর বিচরণ অবাধে। তবে এর অপব্যবহার শিক্ষার্থীদের বিকাশ ও সৃজনশীলতাকে নেতিবাচক দিকে ধাবিত করছে। এর ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার রুখতে এবং শিক্ষার্থীরা সত্যিই বিষয়টি বুঝতে পারছে কি না, তা যাচাই করতে উত্তর আমেরিকার
১৭ ঘণ্টা আগে
হয়ে গেল বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গোল্ডেন গ্লোবস। তবে কেবল পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ নয়, এই আসরটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এর বর্ণিল ‘রেড কার্পেট’ ফ্যাশনের জন্য। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারকারা এমন সব সাজে হাজির হয়েছিলেন যা ফ্যাশন সচেতনদের মুগ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস ফ্যাশন ছি
১৯ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জন্য টাকাপয়সা ফেরত পাওয়ার দিন। অনেক আগে কাউকে ধার দেওয়া টাকা বা পুরোনো প্যান্টের পকেটে রাখা নোট আজ উদ্ধার হতে পারে। পুরোনো ঋণ শোধের জন্য আজ সেরা দিন, এতে মনের ওপর থেকে বড় একটা পাথর নেমে যাবে।
২০ ঘণ্টা আগে